শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রী পারাপার ॥ চরম দুর্ভোগ

নারায়ণগঞ্জ সংবাদদাতা: নারায়ণগঞ্জের সেন্ট্রাল ফেরিঘাটে ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট-এর নির্দেশে যাত্রী পারাপারের ট্রলার বন্ধ করে দিলেও নৌকায় চলছে পারাপার। এতে স্বাস্থ্য বিধি না মেনেই নৌকায় চলাচলের কারণে এদিকে যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে। অন্যদিকে অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে দুর্ঘটনার আশংকায় ভুগছেন সচেতন নাগরীকরা। আর কেউ কেউ বলছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয়হীনতা ও দুরর্শিতার অভাবেই এমনটা হচ্ছে। গার্মেন্টস এবং উৎপাদনশীল ফ্যাক্টরী চালু থাকলে শ্রমিকরা যাতায়াত করবে কি ভাবে।
সদর ও বন্দর নিয়েই নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে। সদর-বন্দর ভাগ করে বয়ে গেছে শীতলক্ষ্যা নদী। জীবনজীবীকার তাগিদে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ খেয়াপার হয়ে যাতায়াত করে। দেশের অন্যতম রপ্তানি আয়ের উৎস গার্মেন্ট সেক্টর রয়েছে নারায়ণগঞ্জ জুরে। দেশের বিভিন্ন জেলায় খাদ্যসামগ্রীও সরবরাহ হয় নারায়ণগঞ্জ থেকে। হোসিয়ারী শিল্পের অধিকাংশ শ্রমিকের বসবাস বন্দরে। শুধু তাই নয় তুলনামুলক ভাবে খরচ হম হওয়ায় এবং প্রাকৃতিক অবস্থার করণেও অনেকেই বন্দরে বসবাস করেন। আর মানুষের কাছে বন্দর থেকে নারায়ণগঞ্জে যাতায়াতের সহজ উপায় হচ্ছে খেযা পারাপার।
শীতলক্ষ্যা নদীতে বিআইডব্লিউটিএ’র নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরের আওতায় থাকা খেয়াঘাট গুলোর মধ্যে সেন্ট্রাল ফেরিঘাট (বন্দর ১ নং খেয়াঘাট) টি অন্যতম। যার কারণে সরকারও প্রতি বছর ঘাট ইজারার সময় সেন্ট্রাল ফেরিঘাট থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব পাচ্ছে।
বৃটিশ শাসনামলে প্র্যাচ্যের ড্যান্ডি খ্যাত নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহি পাট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় নারায়ণগঞ্জ নদী বন্দরটি। একই এলাকায় যুক্ত রয়েছে লঞ্চ টার্মিনাল, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশনের তিনটি সংযোগস্থল। যার করণে বন্দরের সব এলাকার মানুষ এ ঘাট ব্যবহার করে।
সেন্ট্রাল ফেরিঘাটে (বন্দর ১ নং খেয়াঘাট) এক সময় নৌকা দিয়েই যাত্রীরা পারাপার হতো। এক সময়ে নৌকা মাঝিরা চরম স্বেচ্ছাচারিতার মাধ্যমে যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ নানা ভারে হয়রানি করত। প্রায় সময় অতিরিক্ত যাত্রী নেয়ার কারণে নৌকা ডুবেও অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ