শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে ইউরোর শেষ আটে ইতালি 

স্পোর্টস ডেস্ক : শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে ম্যাচে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ আটে উঠল ইতালি। গত শনিবার রাতে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে অস্ট্রিয়াকে ২-১ গোলে হারায় ইতালী। অতিরিক্ত সময়েই হয়েছে এই তিনটি গোল। প্রথমার্ধ গোলশূন্যভাবে শেষ হওয়ায় বার বার মনে হচ্ছিল, প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ করতে না পারলে সমস্যা পড়বে ইতালি। কারণ, অস্ট্রিয়া এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বে না ইমমোবিলেদের। ৬৫ মিনিটে মার্কো আরনাউতোভিচ গোল করে এগিয়ে দেয় অস্ট্রিয়াকে। অফসাইডের কারণে তা বাতিল করে দেন রেফারি। টানা ৯০ মিনিট খেলা হয়; তবে গোলের দেখা পাননি কেউই। এরপর অতিরিক্তি সময়ে খেলা শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই স্পিনাজোলার পাস বিপক্ষের পেনাল্টি বক্সে বল ধরে বাঁ-পায়ের শটে জালে জড়িয়ে দেন কিয়েসা। ১০৬ মিনিটে ২-০ করে পরিবর্তিত হিসেবে নামা আর এক তারকা পেসিনা। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে অস্ট্রিয়া ০-২ পিছিয়ে পড়ার পরেও লড়াই ছাড়েনি। সাসা কালাজদজি ১১৪ মিনিটে ব্যবধান কমালেও দলের হার বাঁচাতে পারেননি। বল দখলের সঙ্গে আক্রমণে এগিয়ে থেকেও গোল পাচ্ছিলো না ইতালি। প্রতিপক্ষের জমাট রক্ষণ ভাঙা কঠিনই হয়ে পড়ে । নির্ধারিত সময়ের খেলায় কোনও দলই গোল করতে পারেনি। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। এই সময়ে এসে অবশেষে টাইব্রেকারে যাওয়ার আগে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে।অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধেই দুই গোল দিয়েছে ইতালি! আর তাতেই ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ আটে জায়গা করে নিয়েছে ১৯৬৮ সালের চ্যাম্পিয়নরা। শনিবার রাতে শেষ ষোলর লড়াইয়ে ইতালির কাছে ২-১ গোলে হেরে অস্ট্রিয়া বিদায় নিয়েছে। ম্যাচের ৯৫ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় চিয়েসা বাম পায়ের জোরালো ভলিতে লক্ষ্যভেদ করে ইতালিকে এগিয়ে নেন। এরপর ১০৫ মিনিটে পেসিনা কোনাকোনি শটে লক্ষ্যভেদ করে দলের নিশ্চিত করেন। আর ১১৪ মিনিটে কালাদিচ এক গোল শোধ দিয়ে অস্ট্রিয়াকে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও শেষরক্ষা করতে পারেননি। ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে ১১ মিনিটে স্পাইনাজ্জোলার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ১৬ মিনিটে বারেল্লার শট গোলকিপার পা দিয়ে রুখে দেন। ৩২ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ইমোবাইলের জোরালো শট পোস্টের কানায় লেগে ফিরে আসে। ৪৩ মিনিটে স্পাইনাজ্জোলার শট পোস্টের বাইরে দিয়ে গেলে এই অর্ধে গোল পাওয়া হয়নি। ইতালির আক্রমণাত্মক ফুটবলের বিপরীতে অস্ট্রিয়া প্রতি আক্রমণে উঠে একাধিকবার ভয় ধরানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু কোনও আক্রমণই ইতালির গোলকিপারকে বড় পরীক্ষায় ফেলতে পারেনি।তবে বিরতির পর অস্ট্রিয়া ডিফেন্সিভ কৌশল থেকে বেরিয়ে আসে। গোলের সুযোগও পায় তারা। ১০ মিনিট পর সাবিটজারের শট এক ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে প্রতিহত হয়। আর অস্ট্রিয়ার দুর্ভাগ্য, আলাবার হেড থেকে হেডেই বল জালে জড়ান আরনাউটোভিচ। কিন্তু ভিএআর দেখে অফসাইডের কারণে গোলের বাঁশি বাজেনি। শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ে এসে ম্যাচের নিষ্পত্তি হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ