শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

করোনা ভাইরাসের ডেল্টা ধরন অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ডারউইনে লকডাউন

২৭ জুন, বিবিসি : অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম শহর সিডনিতে শতাধিক ব্যক্তির মধ্যে করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক ডেল্টা ধরন শনাক্ত হওয়ার পর এর বিস্তার ঠেকাতে নগরীটিতে দুই সপ্তাহের লকডাউন দেওয়া হয়েছে। নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের এ রাজধানীতে রোববার থেকে লকডাউন শুরু হয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার ডারউইন শহরেও করোনাভাইরাসের একই ধরনের প্রাদুর্ভাবের কারণে বাসিন্দাদেরকে দুইদিন ঘর থেকে বের না হওয়ার নির্দেশনা কঠোরভাবে মেনে চলতে বলা হয়েছে। “ভাইরাসের এ ধরনটি যে মাত্রার সংক্রামক, তাতে আগামী কয়েকদিন আজকের তুলনায় বেশি আক্রান্ত মিলবে বলেই ধারণা করছি আমরা,” সিডনিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই বলেছেন নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গ্লেডিস বেরেজিক্লিয়ান।

দ্রুতগতিতে সীমান্ত বন্ধ, সামাজিক দূরত্বের বিধিনিষেধ আরোপ ও তা কার্যকরে সফলতার কারণে বিশ্বের অনেক উন্নত অর্থনীতির দেশের তুলনায় অস্ট্রেলিয়া এখন পর্যন্ত মহামারীকে বেশ ভালোভাবেই সামলেছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার ৪৫০ জনের মতো কোভিড রোগী শনাক্ত হয়েছে, মৃত্যু হয়েছে ৯১০ জনের।

অবশ্য সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দেশটিকে অনেক ছোট ছোট প্রাদুর্ভাব মোকাবেলা করতে হয়েছে। শনাক্ত রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের দ্রুত চিহ্নিত, হাজার হাজার মানুষকে নির্দিষ্ট সময় আইসোলেশনে রাখা এবং ছোট ছোট লকডাউনের মাধ্যমে তারা এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস সংক্রমণকে মোটামুটি নিয়ন্ত্রণেই রেখেছে। গতকাল রোববার সিডনিতে নতুন ৩০ জনের দেহে ভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ার খবর মিলেছে, এ নিয়ে বন্ডি এলাকায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা ১১০-এ পৌঁছেছে। শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় এবং একের পর এক এলাকায় নতুন আক্রান্ত মেলায় কর্তৃপক্ষকে লকডাউনের দ্বারস্থ হতে হয়; এবারের বিধিনিষেধে শহরটির বাসিন্দারা জরুরি কেনাকাটা, কাজ, প্রতিষ্ঠানে যাওয়া আসা, শরীরচর্চা ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কারণ ছাড়া বাড়ির বাইরে বের হতে পারবে না। এক ফ্লাইট অ্যাটেন্ডেন্ট সিডনিতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন, এটা জানার পর ওই বিমানকর্মী যেসব ফ্লাইটে ছিলেন, সেখানকার যাত্রীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে কন্টাক্ট ট্রেসারদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ