সোমবার ২৯ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে উৎপাদক নিয়ন্ত্রক ও  ভোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নাই : ক্যাব

চট্টগ্রাম ব্যুরো: অধিকাংশ সময় সরকার ব্যবসায়ী ও সরকারের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার উদ্যোগ নিয়ে থাকেন। কিন্তু এসমস্ত উদ্যোগ একটা সময়ে দ্বিপাক্ষিক দেনদরবারে পরিণত হয়। ফলে এক পর্যায়ে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকেও অভিযোগ করা হয় বড় বড় করপোরেট গ্রুপ, আমদানি করা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদেরকে নানাভাবে বঞ্চিত করছে। আমদানিকারক ও বড় ব্যবসায়ীরা খুচরা ব্যবসায়ীদের ওপর দোষ চাপান এবং খুচরা ব্যবসায়ীরা পাইকারীদের ওপর দোষ চাপান। ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যে একটি অসমতা বিরাজ করছে। তাই সকলের জন্য নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে হলে উৎপাদক বিশেষ করে খামারী, কৃষক, সরকারের নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তাদের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া কোনভাবে সফল হওয়া সম্ভব নয়। ২১ জুন চট্টগ্রাম নগরীর নগরীর মোটেল সৈকত সাম্পান হলে ক্যাব’র পোল্ট্রি সেক্টরে সুশাসন প্রকল্পের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপরোক্ত মন্তব্য করেন।

ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইনের সভাপতিত্বে ও ক্যাব বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরীর সংঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম ইউমেন চেম্বারের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র রেখা আলম চৌধুরী, বিশিষ্ট নারী নেত্রী ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর অ্যাডভোটে রেহেনা বেগম রানু, দেশ টিভির ব্যুরো চীপ ও কনজ্যুমার রাইটস মিডিয়া ফোরামের সভাপতি আলমগীর সবুজ ও থানা প্র্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ জাকিয়া খাতুন।

সভাপতির বক্তব্যে ক্যাব কেন্দ্র্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন বলেন ক্যাব নিরাপদ খাদ্য নিয়ে দীর্ঘদিন আন্দোলন করলেও এখনও আশানুরূপ পরিবর্তন আসেনি।

 

সভায় অতিথিরা বলেন কৃষকের উৎপাদন থেকে ভোক্তার টেবিলে পরিবেশেন পর্যন্ত নিরাপদ খাবার নিশ্চিতের করণীয় বিষয়গুলি যথাযথভাবে অনুসরণ করা না হলে নিরাপদ খাদ্য ও অনিরাপদ হতে পারে। একজন ক্ষুদ্র খামারীকে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে হলে আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতে মনোযোগী হতে হবে। সরকার কৃষি প্রযুক্তিতে উৎসাহিত করছে এবং এখানে কর রেয়াতসহ নানা সুবিধা প্রদান করছে। আর উৎপাদনের নিত্যনতুন কলাকৌশল উদ্ভাবিত হচ্ছে। সেকারণে একজন খামারীকে কম খরচে উৎপাদনের বিষয়টি যেভাবে দেখতে হবে। একই সাথে পুষ্টিমান ও নিরাপদ পোল্ট্রি ভোক্তার কাছে যাচ্ছে কি না তাও নিশ্চিত করতে হবে। পোল্ট্রি খাবার ও মুরগিতে আন্টিবায়োটিকের অতিরিক্ত ব্যবহার রোধে ভোক্তাদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছাতে সনদধারী পশু চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। কর্মশালায় ২৫ জন খামারী ও ১৫ জন স্থানীয় ক্যাব নেতৃবৃন্দসহ ৪০ জন অংশগ্রহণকারী অংশ নেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ