সোমবার ২৯ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

ডুমুরিয়ায় বর্ষা মওসুম এলেই জমে ওঠে জালের মেলা

 

খুলনা অফিস : খুলনার ডুমুরিয়ায় বর্ষার মওসুম এলেই জমে ওঠে জালের মেলা। মাছ ধরার প্রধান হাতিয়ার হচ্ছে জাল। একারণে বর্ষার মওসুমে মাছ ধরার জন্য জালের চাহিদা বেড়ে যায়। ক্রেতা বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে সরগরম থাকে বাজার গুলো।

জালের বাজারে বিক্রয় করা হয় বিভিন্ন ধরণের জাল। এরমধ্যে রয়েছে বড় জাল, ধর্ম জাল, খড়া জাল, ঢেলা জাল, কোনা জাল, চাক জাল ও ঝাঁকি জাল। খাল নদীতে ঘেরা উপকূলীয় খুলনার বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দারা সারা বছর নদী-নালা, ডোবা ও পুকুর থেকে মাছ শিকার করেন। তবে বর্ষা মওসুমে মাছ শিকারের চাহিদা বেড়ে যায়। গ্রামীণ জীবনে মাছ ধরতে ঝাঁকি, চাক ও কোনা জালের ব্যবহার মিশে আছে সেই দূর অতীত কাল থেকেই। আগে প্রায় বাড়িতেই মাছ ধরার জাল বোনা হত।

কিন্তু কালের বিবর্তনে এখন সময় ব্যয় করে আর তেমন জাল বোনা হয় না। অধিকাংশ মানুষ তাই বাজার থেকে জাল কিনে থাকেন। তাছাড়া ডুমুরিয়া উপজেলাটি মৎস্য ঘের অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় ঘেরে মাছ মারতে প্রচুর জালের প্রয়োজন। প্রতিটি ঘেরে বিভিন্ন ধরণের ২/৩টি জালের প্রয়োজন হয়। একারণে বর্ষার মওসুমে জালের চাহিদা বেড়ে যায়। বর্ষা এলেই জাল বিক্রয়ের এমনই পসরা বসে উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে। আর এসব ছোট খাটো দোকানকে কেন্দ্র করে গ্রামের সাধারণ মানুষদের উপস্থিতি থাকে বেশ চোখে পড়ার মতো।

সরজমিনে উপজেলার ডুমুরিয়া বাজার ও চুকনগর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাছ ধরার নানা সাইজের ঝাঁকি, কোনা ও চাক জালের পসরা সাজিয়েছে ব্যবসায়ীরা। ক্রেতাদের সঙ্গে দাম হাকিয়ে বেচা কেনা করছে। ধরণ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরণের জালের বিক্রয় মূল্য একেক রকমের। বড় আকারের ঝাঁকি জাল সর্বনিম্ন ১ হাজার থেকে শুরু করে ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হয়। মাঝারী আকারের ঝাঁকি জাল ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা হয়। চাক জাল সর্বনিম্ন ৩শ’ টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা হয়। কোনা জাল ৬শ’ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করা হয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ