শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

নির্মাণের চার বছর পরও জনবলের অভাবে চালু করা যায়নি ৫০ শয্যার বিশেষায়িত হাসপাতাল

তোফাজ্জল হোসাইন কামাল : ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স (এফএসসিডি) কর্মীদের কেন্দ্রীয়ভাবে সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে রাজধানীর মিরপুরস্থ এফএসসিডি অধিদফতরের ট্রেনিং কমপ্লেক্স এলাকায় নির্মাণ করা হয়েছে বিশেষায়িত হাসপাতাল। নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সকল কর্মীর তাৎক্ষণিক সুচিকিৎসা নিশ্চিতে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বার্ন ট্রিটমেন্ট হাসপাতাল’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এটির নির্মাল শুরুর পর চার বছর আগে নির্মাণ কাজ শেষে চালুর জন্য প্রস্তুত করা হয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে গত চার বছর ধরে এফএসসিডি অধিদফতরের সেই বিশেষায়িত হাসপাতালটি চালু করা যায়নি। ফলে হাসপাতালের জন্য আনা মূল্যবান যন্ত্রপাতি- মেশিন - সরঞ্জামাদী অযত্নে অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে। পরিকল্পনা কমিশনের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে এসব বিষয় উঠে এসেছে।
অগ্নিনির্বাপণ ও প্রতিরোধসহ যেকোনো দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রথম সাড়াদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে জনসাধারণের জানমাল রক্ষায় এগিয়ে আসেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানবসেবায় এগিয়ে এসে নিজেরাও হন ক্ষতির সম্মুখীন। অগ্নিদগ্ধসহ জখম, হাত-পা ভাঙা ও কাটার ঘটনাও ঘটে অহরহ। এজন্য নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সকল কর্মীর তাৎক্ষণিক সুচিকিৎসা নিশ্চিতে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে ‘এস্টাবলিশমেন্ট অব ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বার্ন ট্রিটমেন্ট হাসপাতাল’ শীর্ষক একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।  
প্রকল্পের আওতায় ১০ তলা ভিতসহ পাঁচ তলা হাসপাতাল ভবন, পাঁচ তলা ভিতসহ দুই তলা কিচেন ও বিনোদন ভবনের নির্মাণকাজ হাতে নেওয়া হয়। চার বছর আগে তা শেষও হয়। অগ্নিদগ্ধদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল হওয়ায় প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও ক্রয় করা হয়। কিন্তু প্রয়োজনীয় জনবলের অভাবে চালু করা যায়নি ৫০ শয্যার হাসপাতালটি।
আইএমইডির প্রতিবেদনে প্রকল্পের বর্তমান অবস্থার কথা বর্ণনা করে বলা হয়, ওই হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয়  ৩৩০টি আইটেমের মধ্যে বর্তমানে ৪৬টির মেয়াদ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। ২৩৩টি আইটেম অক্ষত অবস্থায় থাকলেও সচল বলে মনে হয়নি। এসব ইকুইপমেন্ট সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে গ্রহণ করার পর এখন পর্যন্ত সেগুলোর ব্যবহার হয়নি। হাসপাতালটির জন্য কেনা মূল্যবান যন্ত্রপাতি যেমন- ভেন্টিলেটর, অ্যানালাইজার, বার্ন ট্যাঙ্ক ইত্যাদি অব্যবহৃত অবস্থায় দীর্ঘদিন পড়ে থাকায় তা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ফলে ‘অত্যন্ত যৌক্তিক’ কারণে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হলেও সুষ্ঠু পরিকল্পনা ও কর্তাব্যক্তিদের নজরদারির অভাবে মহতী উদ্যোগটি ভেস্তে যাওয়ার পথে।
প্রকল্পটির প্রভাব মূল্যায়ন প্রসঙ্গে আইএমইডি বলছে, প্রকল্পের আওতায় ১০ তলা ভিতসহ পাঁচ তলা হাসপাতাল ভবন, পাঁচ তলা ভিতসহ দুই তলা কিচেন ও বিনোদন ভবন এবং বার্ন ট্রিটমেন্ট হাসপাতালের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হয়। তবে চিকিৎসকসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য জনবল নিয়োগ দেওয়া না হওয়ায় হাসপাতালের সেবা কার্যক্রম আরম্ভ হয়নি। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পর হাসপাতালটি রাজস্ব খাতে পরিচালিত হওয়ার পরিকল্পনা ছিল। প্রকল্প দলিলে হাসপাতাল পরিচালনার জন্য ১৫২টি পদের সংস্থান রাখা হয়। এসব জনবল সরাসরি নিয়োগ দেওয়া না হলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে প্রেষণে জনবল নিয়োগ দেওয়ার মাধ্যমে হাসপাতালটির কার্যক্রম চালুর বিষয়টি ডিপিপিতে উল্লেখ ছিল। কিন্তু প্রকল্পটি সমাপ্তের চার বছর পার হলেও এখনও কোনো জনবল নিয়োগ বা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে জনবল আনার কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
আইএমইডির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ১০ তলা ভিতবিশিষ্ট পাঁচ তলা হাসপাতাল ভবনের ছাদের অবস্থা সন্তোষজনক হলেও বর্তমানে কলামের বর্ধিত রডগুলো উন্মুক্ত অবস্থায় আছে এবং পানি সঞ্চালন লাইনের বিন্যাস সঠিকভাবে হয়নি। পাঁচ তলায় দরজার (কক্ষ ও বাথরুম) চৌকাঠ ও পাল্লার ফিনিশিং, টয়লেটের ফিটিংস ফিক্সচারের মান সন্তোষজনক নয়। চার ও তিন তলায় লবির ফলস সিলিং মেরামত প্রয়োজন। একটি বাথরুমের কোনো ভেন্টিলেশনের ব্যবস্থা নেই, ইলেকট্রিক ক্যাবলের কাভার ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় আছে এবং কিছু অংশের প্লাস্টার ও রঙ মানসম্পন্ন নয়। দ্বিতীয় তলায় ইলেকট্রিক ক্যাবলের কাভারিং ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় আছে। এক্স-রে রুমের এসি নষ্ট, চৌকাঠ ও পাল্লার ফিনিশিং সন্তোষজনক নয়, কিছু অংশের প্লাস্টার ও রঙের মান খারাপ ও সিলিং ফ্যানের ওপরে যথেষ্ট পরিমাণ স্থান না থাকায় বাতাস পাওয়া যায় না। সর্বশেষ নিচ তলার সামনের লবির গ্রানাইটে ফাটল আছে। পোর্চের কলামের রঙের মান ভালো নয়। দোতালার টয়লেটগুলোর পানি লিক করে নিচ তলায় পড়ে দেয়াল ও ফলস সিলিং নষ্ট হচ্ছে।
এছাড়া সিঁড়ির ঝুঁকিপূর্ণ ল্যান্ডিং এরিয়া, সেট না হওয়া টাইলস, ত্রুটিযুক্ত ফলস সিলিং, ত্রুটিযুক্ত মোজাইক, সিঁড়ির ভাঙা টাইলস, ছাদের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ, উন্মুক্ত রেইনওয়াটার ডাক্ট, মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট, মেয়াদোত্তীর্ণ এক্স-রে ফিল্ম, মেয়াদোত্তীর্ণ সিরিঞ্জ, কম্পিউটার, টেবিলের ক্ষতিগ্রস্ত চিত্র রিপোর্টে উঠে এসেছে।
আইএমইডির প্রতিবেদন বলছে, প্রকল্পটি অনুমোদনের এক মাস পরই অর্থাৎ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের (এফএসসিডি) যুগ্ম সচিব মো. আতাউল হককে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে তিনি প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন। প্রকল্পের পুরো সময়টা অর্থাৎ জুন ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি পিডির দায়িত্বে ছিলেন। এ সময়ে তিনি আরও একটি প্রকল্পের পিডি ছিলেন।
প্রকল্প পরিচালকের দফতর থেকে বরাদ্দ হওয়া অর্থে গণপূর্ত অধিদফতর প্রকল্পের পূর্ত কাজ বাস্তবায়ন করে। পূর্ণকালীন প্রকল্প পরিচালক থাকলেও প্রকল্পের ডিপিপিতে উল্লিখিত সভাগুলো ঠিক মতো করা হয়নি। ফলে প্রকল্পের বাস্তবায়নের অগ্রগতি ঠিকভাবে তদারকি করার মতো কেউ ছিলেন না।
পরিকল্পনা কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে চলমান সব প্রকল্পই সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবকে চেয়ারপারসন করে এবং প্রকল্প পরিচালককে সদস্য সচিব করে স্টিয়ারিং কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু এ প্রকল্পের ক্ষেত্রে সচিবকে সভাপতি করে প্রায় ১৪ সদস্যের স্টিয়ারিং কমিটি গঠনের সংস্থান ছিল ডিপিপিতে।
ডিপিপির তথ্যানুযায়ী, বছরে ন্যূনতম দুটি অর্থাৎ চার বছরে আটটি সভার সংস্থান থাকলেও মাত্র তিনটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর বাইরে, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে গঠিত প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাও সেভাবে হয়নি। মাসে কমপক্ষে একটি অর্থাৎ চার বছরে মোট ৪৮টি সভার সংস্থান থাকলেও এ সময়ে মাত্র দুটি বাস্তবায়ন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ চিত্র থেকেই বোঝা যায়, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কর্তাব্যক্তিদের নজরদারির অভাব ছিল।
আইএমইডি প্রতিবেদন প্রণয়নকারীরা মন্তব্যের স্থানে উল্লেখ করেছেন, ‘বর্তমানে বেশকিছু সরঞ্জাম মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থায় পাওয়া গেছে। মূল্যবান যন্ত্রপাতি যেমন- ভেন্টিলেটর, অ্যানালাইজার, বার্ন ট্যাঙ্ক ইত্যাদি অব্যবহৃত অবস্থায় দীর্ঘদিন থাকার ফলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’
সুরক্ষা সেবা বিভাগের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, “ যে অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছিল পরবর্তীতে ‘শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি’ স্থাপিত হওয়ায় অর্থ বিভাগ হাসপাতালটিকে ‘জেনারেল হাসপাতালে’ রূপান্তর করতে বলেছে। কিন্তু জেনারেল ও বার্ন ট্রিটমেন্ট হাসপাতালের ইকুইপমেন্ট  ভিন্ন। জেনারেল হাসপাতালে রূপান্তর করলে বার্ন ইকুইপমেন্টগুলো ‘শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি’তে দিয়ে দেওয়া যেতে পারে এবং জেনারেল হাসপাতালের জন্য নতুন করে সরঞ্জামাদি ক্রয় করা যেতে পারে।”
তারা  আরও বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুটি বিভাগের জন্যই একটি মেডিকেল পুল গঠনের উদ্যোগ নেয়। মেডিকেল পুলে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিভাগ থেকেও চিকিৎসক আনা হবে। এ পুল থেকে বিভিন্ন হাসপাতাল যেমন- পুলিশ হাসপাতাল, বিজিবি হাসপাতাল, কারা হাসপাতাল থেকে জনবল ফায়ার সার্ভিস হাসপাতাল পোস্টিং দেওয়া হবে। তবে সর্বশেষ উদ্যোগটি কী পর্যায়ে আছে সে বিষয়ে অবগত নন কামাল আতাহার হোসেন।
আইএমইডি বলছে, “প্রকল্পটি যে প্রেক্ষাপটে গ্রহণ করা হয়েছিল তা অত্যন্ত যৌক্তিক ছিল। তবে ‘শেখ হাসিনা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি’র কার্যক্রম আরম্ভ হওয়ার পর পরিস্থিতির বেশ পরিবর্তন হয়। কিন্তু বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই। দেশের জনসংখ্যা, অর্থনীতি, শিল্প-কারখানা সবকিছুরই প্রসার ঘটেছে। ফলে দুর্ঘটনার সংখ্যাও বাড়ছে। এমন অবস্থায় বার্ন ট্রিটমেন্ট হাসপাতালের চাহিদা আরও বাড়বে। এজন্য দেশের সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতের বিষয়টি বিবেচনা করে ফায়ার সার্ভিস, সুরক্ষা সেবা বিভাগ ও বার্ন ট্রিটমেন্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।”
আইএমইডির প্রতিবেদনে প্রকল্পের ঝুঁকির বিষয়ে বলা হয়েছে, সৃষ্ট অবকাঠামো ও ক্রয়কৃত যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত ও বিকল হয়ে যাওয়া, হাসপাতালটি চালু হওয়ার পর মেয়াদোত্তীর্ণ ও অকেজো চিকিৎসা সরঞ্জামাদির কারণে চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়া, বার্ন ট্রিটমেন্ট হাসপাতাল হিসেবে চালু করলে সৃষ্ট সুবিধাদির সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার না হওয়া এবং জেনারেল হাসপাতাল হিসেবে চালু করলে স্থান সংকুলান না হওয়া এবং ট্রেনিং কমপ্লেক্স চত্বরের বর্তমান পরিবেশ বিঘ্নিত হতে পারে।
‘প্রকল্পের দুর্বল দিক’ বিবেচনায় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জনবলের অভাবে নির্মিত হাসপাতালটি সময় মতো চালু করতে না পারা, প্রকল্পের ডিপিপিতে হাসপাতালের জন্য পদ সৃজনের ব্যাপারে অর্থ বিভাগের সুপারিশ সংযোজন না করা, এফএসসিডি ট্রেনিং কমপ্লেক্সের প্রশিক্ষণের জমি ব্যবহার করায় প্রশিক্ষণের জায়গা সংকুচিত হওয়া, প্রকল্পের ক্রয় প্রক্রিয়ায় পিপিআরের বিভিন্ন নীতিমালা অনুসরণ না করা, প্রকল্পের ক্রয় পরিকল্পনায় ত্রুটি থাকা এবং প্রকল্প চলাকালীন ভবনের এরিয়া, নকশা ইত্যাদি পরিবর্তন করা।
২০১২ সালে ডিসেম্বরে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। এটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ। ব্যয় ধরা হয় ১৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। প্রকল্পটি অনুমোদনের পর ২০১২ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের জুনের মধ্যে বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু এ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করতে না পারায় ২০১৫ সালের জুনে এর প্রথম সংশোধনী আনা হয়। ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় ২৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। একই সঙ্গে মেয়াদ বাড়ানো হয় ২০১৬ সাল পর্যন্ত। কিন্তু অব্যবস্থাপনার কারণে এ মেয়াদেও প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে না পারায় ব্যয় না বাড়িয়ে মেয়াদ ২০১৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ