শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইব্রাহিম রায়িসির ভূমিধস জয়

সংগ্রাম ডেস্ক : ইরানের ১৩তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়েছেন ৬০ বছর বয়সী রক্ষণশীল শিয়া নেতা সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি। ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্বাচন হেডকোয়ার্টার থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এদিকে, এরই মধ্যে বিজয়ী প্রার্থী সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মোহসেন রেজায়ি ও আবদুননাসের হেম্মাতি। গতকাল শনিবার সকালে পৃথক বার্তায় তারা অভিন্দন জানান। রয়টার্স, এএফপি।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট রুহানিও টেলিভিশনে দেয়া বক্তব্যে নির্বাচিত প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বলেও জানা গেছে। তবে তিনি নির্বাচিত প্রেসিডেন্টের নাম উল্লেখ করেননি।  সংস্কারপন্থী প্রার্থী হেম্মাতি ইনস্টাগ্রামে দেয়া এক বার্তায় রায়িসিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, তিনি আশা করেন যে রায়িসি মহান ইরানি জাতির জীবনযাত্রা উন্নত করবেন এবং তাদের জন্য সমৃদ্ধি বয়ে আনবেন। রক্ষণশীল প্রার্থী কাজিজাদেহ হাশেমিও বলেছেন, আমি জনগণের ভোটকে সমর্থন জানিয়ে হযরত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসিকে জনগণের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিনন্দন জানাচ্ছি।
নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণের জন্য মোহসেন রেজায়ি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়িকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ইরানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রার্থীদের প্রাপ্ত ভোট সংখ্যা সম্পর্কে এখনও কোনও তথ্য জানানো হয়নি।  আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়িসি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এই নির্বাচনে তার প্রতি রক্ষণশীল শিবিরের ব্যাপক সমর্থন দেখা গেছে।
জয় মেনে নিল বিরোধীরা : ইরানের প্রেসিডেন্ট ‘নির্বাচিত’ হওয়ায় কট্টরপন্থী রক্ষণশীল নেতা ইব্রাহিম রায়িসি অভিনন্দন পাচ্ছেন। এই নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা না করা হলেও বিরোধীরা ইতিমধ্যে ফল মেনে নিয়েছেন এবং রায়িসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
বার্তা সংস্থার খবরে বলা হয়েছে, এই নির্বাচনে ইব্রাহিম রায়িসির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন কট্টর ডানপন্থী আরও দুই প্রার্থী মহসেন রেজাই ও আমির হোসেন ঘাজিজাদ্দেহ হাসেমি। তাঁরা দুজনই রায়িসিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এ ছাড়া এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মধ্যপন্থী আবদুল নাসের হেমাতিও তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি ২০১৭ সালের নির্বাচনেও প্রেসিডেন্ট হতে লড়েছিলেন। তবে হাসান রুহানির বিরুদ্ধে জয় পাননি। সেবার তিনি ভোট পেয়েছিলেন ৩৮ শতাংশ। ২০১৯ সালে বিচার বিভাগের প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয় তাঁকে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ