বুধবার ২৮ জুলাই ২০২১
Online Edition

মুহাম্মদ জাবেদ আলী'র  গুচ্ছছড়া

খোকা ও ফুলপাখি

 

খোকন সোনার জমছে খেলা

ফুলপাখিদের সাথে,

নানান রঙের পাখ-পাখালি

বসছে খোকার হাতে ।

 

সবুজ বনের ফুলপাখিরা

শোনায় মধুর গান,

বুলবুলিটা দাঁড়িয়ে আছে,

ধরেই দুটো কান ।

 

তাই না দেখে পাতার ফাঁকে,

আলোর কিরণ হাসে,

সবুজ টিয়ে হলুদ শালিক,

খুকখুকিয়ে কাশে ।

 

ঘুমের পরী 

খোকার দুচোখ ভরে

নেমে এসো ঘুম,

এসো ঘুমের পরীরা,

দাও মিঠে চুম।

 

সাত আসমান থেকে

ঘুম নিয়ে এসো

খোকনের পাশে শুয়ে

চুপে চুপে হেসো ।

 

 

আষাঢ়ের জল

 

কল কল ছুটে চলে,

আষাঢ়ের জল

খল খল হেসে চলে

মাছেদের দল ।

 

টুপটাপ পানি ছাড়ে,

কদমের ফুল,

চুপচাপ হেসে মরে

শাপলা বকুল ।

 

টিয়ে

 

সবুজ টিয়ে পাখি

হলুদ বরণ আখি ।

ডানা মেলে ওড়ে,

নীলাকাশে ঘোরে ।

রাঙা দু'টি ঠোঁটে,

রাঙা হাসি ফোটে ।

গলায় পুঁতির মালা,

এবার গানের পালা।

পায়ে সোনার নূপুর,

নাচে ঝুমুর ঝুমুর ।

 

খোকন সোনার সাথে,

খেলবে চাঁদনি রাতে ।

উপদেশ

 

থেকো সদা সাদাসিধে কথা বলো কম,

মন রেখো বই মাঝে বেড়ে যাবে দম।

খুব বেশি হাসাহাসি খুব বাড়াবাড়ি,

নিয়ে আসে বিপদেরে খুব তাড়াতাড়ি ।

বাজে কাজে বাজে পথে ঘুরাঘুরি ছেড়ে,

নিজ পাঠে একা বসে নিজ মন দে রে,

অকারণে মিছে বলে দিও নাকো ভড়কে,

বেবুঝের সাথে কভু যেও নাকো তর্কে ।

যেই পথে নেক আছে সেই পথে হাঁটো,

সব কাজ ভালো নয় কোনো কাজ খাটো ।

মানুষের মাঝে নেই ছোট-বড়ো ভেদ,

সবারে সমান ভেবো করো না বিভেদ ।

হাছা কথা সোজা পথে সদা চলো যেনো,

গুরুজনে যা যা বলে জান দিয়ে মেনো ।

নামাযের ডাক এলে মসজিদে যাবে,

সালাম-আদাব দিবে যাকে যেথা পাবে ।

 

* মুহাম্মদ জাবেদ আলী'র জন্ম ১৯৮১ইং সালের ১৫-ই অগাস্ট ঠাকুরগাঁও জেলার রাণীশনকৈল উপজেলার ৬ নং কাশিপুর ইউ.পি'র বলঞ্চা গ্রামে। তিনি বর্তমানে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বগৈড় বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজের বিজ্ঞান শিক্ষক। প্রকাশিত গ্রন্থ : বত্রিশটি।  পুরস্কার : ১টি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ