শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

পাইকগাছায় হলুদ আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষকরা

পাইকগাছা (খুলনা) সংবাদদাতা : পাইকগাছায় হলুদের আবাদ পুরাদমে শুরু হয়েছে। তীব্র তাপদহনের মধ্য চাষিরা হলুদের বীজ রোপণ ব্যস্ত সময় পার করছে। তবে বর্তমান মাঝে মাঝে ভারি বৃষ্টি হওয়ায় জমি প্রস্তুত করতে না পারায় হলুদ আবাদে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে ।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সুত্রে জানাগেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১২৫ হেক্টর জমিতে হলুদের আবাদ হচ্ছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্য ৪টি ইউনিয়ন গদাইপুর, হরিঢালী, কপিলমুনি ও রাড়ুলীতে হলুদ চাষের উপযুক্ত জমি রয়েছে। এসব ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে উঁচু জমি ও হালকা ছায়াযুক্ত জমিতে হলুদের বীজ রোপন চলছে। হলুদ চাষের জন্য উঁচু জমি ও হালকা ছায়াযুক্ত জায়গায় হলুদ চাষ ভাল হয়। বৈশাখ থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত হলুদের বীজ বপন করা হয়। হলুদের সাথে সাথী ফসল হিসাবে ওল ও আলুর বীজ রোপন করা যায়। উপজেলার গদাইপুর ইউনিয়নের হিতামপুর, মেলেকপুরাইকাটী, তোকিয়া, গোপালপুর, মঠবাটী ও গদাইপুর গ্রামে হলুদের ব্যাপক আবাদ হচ্ছে। হলুদ চাষ করার জন্য জমি উত্তমরূপে চাষ করতে হয়। এরপর মই দিয়ে মাটি সমান করে দুই পাশের মাটি উঁচু করা হয়। এই উঁচু মাটির মধ্য হলুদের বীজ রোপন করা হয়। উঁচু মাটির পাশে হালকা নালামত তৈরি হয়। বৃষ্টি হলে ওই নালা দিয়ে পানি বের হয়ে যায়। এতে হলুদের বীজ নষ্ট হয় না। গদাইপুর গ্রামের হলুদ চাষি নজরুল ইসলাম জানান, এক বিঘা জমিতে হলুদ রোপণ করতে প্রায় ২০০ কেজি বীজের প্রয়োজন হয়। তিনি প্রতিবছর হলুদ চাষ করেন। এ বছরও প্রায় দুই বিঘা জমিতে হলুদের বীজ রোপন করছেন। তিনি জানান, হলুদ চাষের জন্য এ বছর আবহাওয়া ভাল রয়েছে। তবে অতিবৃষ্টি না হলে হলুদের চাষ ভাল হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, হলুদ একটি লাভ জনক ফসল। হলুদের সাথে সাথী ফসল হিসাবে ওল ও আলুর বীজ রোপণ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। হলুদ চাষিদের কৃষি অফিস থেকে বিভিন্ন ধরণের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে । আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হলুদের আবাদ ভাল হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ