রবিবার ২৫ জুলাই ২০২১
Online Edition

ইসলাম ধর্ম মানুষকে মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করার শিক্ষা দেয়  --- প্রধানমন্ত্রী

গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে দেশব্যাপী নির্মাণাধীন ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের মধ্যে ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে প্রথম পর্যায়ে ৫০টি মসজিদ উদ্বোধন করেন -পিআইডি

স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ইসলাম ধর্ম মানুষের অধিকার দেয়, মানুষকে মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করার শিক্ষা দেয়। সেই শিক্ষাটাই সবাই নেবে এটিই আমরা চাই। আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম সেভাবে তৈরি হবে, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।

আমাদের পবিত্র ইসলাম ধর্ম ইসলামের প্রচার-প্রসারে বাংলাদেশও অনেক অবদান যেন ভবিষ্যতে রাখতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই ৫৬০টি মসজিদের মধ্যে ৫০টি মসজিদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করা হয়েছে বলেন তিনি।

গতকাল বৃহস্পতিবার গণভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী এ সকল মসজিদের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রান্তে অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান। এ ছাড়া স্বাগত বক্তব্য রাখেন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নুরুল ইসলাম।

গণভবন প্রান্তে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। পরে প্রধানমন্ত্রী তিনটি জেলার তিন উপজেলায় যুক্ত হয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। 

বাংলাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় দৃষ্টিনন্দন ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণে অংশ হিসাবে প্রথম ধাপে ৫০টি মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে এ মসজিদগুলো নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বর্তমান সরকার।

তার অংশ হিসেবে মুজিববর্ষেই ১৭০টি মসজিদের উদ্বোধন করা হবে। যার অংশ হিসাবে প্রথম ধাপে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হয়।এই সব মসজিদ নির্মাণের প্রাথমিক পরিকল্পনা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যার ধারাবাহিকতায় ক্ষমতায় আসার পর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন করতে অনুমোদন দেয়া হয়। মসজিদগুলো সরকারের নিজেস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা শুরু হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে দেশের সব জেলা-উপজেলায় একটি করে মোট ৫৬০টি মডেল মসজিদ নির্মাণ চলছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে বিশেষ উদ্যোগে এরই মধ্যে ৫০টি মসজিদের নির্মাণকাজ শেষ করে উদ্বোধন করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন একজন ধর্মপ্রাণ খাঁটি মুসলমান। তিনি সকল ধর্মের মর্যাদা যেমন দেখিয়েছেন, ইসলাম ধর্মের প্রচার-প্রসারেও তিনি সবসময় তার পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ইসলাম ধর্ম শান্তির ধর্ম, পবিত্র ধর্ম সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, আমরা লেবাস সর্বস্ব ইসলামে বিশ্বাসী নই। আমরা বিশ্বাসী ইনসাফের ইসলামে। আমাদের ইসলাম হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ইসলাম। যে ইসলাম জগৎবাসীকে শিক্ষা দিয়েছে ন্যায় ও সুবিচারের অমোঘ মন্ত্র।

‘তিনি প্রকৃতপক্ষেই এটি বিশ্বাস করতেন। তার সে আদর্শ নিয়েই আমরা কাজ করি। মাত্র সাড়ে তিন বছর তিনি সময় পেয়েছিলেন। আর এই সময়ের মধ্যেই বিশেষ অবদান রেখে যান। কারণ তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনটাই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যেন ইসলাম ধর্মটা ভালোভাবে প্রচার হয়, এর মর্মবাণীটা যেন মানুষ বুঝতে পারে জানতে পারে’ বলেন শেখ হাসিনা। মাদরাসা বোর্ড প্রতিষ্ঠাসহ ইসলামের ধর্মের প্রচার প্রসারের লক্ষ্যে জাতির পিতার বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘ধর্ম নিয়ে ব্যবসা আর নয়। ধর্মের নামে শোষণ উৎপীড়ন আর চলবে না। রাজনীতির ক্ষেত্রে ধর্মকে টেনে এনে স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টা আর কেউ করতে পারবে না। এরপরও যদি কেউ ধর্মকে মূলধন করে ব্যবসা করে তবে তাকে সমুচিত ফল ভোগ করতে হবে। এদেশের সাত কোটি মানুষের সবাই তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় অধিকার পূর্ণভাবে ভোগ করতে পারবে। কারও ধর্মীয় অধিকারে কেউ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না’ জাতির পিতার বক্তব্যের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি এটিই বিশ্বাস করতেন এবং আমাদের সংবিধানে তিনি যে ধর্মনিরপেক্ষতা দিয়েছেন এর অর্থ হচ্ছে যার যার ধর্ম সে সে স্বাধীনভাবে পালন করতে পারবে। ধর্ম তিনি নিষিদ্ধ করেননি। ধর্ম পালনের স্বাধীনতাকে নিশ্চয়তা দিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।’

কাজেই ইসলাম প্রচার-প্রসারে যা যা করণীয় আমরা সেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি এবং কাজ করে যাচ্ছি বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

 তিনি বলেন, ‘আজকে সত্যি আমি খুব আনন্দিত যে আমাদের দেশ এগুচ্ছে। বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আমরা এগিয়ে যাব। সেই সঙ্গে সঙ্গে যার যার ধর্ম সে পালন করবে। এটা তো আমাদের পবিত্র কোরআন শরীফেই আছে। যার যার ধর্ম সে সে পালন করতে পারবে। কাজেই ইসলাম ধর্ম হচ্ছে সবথেকে বড় শান্তির ধর্ম, সব থেকে বড় ধর্ম। যে ধর্ম মানুষের অধিকার দেয়, মানুষকে মানুষ হিসেবে নিজেকে তৈরি করবার শিক্ষা দেয়। সেই শিক্ষাটাই সবাই নেবে-এটাই আমরা চাই। আমাদের প্রজন্মের পর প্রজন্ম সেভাবে তৈরি হবেন। সেটাই আমাদের লক্ষ্য।’

আমি আশা করি, আমাদের এই মডেল মসজিদের মাধ্যমে ইসলামের বাণী প্রচার হবে, ইসলামের সংস্কৃতির প্রচার হবে এবং ইসলামের মর্মবাণী দেশ-বিদেশে সকল ধর্মের মানুষ উপলব্ধি করতে পারবে। সেই দিকে খেয়াল রেখে মসজিদগুলোর নির্মাণ করা হচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।

কাজেই আজকে সত্যি খুব আনন্দের দিন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মহান নেতা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তিনি ইসলামের অনেক খেদমত করে গিয়েছিলেন। তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে এবং তিনিই ইসলামিক ফাউন্ডেশনটা তৈরি করে গিয়েছিলেন। কাজেই তারই পদাঙ্ক অনুসরণ করে আজকে আমরা শুধু বাংলাদেশের মানুষ না, আমাদের প্রবাসী এবং বিশ্ববাসী যেন দেখে, হ্যাঁ-বাংলাদেশ পারে। আল্লাহর রহমতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। জাতির পিতা যে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে স্বল্পোন্নত দেশে রেখে গিয়েছিলেন। তার সেই আদর্শ অনুসরণ করে আমাদের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ অনুসরণ করেই আমরা আজকে বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি।

পবিত্র ইসলাম ধর্ম ইসলামের প্রচার-প্রসারে বাংলাদেশও অনেক অবদান যাতে ভবিষ্যতে রাখতে পারে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই ৫৬০টি মসজিদের মধ্যে ৫০টি মসজিদের নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। সেই ৫০টি মডেল মসজিদের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বের কোনো জায়গায় জঙ্গিবাদ হলেই যেন ইসলামিক জঙ্গি এই ধরনের একটা নাম দেয়া হয়। আন্তর্জাতিকভাবে যেখানে যে সম্মেলনে গেছি, যখনই কেউ এ ধরনের কথা তুলেছে, আমি সবসময় সে জায়গায় তার প্রতিবাদ করেছি। মুষ্টিমেয় লোকের কারণে কোনো ধর্মকেই অপরাধী করা যায় না।

জেলা ও উপজেলায় দৃষ্টিনন্দন ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের অংশ হিসেবে প্রথম ধাপে ৫০টি মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনি ইশতেহারে এ মসজিদগুলো নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বর্তমান সরকার। তারই অংশ হিসাবে মুজিববর্ষেই ১৭০টি উদ্বোধন করা হবে। প্রথম ধাপে ৫০টি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হলো। মসজিদগুলো সরকারের নিজেস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করা হচ্ছে।

মসজিদগুলোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা মুসলিম অধ্যুষিত দেশ। এখানে ইসলামের মূল্যবোধ এবং চর্চা যাতে ভালোভাবে হয়, ইসলামিক সংস্কৃতির বিকাশ যেন হয়, ইসলামের বাণীটা যেন মানুষ বুঝতে পারে, সেটাই হবে সব থেকে বড় কথা।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা দেখেছি, এই ধর্মের নাম নিয়ে কীভাবে জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করা হয়। কিছু লোক আমাদের দেশে না শুধু সারাবিশ্বব্যাপীই ধর্মের নামে মানুষ খুন করে। জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করা এবং মানুষকে খুন করলেই নাকি তারা বেহেশতে চলে যাবে। যারা এ পর্যন্ত মানুষ খুন-খারাবি করেছে তারা কে কে বেহেশতে গেছে, সেটা কি কেউ বলতে পারবে? সেটা বলতে পারবে না। কিন্তু সব থেকে সর্বনাশ করে গেছে পবিত্র ইসলাম ধর্মের, যে ধর্ম শান্তির ধর্ম। যে ধর্ম মানুষকে সব অধিকার দিয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি তো মনে করি সারাবিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম হচ্ছে ইসলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের মুষ্টিমেয় লোক জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করে, মানুষ হত্যা করে, বোমা মেরে খুন-খারাবি করে আমাদের এই পবিত্র ধর্মের নামে বদনাম সৃষ্টি করেছে। যেটা আমাদের ধর্মের পবিত্রতাকে শুধু নষ্ট করছে না, এর ইমেজটাও নষ্ট হচ্ছে সারাবিশ্বে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা যেন এই সর্বনাশা পথ থেকে সরে আসে সেজন্য আমাদের ওলামায়ে একরামগণ, অভিভাবক, শিক্ষক ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান থাকবে তার যেন এর জন্য সবধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখেন। ধর্ম চর্চা করতে হলে আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখতে হবে, নিজের উপর বিশ্বাস রাখতে হবে। মানুষের সেবা করতে হবে, কল্যাণ করতে হবে। মানুষের অকল্যাণ করে, একটা পরিবারকে ধ্বংস করে কেউ বেহেশতে যেতে পারবে না।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সারাদেশে মসজিদ করার সিদ্ধান্তটা আমাদের অনেক আগেই ছিল। আমাদের প্রচেষ্টাও ছিল। আমরা নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষণা দিয়েছিলাম মসজিদ নির্মাণের। ইসলামের প্রচার-প্রসার যেন সঠিকভাবে করা হয় এবং জঙ্গিবাদ ও নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ থেকে যেন মানুষ দূরে থাকে সেজন্য এই মডেল মসজিদ নিমার্ণের পরিকল্পনা করা হয়।’ ইসলাম ধর্মের যে মূল প্রতিপাদ্য সেটা যেন মানুষ সঠিকভাবে শিখতে পারে, জানতে পারে, ধর্ম চর্চা করার যে প্রক্রিয়া সেটা সম্পর্কে মানুষ যেন জানতে পারে সেদিকেও সবাইকে খেয়াল রাখার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মাদক আমাদের সমাজকে একেবারে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে। এই মাদকের হাত থেকে মানুষ মুক্ত হতে পারে। তার জন্য সবাইকে আরও সচেতন হতে হবে। এই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, মাদক, নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধের আমাদের এই সমাজে সচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে। এবং মসজিদগুলো আমরা সেভাবেই তৈরি করতে চেয়েছি। যেখানে সবধরনের শিক্ষা, প্রচার এবং মানুষের মাঝে সচেতনতা, ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান যেন আরও বৃদ্ধি পায় সেই লক্ষ্য নিয়েই আমরা এটা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘মসজিদ করা হলো। সবাই এর যত্ম নেবেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন যেন থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখবেন এবং যতœ নিয়ে ব্যবহার করবেন, যেন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকে। সত্যিকার ইসলাম ধর্মের মর্মবাণী যেন এদেশের মানুষ বুঝতে পারে, জানতে ও শিখতে পারে। শুধু আমাদের দেশে নয়, আমরা যে ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাস করি, সব ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি, আমরা স্ব স্ব ধর্ম যতœসহকারে লালন-পালন করি এবং অনুসরণ করি সেগুলো আন্তর্জাতিকভাবে তুলে ধরতে হবে। কারণ ইসলাম আমাদের সেই মানবতার শিক্ষাই দিয়েছে। সিলেটে মডেল মসজিদ উদ্বোধন করে সেখানকার মানুষজনের সঙ্গে মতবিনিময়কালে করোনাভাইরাস থেকে বাংলাদেশ যেন মুক্তি পায় সেজন্য সবাইকে দোয়া করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ