রবিবার ২০ জুন ২০২১
Online Edition

ব্রাদার্স ইউনিয়নকে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে খেলাঘর

স্পোর্টস রিপোর্টার : বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে খেলাঘর সমাজ কল্যাণ সমিতি ৫ রানে হারিয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়নকে। বিকেএসপিতে ব্রাদার্স আগে ব্যাটি করে ৫ উইকেটে ১৩৪ রান তোলে। জবাবে খেলাঘর ১৬.২ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রান তোলে। এরপর বৃষ্টির বাগড়ায় এক বলও মাঠে গড়ায়নি।ফলে বৃষ্টি আইনে খেলাঘর ৫ রানে এগিয়ে থাকায় ম্যাচ জিতে যায়। সাভারের বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে ব্রাদার্স। ওপেনার মিজানুর রহমানের হাফ-সেঞ্চুরিতে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৩৪ রান করে ব্রাদার্স। ৬১ বল খেলে ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৬ রান করেন মিজানুর। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান করেন রাহাতুল ফেরদৌস। খেলাঘরের খালেদ আহমেদ ও রিসাদ হোসেন ২টি করে উইকেট নেন। বৃষ্টি আইনে ১০৫ রানের সহজ টার্গেটে খেলতে নেমে প্রথম ওভারেই দুই ওপেনারকে হারায় খেলাঘর। তবে তিন নম্বরে নামা মেহেদি হাসান মিরাজ-অধিনায়ক জহিরুল ইসলাম ও ফরহাদ হোসেনের ব্যাট চড়ে ১৬ দশমিক ২ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১০৯ রান তুলে খেলাঘর। এরপর বৃষ্টির কারনে খেলা বন্ধ হয়। পরবর্তীতে আর খেলা শুরু না হলে, বৃষ্টি আইনে দেখা যায় ৫ রানে এগিয়ে খেলাঘর। কারন বৃষ্টি আইনে ১৬ দশমিক ২ ওভারে ১০৫ রান করতে হতো খেলাঘরের। সেখানে ১০৯ রান করে তারা। মিরাজ অপরাজিত ৪০, অধিনায়ক জহিরুল ইসলাম ২৬ ও ফরহাদ অপরাজিত ২৯ বলে ৩৬ রান করেন। ম্যাচ সেরা হন ব্রাদার্সের মিজানুর। ৬ খেলায় ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের অষ্টম স্থানে খেলাঘর। সমান সংখ্যক ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের চতুর্থ স্থানে ব্রাদার্স।

পারটেক্সকে হারালো শেখ জামাল

সালাউদ্দিন সাকিল পাঁচ উইকেট নিয়ে পারটেক্সকে গুঁড়িয়ে দিলেন। তার ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের দিনে জিতল শেখ জামাল। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ টি-টোয়েন্টিতে ৬ উইকেটে জিতেছে নুরুল হাসান সোহানের দল। বিকেএসপির চার নম্বর মাঠে ১০৪ রানে গুটিয়ে যায় পারটেক্স। ছোট লক্ষ্য ছুঁতে শেখ জামালের খেলতে হয়েছে ১৭ ওভার ২ বল। ৩১ বছর বয়সী সালাউদ্দিন প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটেই এই প্রথম পেলেন ৫ উইকেটের স্বাদ। ১৬ রানে ৫ উইকেট নিয়ে পারটেক্সের মূল ক্ষতিটা করেন তিনিই। আঁটসাট বোলিংয়ে ২ উইকেট নেওয়ার পর মিডল অর্ডারে কার্যকর এক ইনিংস খেলেন ইলিয়াস সানি। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সায়েম আলমকে হারায় পারটেক্স। অধিনায়ক তাসামুল হককে কট বিহাইন্ড করার পর আব্বাস মুসা আলভিকে ফিরিয়ে দেন সালাউদ্দিন। এরপরও ইসহারুল ইসলাম ও ধীমান ঘোষের ব্যাটে ৩ উইকেটে ৭০ রানের ভালো ভিতের উপর দাঁড়ায় পারটেক্স। সেখান থেকে মাত্র ৩৪ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়ে ফেলে দলটি। এক ছক্কায় ১৯ রান করা কিপার-ব্যাটসম্যান ধীমানকে ফিরিয়ে দেন সালাউদ্দিন। শেষ ওভারে পরপর দুই বলে জুবায়ের হোসেন ও শাহাদাত হোসেনকে ফিরিয়ে পান ৫ উইকেটের স্বাদ। 

একশ পেরিয়েই থমকে যায় পারটেক্স। এই রান নিয়েও অবশ্য বেশ লড়াই করে দলটি। দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি সৈকত আলি। থিতু হয়েও মোহাম্মদ আশরাফুল, নাসির হোসেন ও নুরুল হাসান সোহান শেষ করে আসতে পারেননি কাজ। তিন জনেরই স্ট্রাইক রেট ছিল একশর নিচে। দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন সানি। ২৪ বলে দুই ছক্কা ও এক চারে ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৬ ম্যাচে এটি শেখ জামালের তৃতীয় জয়। পারটেক্সের টানা ষষ্ঠ হার।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ