সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে রসালো ফল কালো জাম

শফিকুল ইসলাম, গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবগঞ্জ): চলছে মধুমাস জ্যৈষ্ঠ। এ মধুমাসে নানান ফল-ফলাদি দেখা যায় আমাদের দেশে। এই মধুমাসে আম, জাম, কাঁঠালের মিষ্টি রসে যেন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। এর মাঝে অন্যতম ফল কালো জাম। এজন্যই কবি বলেছেন “পাকা জামের মধুর রসে; রঙ্গীন করি মুখ”। পরম উপকারী এই জাম ফলটি সকল শ্রেণীর মানুষের কাছে সমাদৃত। এই ফলটি নানান দেশে নানান নামে পরিচিত যেমন, জাম্বুল, জাম্বু, জামুল,কালোজাম ইত্যাদি। কিন্তু কালের বিবর্তনে  হারিয়ে যেতে বসেছে জামগাছ।
অন্যান্য সব ফলের তুলনায় জামের স্থায়ীত্বকাল কম হলেও এটি পুষ্টিগুণে অতুলনীয়। ফলের স্বাদে মাসের নাম ফলাও হয়ে ঘুরতে থাকে মানুষের মুখে মুখে। তাইতো জৈষ্ঠ্য মাসকে মধুমাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এ মাসে হরেক রকমের ফল যেমন, আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস, ডেফয়া, লটকন,কালো জাম, জামরুল, আতাফল, কাউ, শরীফাসহ নানা ফল পাকতে শুরু করে। মধুর স্বাদের ফল পাওয়া যায়। শুধু ফল নয় জাম গাছ তীব্র রোদে পশুপাখি ও মানুষদের স্নিগ্ধছায়া দান করে। জাম গাছের কাঠ দিয়ে তৈরী হয় বাহারী সব আসবাব পত্র। চাঁপাইনবাবগঞ্জের উপকারী এই জাম গাছ প্রায় বিলুপ্তির পথে। আগে বিভিন্ন রাস্তায়, মহাসড়কে, বাড়ির আঙ্গিনায়, পুকুর পাড়ে দেখা মিলতো জাম গাছের; কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় এখন জাম গাছ রোপণ না করায় গাছের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে । বিগত দিনগুলোতে কিছু মানুষ জাম বিক্রি করে দৈনিক আয় করতেন। বর্তমানে গাছের পরিমাণ কমে যাওয়ার ফলে বাজারে এক কেজি কালো জাম বিক্রি হচ্ছে ১শথ থেকে দেড়শ টাকা পর্যন্ত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ