সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

খুলনার নদী দূষণে দায়ী সিমেন্ট কারখানা ও কচুরিপানা

খুলনা অফিস : বারবার সতর্ক করার পরও খুলনার নদীতে বর্জ্য ফেলা নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষের। একাধিকবার জরিমানা করার পরও নিয়ন্ত্রণহীন সিমেন্ট কোম্পানি। শুধু সিমেন্ট নয়, অসচেতন ভাবে নদীতে বর্জ্য ফেলা এবং কচুরিপানার কারণে পানির প্রবাহ না থাকায় দূষণ হচ্ছে খুলনার পশুর ও ময়ূর নদী। এ দাবি পরিবেশ অধিদপ্তরের। এদিকে খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকার মধ্যে হর্ণ ছাড়া চলাচলের জন্য নির্দিষ্ট একটি এলাকা জুড়ে তালিকা করা হচ্ছে। যার নাম প্রাথমিকভাবে দেওয়া হয়েছে নিরব এলাকা। এসব এলাকায় যে সকল যানবাহন চলাচল করবে তারা কোন হর্ণ ব্যবহার করতে পারবে না। হর্ণ বাজানোর প্রমাণ মিললেই হবে জরিমানা।
জানা যায়, নগরীর ময়ূর নদীতে কচুরিপানার কারণে পানির প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এরপর আবার অসচেতনভাবে ফেলা হচ্ছে বর্জ্য যার কারণে দূষিত হচ্ছে ময়ূর নদী। এ ব্যাপারে লিফলেট বিতরণসহ নদীর পাশর্^বর্তী মানুষদের সচেতন করা হলেও কোন কাজ আসছে না। প্রতিনিয়ত নদীতে বাড়ছে ময়লা, পরিবেশ হচ্ছে দূষণ।
এদিকে ময়ূর নদীর তুলনায় বেশি দূষিত হচ্ছে পশুর নদী। এর কারণ পার্শ^বর্তী সিমেন্ট কোম্পানিগুলো। কোম্পানির ডাস্টের কারণে দূষিত হচ্ছে পশুর নদী। অবশ্য পশুর নদীর তীরবর্তী সবগুলো সিমেন্ট কারখানাকে করা হয়েছে জরিমানা। যার ফলে অনেক অনেক সিমেন্ট কারখানা বর্তমানে ডাস্ট কালেক্টর ব্যবহার শুরু করেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ৫ বছরের তুলনায় খুলনা বেড়েছে শব্দ দূষণের পরিমাণ। এর সব থেকে বেশি প্রভাব পড়েছে নগরীর সোনাডাঙ্গা এলাকায়। সেখানে বাসস্ট্যান্ড হওয়ার কারণে কারণে অকারণে হর্ণ বাজানোর কারণে শব্দ দূষণ বাড়ছে। এই কারণে খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় হর্ণ বাজানো নিয়ন্ত্রণ করার জন্য নিরব এলাকার তালিকা করা হচ্ছে। খুব দ্রুতই তালিকার কাজ শেষ হবে। এদিকে করোনার কারণে হাসপাতাল এলাকায় বেড়েছে বর্জ্যওে পরিমাণ। সেই সাথে নগরীর বিভিন্ন মোড়েও সম্প্রতি দেখা যায় বিচ্ছিন্ন ভাবে ছড়িয়ে রয়েছে বর্জ্য। যার কারণে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ