সোমবার ২৯ নবেম্বর ২০২১
Online Edition

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

গতকাল বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বেলুন উড়িয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বিএনপি’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হয়েছে রাজধানীতে কর্মরত পেশাদার সাংবাদিকদের সবচেয়ে বড় সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) ২৬ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ‘লড়াই-ঐক্য-ভাতৃত্বের বন্ধন’- এই শ্লোগানকে সামনে রেখে গতকাল বুধবার দিনটি পালন করা হয়। এর মধ্যে ছিল সকাল ১১টায় জাতীয় পতাকা ও সংগঠনের পতাকা উত্তোলন, সাড়ে ১১টায় র‌্যালি এবং দুপুরে ১টায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা।
 বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ডিআরইউ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‌্যালি উদ্বোধন করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, যুগান্তর সম্পাদক সাইফুল আলম, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি এম আবদুল্লাহ, মহাসচিব নুরুল আমিন রোকন, অপর অংশের ভারপ্রাপ্ত মহাসচি আবদুল মজিদ, জাতীয় প্রেসক্লাব সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কাদের গনি চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদ মো: শহিদুল ইসলামসহ ডিআরইউর বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে কেক কাটা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান খানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন ও ব্যারিস্টার নাসির উদ্দিন অসীম, আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউয়িনের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে সংগঠনের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। সভা শেষে অতিথিদের নিয়ে ডিআরইউ’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কেক কাটায় অংশ নেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।
এ সময় সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড: হাছান মাহমুদ বলেন, করোনাকালে সাংবাদিকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চলমান সহায়তাকে বিশ্বে এক অনন্য নজীর।  প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ডিআরইউ এর সকল সদস্যের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে মন্ত্রী প্রায় ২ হাজার সাংবাদিকের এ বৃহৎ সংগঠনের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করেন। গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য সরকারের আন্তরিকতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারই সাংবাদিকদের কল্যাণে আইন প্রণয়ন করে ট্রাস্ট গঠন করেছে। আর করোনাকালে এই সরকার সাংবাদিকদের যেভাবে সহায়তা করেছে, অন্য কোনো দেশে তা করা হয়নি।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই এদেশে বেসরকারি পর্যায়ে টেলিভিশন ও বেতারের যাত্রা শুরুর কথা স্মরণ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যার দেশ পরিচালনায় গণমাধ্যমের যেমন যুগান্তকারী বিকাশ ঘটেছে, তেমনি কেউ কেউ স্বীকার না করলেও সত্যটা হলো, বাংলাদেশ আজ স্বল্পোন্নত থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। এর সাথে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার যে চাহিদা বেড়েছে, তা পূরণে ডিআরইউসহ সকল গণমাধ্যম সংগঠনগুলোকে সাংবাদিক প্রশিক্ষণের ওপর জোর গুরুত্ব দিতে হবে।
দিনভর এ আয়োজনে ডিআরইউ’র সহ-সভাপতি ওসমান গনি বাবুল, যুগ্ম সম্পাদক আরাফাত দাড়িয়া, অর্থ সম্পাদক শাহ আলম নূর, সাংগঠনিক সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল, দপ্তর সম্পাদক মো: জাফর ইকবাল, নারী বিষয়ক সম্পাদক রীতা নাহার, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক মাইদুর রহমান রুবেল, তথ্য প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ সম্পাদক হালিম মোহাম্মদ, ক্রীড়া সম্পাদক মাকসুদা লিসা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক মিজান চৌধুরী, কল্যাণ সম্পাদক খালিদ সাইফুল্লাহ, আপ্যায়ন সম্পাদক মোহাম্মদ নঈমুদ্দিন, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এম জসিম, রহমান আজিজ, রুমানা জামান, রফিক রাফি, নার্গিস জুঁই ও জাহাঙ্গীর কিরণ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, ডিআরইউ ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে রিপোর্টারদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রতিভা বিকাশ, পেশাগত মান উন্নয়ন, মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, বস্তুনিষ্ঠ ও সুস্থ সাংবাদিকতা বিকাশে সদস্যদের জন্য কল্যাণমূলক এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহণ করে আসছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ