শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

বিস্তীর্ণ বিল জুড়ে সোনালী ধানের দোলা

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা : বিশ্বজুড়ে আজ মহামারি করোনার আঘাতে সবকিছু স্থবির। করোনার থাবায় বিশ্বজুড়ে চলছে লকডাউন, থমকে গেছে বিশ্ব অর্থনীতির চাকা, স্থবির হয়ে পড়েছে কর্মচঞ্চল মানুষের জীবনধারা। কিন্তু এ নিয়ে কৃষকদের যেন একেবারেই মাথাব্যথা নেই। এমন পরিস্থিতিতেও মাঠে কাজ করছেন কৃষক। করোনা এখনও দেশের কৃষি ও কৃষককে থামাতে পারেনি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে, মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সোনালী ধান ঘরে তোলার স্বপ্ন নিয়ে প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও বিলের জমি জুড়ে ইরি-বোরো ধান চাষ করেন কৃষকরা। ফসলের ক্ষেতগুলো এখন নজর কাড়ছে সোনালী রংয়ের সমারোহে। বাতাসে ক্ষেতে দুলছে কৃষকের স্বপ্নের সোনালী ধান। চলতি বোরো মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকদের মুখে হাসি ফুটেছে। এখন পর্যন্ত বন্যার তেমন আশঙ্কা নেই। তবে কৃষকের সুখের স্বপ্নে হানা দিয়েছে দুর্ভাবনা। গত বছরের মত এই বছরও করোনার প্রদুর্ভাবের কারণে অনেক কৃষক ধান কাটার শ্রমিক সংকটে ভুগছে এ কারণে এবার ফসল ঘরে তোলা নিয়ে দেখা দিয়েছে সংশয়। সোনালী ধান ঘরে তোলা নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটছে তাদের। দুশ্চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়েছে কৃষকের। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ধান কাটা শ্রমিকদের তীব্র সংকট রয়েছে। ফলে উপজেলার কয়েক হাজার কৃষক ঘরে ধান তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তাই দিশেহারা হয়ে পরেছেন। কেননা এখন তাদের মাঠ ভরা পাকা আধা পাকা বোরো ধান। অগ্রিম চাষ করা ধানগুলো কেউ কেউ ঘরে তুলতে শুরু করেছেন।
কৃষি অফিসের তথ্য মতে, আগৈলঝাড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে মোট ৯ হাজার ৩শ’ হেক্টর জমি ইরি-বোরো চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার ৪শ’ ৫০ মেট্রিক টন চাল। যার মধ্যে ৪৮ হাজার ৪শ’ মেট্টিক টন হাইব্রীড ও ২ হাজার ৫০ মেট্টিক টন উফসী চাল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ