রবিবার ২০ জুন ২০২১
Online Edition

ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে আইসিইউর চার্জ লাগবে না -ডিএনসিসি মেয়র

গতকাল সোমবার ঢাকা উত্তর সিটির ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিট-১৯ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে মেয়রের সৌজন্যে ২টি এ্যাম্বুলেন্স ও ১টি লাশবাহী গাড়ি হস্তান্তর করা হয় -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বলেছেন, মহাখালীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের (আইসিইউর) জন্য রোগীর কাছ থেকে কোনো অর্থ নেওয়া হচ্ছে না। তবে এই সুবিধা কেবল নগরবাসীরাই পাবেন। গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালে দুটি অ্যাম্বুলেন্স ও একটি লাশবাহী গাড়ি উপহার দেওয়ার পর আতিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, ‘আমরা আইসিইউর জন্য কোনো চার্জ নিচ্ছি না। এই সুবিধা কেবল নগরবাসী পাবে। এ ছাড়া যাদের অ্যাম্বুলেন্সের খরচ বহনের সক্ষমতা নেই, তারা বিনা মূল্যে অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করতে পারবে।’
এই অ্যাম্বুলেন্সের যাবতীয় খরচ উত্তর সিটি বহন করবে জানিয়ে মেয়র বলেন, তবে এই সুবিধা কেবল ঢাকা শহরের জন্য। সেটা উত্তর বা দক্ষিণ সিটি হোক।
এ সময় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ বি এম খুরশিদ আলম বলেন, ‘করোনা-পরবর্তী সময়ে হাসপাতালটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দেওয়া হবে। এখানে বিভিন্ন বিভাগ খুলে পর্যাপ্ত জনবলসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। এই হাসপাতাল ছাড়াও ঢাকায় বেশ কিছু করোনা ইউনিট ও হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। সম্প্রতি মহাখালী বক্ষব্যাধি হাসপাতালে করোনা ইউনিট চালু করা হয়েছে। সেখানে ১০টি আইসিইউসহ ১৫৪টি শয্যা রয়েছে।’
তবে ২ মে পর্যন্ত বক্ষব্যাধি হাসপাতালের করোনা ইউনিটে কোনো রোগী ভর্তি হননি। প্রচারণার অভাবে কোনো রোগী ভর্তি হয়নি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বিষয়টি স্বীকার করে প্রচারণার জন্য গণমাধ্যমের সহযোগিতা কামনা করেন।
ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড-১৯ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ বি এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতায় মাত্র ২০ দিনের মাথায় এই হাসপাতাল তৈরি করা হয়েছে। এখন পর্যায়ক্রমে হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসছেন।’
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলিম রেজা প্রমুখ বক্তৃতা করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ