শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন সত্ত্বেও চুয়াডাঙ্গায় লোডশেডিং

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা : দেশে বর্তমানে বিদ্যুতের সব্বোর্চ উৎপাদনের হলেও চুয়াডাঙ্গায় চলছে বিদ্যুতের লোডশেডিং ও লো ভোল্টেজ সমস্যা। রমযানের আগে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল রমজান মাসে সেহরী, তারাবি বা ইফতারির সময়ে কোন লোডশেডিং হবে না কিন্তু প্রতিশ্রুতির সত্যতা মিলছেনা চুয়াডাঙ্গায়। রমজানের শুরু থেকেই দিনে রাতে চলছে লোডশেডিং। এমনকি ইফতারি, সেহরী ও তারাবির নামাজের সময় চালানো হচ্ছে লোডশেডিং। এতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে বিদ্যুত গ্রাহকরা।
জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গায় বিদ্যুত সরবরাহের জন্য শহরে ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্টিবিউশন কো¤পানী লিঃ ও গ্রাম অঞ্চলের জন্য পল্লী বিদ্যুত সমিতি বিদ্যুত সরবরাহ করে থাকে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, চুয়াডাঙ্গা শহরে ৫টি ফিডারের মাধ্যমে বিদ্যুত সরবরাহ করা হয়ে থাকে। ওয়েস্টজোন পাওয়ার ডিস্টিবিউশন কো¤পানী লিমিটেডের আওতাধীন গ্রাহক সংখ্যা রয়েছে প্রায় ৩৬ হাজার। আর পল্লী বিদুতের গ্রাহক রয়েছে ৪ লাখ ৫৪ হাজার।
চুয়াডাঙ্গা শহরের গ্রাহকরা বলছেন, কিছুদিন আগেও চুয়াডাঙ্গা শহরে বিদ্যুত ব্যবস্থা ছিল সন্তোষজনক। কিন্তু বর্তমান নির্বাহী প্রকৌশলী মো: ময়নুদ্দীনের যোগদানের পর থেকেই ক্রমেই অবনতি হতে থাকে পরিস্থিতির। শুরু হয় লোডশেডিং ও লোভেল্টেজ সংকট।
চুয়াডাঙ্গা শহরের একজন গ্রাহক জানান, তিনি হাজরাহাটি ফিডারের আওতাভুক্ত গ্রাহক। তার দাবি দেশে রেকর্ড বিদ্যুত উৎপাদন হলেও চুয়াডাঙ্গাতে অজানা কারণে লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে। দিনে রাতে সমান তালে চালানো হচ্ছে লোডশেডিং।
শহরের গুলশানপাড়ার রহমত উল্লাহ জানান, সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে জানানো হয়েছিল পবিত্র রমযান মাসে ইফতারী, সেহরী ও তারাবীর নামাজের সময় কোন লোডশেডিং হবে না। কিন্তু চুয়াডাঙ্গার ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে না এ নিদের্শনা। তিনি জানান, বিদ্যুতর এমন বেহাল দশার কারণে পৌরসভার সরবরাহকৃত পানিও ঠিকমত পাচ্ছিনা আমরা। এমনিতেই লোডশেডিং তার উপর লো-ভোল্টেজের কারণে বাসা বাড়ির ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী পুড়ে নষ্ট হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ