শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

দাকোপে চেয়ারম্যনের নেতৃত্বে দফায় দফায় হামলা ২৫ বিঘা জমির তরমুজ লুট-পাট

খুলনা অফিস : খুলনা জেলার দাকোপ উপজেলা ৪ নং কৈলাশগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মিহির মন্ডলের নেতৃত্বে ২৫ বিঘা জমির তরমুজ কেটে লুটপাট, দফায় দফায় হামলা-মারপিট ও জীবনাশের হুমকি এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে। ৩০ এপ্রিল শুক্রবার বেলা ১১টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে ক্ষতিগ্রস্তরা এ অভিযোগ করেন।সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে দাকোপের ধোপাদী গ্রামের ফারুক মল্লিকের ছেলে হুমায়ুন কবীর মল্লিক বলেন-উপজেলার নায়দের খাল ধোপাদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পূর্ব পাশের বিলে আমার পিতা মো. ফারুক মল্লিক, গনেশ সরকার, খুলনার বসুপাড়া এলাকার এনাম আহমেদ ও রূপসার মুজিবর রহমানের ৩৫ বিঘা জমি রয়েছে। ক্রয় সূত্রে মালিকানা ওই জমি আমরা ভোগদখলে রয়েছি। এদিকে ওই জমি নিয়ে একই এলাকার আবুল খায়ের ও তপন মন্ডলের সাথে আমাদের বিবাদের জের ধরে প্রতিপক্ষদ্বয় আদালতে মামলা দায়ের করে। মামলায় বিজ্ঞ আদালত আমাদের পক্ষে রায় ঘোষণা করেন। এদিকে চলতি মৌসুমে ওই ৩৫ বিঘা জমির মধ্যে ২৫ বিঘা জমিতে আমরা তরমুজের আবাদ করেছি। এদিকে গত ২৫ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯ টায় ৪নং কৈলাশগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান মিহির মন্ডল বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তপন মন্ডল, বিলাস মন্ডল, পলাশ মন্ডলসহ প্রায় শতাধিক লোকজন নিয়ে ১০টি পিকআপসহ আমাদের তরমুজের খেতে হাজির হন। তিনি রাস্তার উপর পিকআপগুলি দাঁড় করিয়ে লোকজন নিয়ে ক্ষেতে নেমে তরমুজ তুলে পিকআপে তুলতে থাকেন। আমি ও আমার লোকজন তাদের বাধা দিলে মিহির মন্ডল ক্ষিপ্ত হয়ে তার লোকজনদের আমাকে হত্যার নির্দেশ দেন। সাথে সাথে তার সশস্ত্র বাহিনী আমাকে ও আমার লোকজনদের ধাওয়া করলে আমরা দৌড়ে পালিয়ে প্রাণ রক্ষা পাই। এ ঘটনায় ৩২ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছি। অপরদিকে আসামী পক্ষ নিজেদের বাঁচাতে আসামী তপন মন্ডলকে বাদী করে আমাদের বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে কাউন্টার মামলা দায়ের করে হয়রানী করছে। সাংবাদিক সম্মেলনে মিহির মন্ডলসহ তার বাহিনীর সকল সদস্যদের অনতি বিলম্বে গ্রেফতার পূর্বক আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সেই সাথে আমাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানানো হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মো. মুজিবর রহমান, এনাম আহম্মেদ, গণেশ সরকার, আবুল হাওলাদার, বেল্লাল মল্লিক ও শহিদুল ইসলাম।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ