সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

হেফাজত নেতা আবদুল কাদের ও নোমানী রিমান্ড শেষে কারাগারে

স্টাফ রিপোর্টার: প্রায় আট বছর আগে রাজধানীতে হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় করা মামলায় রিমান্ড শেষে সংগঠনটির এক সিনিয়র নেতাসহ দুইজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। এরা হলেন-হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েবে আমির অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদের এবং টেলিভিশনের ইসলামিক অনুষ্ঠানের উপস্থাপক, ‘ধর্মীয় বক্তা’ মুফতি নুরুজ্জামান নোমানী। অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদেরকে পাঁচ দিনের এবং নোমানীকে দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গতকাল শুক্রবার আলাদাভাবে ঢাকার হাকিম আদালতে হাজির করা হয়। পুলিশের আবেদনে মহানগর হাকিম বেগম ইয়াসমিন আরা দুই আসামীকেই কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।
২০১৩ সালের ৫ মে ঢাকার ছয়টি প্রবেশমুখে অবরোধ কর্মসূচি দেয় হেফাজতে ইসলাম। অবরোধ কর্মসূচি শেষে হেফাজতের নেতা-কর্মীরা মতিঝিলের শাপলা চত্বরে অবস্থান নেয়। সেদিন শাপলা চত্বরে ওই অবস্থান ঘিরে দিনভর পুলিশের সঙ্গে হেফাজতকর্মীদের সংঘর্ষ চলে। মতিঝিল, পল্টন ও আশপাশ এলাকায় ফুটপাতের শত শত দোকান ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ করে কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এতে শিকার হয় আশপাশের অনেক সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা। সেসব ঘটনায় হেফাজতের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পল্টন, মতিঝিলসহ বিভিন্ন থানায় মামলা দায়ের করে পুলিশ।
এর মধ্যে পল্টন থানায় দায়ের করা এক মামলায় ২০ দলীয় জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের মহাসচিব অধ্যাপক আহমদ আবদুল কাদেরকে গত ২৪ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁও থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন আদালতে হাজির করে পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে বিচারক ৫ দিন মঞ্জুর করেন।
এদিকে মুফতি নুরুজ্জামান নোমানীকে গ্রেপ্তার করা হয় ২৬ এপ্রিল রাতে তাকে মিরপুরে তার বাসা থেকে। পরদিন তাকে আদালতে হাজির করে পল্টন থানার মামলায় ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক তাকে দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ