সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

আ’লীগের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করতে না পারলে গোটা জাতি নিঃশেষ হয়ে যাবে

গতকাল শুক্রবার গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির উদ্যোগে বর্তমান সরকারের শাসনামলে বিভিন্ন সময়ে ‘গুম ও খুন’ হওয়া নেতাকর্মীর পরিবারের সদস্যদের মাঝে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার প্রদান করা হয় -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগকে অবৈধ সরকার আখ্যা দিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আজ এই ফ্যাসিস্ট সরকার সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রের দানব শক্তি ব্যবহার করে জনগণের সমস্ত অধিকার কেড়ে নিয়েছে। সেই শক্তিকে সরিয়ে আমরা সত্যিকার অর্থেই একটা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে এত ত্যাগ, এত অশ্রু, এত ব্যথা, এত বেদনা। বিএনপি মহাসচিব বলেন, এদের (আওয়ামী লীগ সরকার) হাত থেকে যদি আমরা দেশকে রক্ষা করতে না পারি গোটা জাতি নিঃশেষ হয়ে যাবে। এদের হাত থেকে পরিত্রাণ পেতেই হবে। আজকে চতুর্দিকে তাকিয়ে দেখবেন, সরকার বলতে কিছু নেই, প্রশাসন বলতে কিছু নেই, কোথাও কারো কোনও জবাবদিহিতা নেই। নো বডি হ্যাজ অ্যাকাউটেবলিটি টু এনিবডি। গতকাল শুক্রবার দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে দলের নিখোঁজ ও ক্ষতিগ্রস্ত নেতাকর্মীদের পরিবারের সদস্যদের ঈদ উপহার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় আবেগ আপ্লুত হয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা প্রায় প্রত্যেক বছর আপনাদের সামনে যখন এভাবে উপস্থিত হই, নিজেদেরকে খুব অপরাধী মনে হয়। আপনাদের এতো ত্যাগের পরও আ’লীগকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেশের অবস্থার পরিবর্তন করতে না পারার কারণে আমরা অপরাধবোধে ভুগছি।
একযুগেরও বেশি সময় ধরে ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা গুম-খুনের শিকার হয়েছেন সেসব পরিবারের মাঝে গতকাল  ঈদ উপহার তুলে দেয় দলটি। অনুষ্ঠানে ‘নিখোঁজ’ ছাত্র দল নেতা নুরুজ্জামান জনি, জাকির হোসেন, তরিকুল ইসলাম তারা, মাহবুবুর রহমান বাপ্পী, তারিকুল ইসলাম ঝণ্টুর পরিবারের সদস্যদের হাতে ঈদ উপহার তুলে দেন বিএনপি মহাসচিব। আরও ৮৭৭ জনের বাড়িতে ঈদ উপহার পৌঁছে দেওয়া হবে বলে আয়োজকরা জানান।
গুম-খুনের শিকার এসব পরিবারের কষ্টের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা আমাদের অধিকারগুলোকে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। আমাদের যে অধিকারগুলোকে আজ এই ফ্যাসিস্ট সরকার সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রযন্ত্রের দানব শক্তি ব্যবহার করে কেড়ে নিয়েছে, সেই শক্তিকে সরিয়ে আমরা সত্যিকার অর্থেই একটা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই। এজন্যই এত ত্যাগ, এত অশ্রু, এত ব্যথা, এত বেদনা। আমরা প্রায় প্রত্যেক বছর আপনাদের সামনে যখন এভাবে উপস্থিত হই, নিজেদেরকে মাঝে মাঝে খুব অপরাধী মনে হয়। বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, অপরাধী মনে হয় এজন্য যে- আমরা এখন পর্যন্ত অবস্থার পরিবর্তন করতে পারিনি। একটি ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট শক্তি আমাদের সব অর্জনগুলোকে ধ্বংস করে দিয়ে, মানুষের প্রতি মানুষের যে ভালোবাসা ছিল সেটা নষ্ট করে দিয়ে, আমাদের স্বপ্নগুলোকে ভেঙে চুরমার করে দিয়ে একটা দানবীয় শক্তি হয়ে আমাদের ওপর তাণ্ডব নৃত্য করছে। এটাই বাস্তবতা।
দলের ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, এর আগে এই রোজার মাসে প্রত্যেক বছরই আমরা আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ইফতার করেছি এবং আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। আমরা জানি আপনাদের যে ক্ষতি হয়েছে সেই ক্ষতি পূরণ করার কোনো শক্তি আমাদের নেই, সম্ভব নয়। এই পাশে থাকা, এটা বড় সাহস জোগায়। সাহস আপনাদেরও জোগায়, আমাদেরও জোগায়। আমরা যে উদ্দেশ্যে রাজনীতি করছি, আন্দোলন করছি। লক্ষ্য একটাই, গণতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা।
মির্জা ফখরুল বলেন, এই ধরনের অনুষ্ঠান প্রতিবছর আমাদের আবেগ-আপ্লুত করে। আমরা যখন আমাদের সামনে এই পরিবারের সদস্যদের দেখতে পাই, যারা তাদের সন্তান, ভাই বা স্বামীর ছবি নিয়ে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন, এটা আমাদের ভারাক্রান্ত করে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব বিগত ছয়-সাত বছর ধরেই এই পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করেছেন, তাদের তালিকা তৈরি করেছেন এবং আমাদের বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় বিএনপি তাদের কাছে ঈদের আগে যৎসামান্য কিছু উপহার-সামগ্রী প্রদান করেছে।
সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এত মানুষকে যে প্রাণ দিতে হয়েছে, এত তরুণদের যে চলে যেতে হয়েছে, অবশ্যই সরকারকে এর জবাব দিতে হবে। যারা গুম হয়েছে, নিখোঁজ হয়েছে, তাদের পরিবারের কাছে তাদেরকে জবাব দিতে হবে, পুরো জাতির কাছে জবাব দিতে হবে।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমাদের সব সময় একটা কথা মনে রাখতে হবে- আমরা যে লড়াই করছি, যুদ্ধ করছি, সংগ্রাম করছি, এটা আমরা রাষ্ট্রযন্ত্রের সঙ্গে করছি। রাষ্ট্রযন্ত্র এই রাষ্ট্রকে আজ দখল করে ফেলেছে। প্রশাসন, মিডিয়া, নির্বাচন কমিশন, পার্লামেন্ট সব কিছু দখল করেছে, এটাই তাদের চরিত্র। এটা আমাদের ভাঙতে হবে। অবশ্যই আমরা তাদেরকে পরাজিত করতে সক্ষম হবো। এই রক্তের ধারা কখনো বৃথা যেতে পারে না। আমরা অবশ্যই বিজয়ী হবো। বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপি বিএনপির জন্য সংগ্রাম করছে না। আমরা সংগ্রাম করছি এদেশের মানুষের জন্য। আমাদের যে গণতন্ত্র হারিয়ে গেছে, সেটা ফিরিয়ে আনার জন্য। আমরা সংগ্রাম করছি আমাদের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য।
তিনি বলেন, আজ দেখুন দেশের কী অবস্থা। আজ আরেকটা দানবীয় শক্তি করোনা ভাইরাস গোটা বিশ্বকে গ্রাস করেছে। এটা ছোটখাটো বিষয় নয়। মানুষ পথ খুঁজে পাচ্ছে না। বড় বড় বিজ্ঞানীরা চূড়ান্তভাবে বলতে পারছে না, কোনটা সঠিক ভ্যাকসিন কোনটা না। আজকে এই সরকার কি করেছে? যেহেতু তাদের জনগণের কাছে জবাবদিহিতা নেই, যেহেতু তাদের কখনোই কারও কাছে জবাব দিতে হয় না, তারা গোটা কোভিডকে নিয়ে ব্যবসা করেছে। জনগণ হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ছুটে বেড়াচ্ছে একটা আইসিউ পায় না। দেড় বছর ধরে এই অবস্থা চলছে, তারা এদিকে লক্ষ্য রাখেনি। শুধু কী করে টাকা বানানো যাবে, কী করে দুর্নীতি করা যাবে তারা সেই কাজ করেছে।
ফখরুল আরও বলেন, আজ চতুর্দিকে তাকিয়ে দেখবেন যে, সরকার বলতে কিছু নেই। প্রশাসন বলতে কিছু নেই। কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। আজকের পত্রিকায় দেখলাম- ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তিনি তিন মাসের ছুটি নিয়ে আমেরিকা গেছেন। যখন দেশে এ ধরনের একটা ক্রাইসিস, যখন গরম ও কোভিডের মধ্যে মানুষের জীবন কাহিল অবস্থা, সেই সময়ে তিনি আমেরিকায় গিয়ে সেখান থেকে অফিস চালাবেন। কেন, কারণটা কী? খোঁজ নিয়ে দেখেন যে, আমেরিকায় তার কয়টা বাড়ি হয়েছে, কী হয়েছে...।
ভ্যাকসিন সংগ্রহ করতে গিয়ে সরকার এখন পানি ঘোলা করে খাচ্ছে বলে অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা দেড় বছর আগেই বলেছিলাম যে, একটা সোর্স থেকে যেন ভ্যাকসিন না নেওয়া হয়। তারা (সরকার) একটা সোর্স থেকে ভ্যাকসিন নিয়েছে নিজেদের স্বার্থে। যার ফলে কী হয়েছে ভ্যাকসিন নেই, ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, আমরা বলেছিলাম, চীন-রাশিয়া বিকল্প উৎসগুলো দেখা হোক। তারা সেটা করেনি। যার ফলে কী হতে যাচ্ছে? আজকে চীন-রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করতে যাচ্ছে। একটা বিশেষ প্রাণী আছে যারা ঘোলা করে পানি খায়। এদের অবস্থা হয়েছে তা-ই। এরা ঘোলা করে পানি খাচ্ছে। মির্জা ফখরুল বলেন, যেহেতু তাদের (সরকার) জবাবদিহিতা নেই, কখনোই তাদের জবাব দিতে হয় না কারো কাছে, তাদের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক নেই, তাই আজকে তারা কোভিডকে নিয়ে ব্যবসা করেছে। জনগণের সমস্যার সমাধান করেনি।
ফখরুল বলেন, আমাদের দলের নেতাকর্মী গুম হয়েছেন ৫০০ এর বেশি। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন যেগুলো আছে-সেগুলো এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্র ২০০৯ সাল থেকে ২০১৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৬০১ জনের গুম হওয়ার তথ্য জানিয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য মতে এই সময়ে দুই হাজার ৮১৭ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন এবং গুলি করে হত্যা করা হয়েছে অনেককে। এতো যে মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে, এতো যে তরুণকে চলে যেতে হয়েছে, এর জবাব অবশ্যই এই সরকারকে দিতে হবে, আওয়ামী লীগকে দিতে হবে। যারা গুম হয়ে গেছেন তাদের পরিবারের কাছে, গোটা জাতির কাছে তাদের (সরকার) জবাব দিতে হবে। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট কারা? যারা নির্বাচিত হয়ে আসে। এরা কিন্তু ক্ষমতায় এসে সেনাবাহিনীর মতো অন্যান্য কিছু দখল করে ফেলে না। এরা নির্বাচিত হয়ে আসে। দ্য নেইম অব ডেমোক্রেসি, দ্য নেইম অব ইলেকশন দে কাম টু পাওয়ার। আসার পরে তারা তাদের ক্ষমতাকে ধরে রাখার জন্য, ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার জন্যে তখন গুম-খুনের এরকম কৌশল অবলম্বন করতে থাকে।
ছাত্রদলের সভাপতির সভাপতিত্বে ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-দফতর সম্পাদক নাজমুল হাসানের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান, স্বাধীনতা উদযাপনে মিডিয়া উপকমিটির সদস্য আতিকুর রহমান রুমন রুম্মন বক্তব্য রাখেন।
নিন্দা ও প্রতিবাদ : আওয়ামী সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের দ্বারা বিএনপি যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি আব্দুল মালেক এর সিলেটের গ্রামের বাড়ীতে সশস্ত্র হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব বলেন, গত ২৮ এপ্রিল ভোরে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেক এর সিলেটের দক্ষিণ সুরমাস্থ তেতলী গ্রামের বাড়ীতে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা অগ্নিসংযোগ, গুলীবর্ষণ, হামলা, ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এই ন্যাক্কারজনক ঘটনা ফ্যাসিবাদের চরম বহিঃপ্রকাশ। আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ-যুবলীগের বেপরোয়া এবং লাগামহীন পৈশাচিক দানবীয় কর্মকান্ডে এখন দেশবাসীর প্রতিটি মুহূর্ত অতিবাহিত হচ্ছে গভীর শঙ্কায়। করোনা ভাইরাসের মহামারিতে দেশবাসীর আতঙ্ক ও উদ্বেগের মধ্যেও বিরোধী দলের ওপর গণবিরোধী সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনীর নির্যাতনের মাত্রার কোন কমতি নেই, বরং তা আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় সিলেটে বিএনপি যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতির বাড়ীতে কাপুরুষোচিত হামলা চালানো হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব অবিলম্বে বিএনপি-যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি আব্দুল মালেকের সিলেটের গ্রামের বাড়ীতে ন্যাক্কারজনক হামলার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান।
বাণী :  মহান মে দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ও বিশ্বের সকল শ্রমজীবী মেহনতি মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।  এক বাণীতে তিনি বলেন, বিশ্ব ইতিহাসে মে দিবস একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দিন। শ্রমিকের ন্যায্য দাবি ও শ্রমের  অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আমেরিকায় শিকাগো শহরে ১৮৮৬ সালের মে মাসে রচিত হয়েছিলো এক রক্তমাখা ইতিহাস। শোষকদের বিরুদ্ধে শোষণ ও বঞ্চনার শিকার প্রতিবাদী শ্রমিকদের আত্মাহুতির রক্তাক্ত পথে সারাবিশ্বে শ্রমিকদের দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজের ন্যায্য অধিকার  স্বীকৃতি পেয়েছিলো। সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান বীর উত্তম নিজেকে সবসময় একজন শ্রমিক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ব ও স্বাচ্ছন্দবোধ করতেন। শ্রমিকদের দুটো হাতকে তিনি উন্নয়নের চাবিকাঠি ভাবতেন। এদেশের শ্রমজীবী ও পরিশ্রমী মানুষের কল্যাণে তিনি যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। মে দিবসের দিনে শ্রমিক স্বার্থ রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল ও উদ্যোগী হওয়ার জন্য আমি আহবান মির্জা ফখরুল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ