শনিবার ১৯ জুন ২০২১
Online Edition

ক্ষমা চাইলেন স্ট্রিক 

স্পোর্টস ডেস্ক : আইসিসির দেওয়া আট বছরের নিষেধাজ্ঞা মাথা পেতে নিয়েছেন জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক ও কোচ হিথ স্ট্রিক। সে সঙ্গে নিজের কৃতকর্মের সম্পূর্ণ দায় ভার নিয়ে ক্ষমাও চেয়েছেন সাবেক এ পেসার। তবে তিনি কোনো ম্যাচ-ফিপিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না বলেও জানিয়েছেন। দুর্নীতি বিরোধী বিধি ভঙের কারণে কদিন আগে আইসিসি তাকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে ৮ বছর নিষিদ্ধ করেছে। স্ট্রিক স্বীকার করেছেন, তিনি দুটি আন্তর্জাতিক সিরিজ, দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে দলগুলোর ভেতরের খবর পাচার করেছেন। সে সিরিজগুলো হল ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ে, বাংলাদেশ ও শ্রীলংকার অংশগ্রহণে ত্রিদেশিয় সিরিজ, ২০১৮ সালে জিম্বাবুয়ে-আফগানিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ, ২০১৮ আইপিএল এবং ২০১৮ আফগান প্রিমিয়ার লিগ। তবে তিনি কোনো ম্যাচে সরাসরি প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেননি বলেও দাবী করেছেন। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে স্ট্রিক জানান, আফ্রিকান ক্রিকেট উন্নয়নে বিনিয়োগে আগ্রহী এক ব্যক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়ায় এই কান্ড ঘটেছে। তবে তার আরও সতর্ক হওয়া উচিত ছিল। তিনি আরো আশা প্রকাশ করেন, তাকে দেওয়া এই শাস্তি অন্যদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে। স্ট্রিক বলেন, ‘ভক্ত ও জনসাধারণের সম্মুখে আনুষ্ঠানিকভাবে বলতে চাই, আমি কোনো ম্যাচ-ফিপিং, স্পট-ফিপিং কিংবা কোনো ম্যাচে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা বা ড্রেসিংরুমের কোন তথ্য শেয়ার করিনি। আইসিসি তাদের বিবৃতিতেও আমার এই অবস্থান নিশ্চিত করেছে।’ আইসিসির কাছে তিনি স্বীকার করেন, জিম্বাবুয়েতে একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি টি২০ লিগ আয়োজন করতে চান এমন অভিপ্রায় ব্যক্ত করা এক ব্যক্তিকে ভালোভাবে না জেনেশুনেই বিভিন্ন তথ্য শেয়ার করেন। পরে জানতে পারেন ওই ব্যক্তির নাম দীপক আগারওয়াল এবং তিনি জুয়ার সঙ্গে জড়িত। তবে আইসিসির সাজাতেই বিষয়টি শেষ হচ্ছে না। এরই মধ্যে জিম্বাবুয়ের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দেশটির আইনবিভাগকে বিষয়টি তদন্ত করে দেখার অনুরোধ জানিয়েছে। সে তদন্তে যদি ফৌজদারি অপরাধ ধরা পড়ে তাহলে আরো শাস্তি অপেক্ষা করছে স্ট্রিকের জন্য।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ