সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের ফাইন্ডিংস নেগলিজিবল

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যানের ফাইনাল রিপোর্টে ‘মিনিমাম ইনভোলমেন্ট’ এর কথা বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তার চিকিৎসকরা। তারা বলছেন, সিটি স্ক্যানের ফাইন্ডিংস, সেটাকে ক্লিনিক্যালি আমরা মনে করতে পারি যে এটি অত্যন্ত মিনিমাম, নেগলিজিবল।
চিকিৎসকরা জানান, সিটি স্ক্যানের মূল প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে করোনায় আক্রান্ত খালেদা জিয়ার চিকিৎসা পত্রে আরেকটি ঔষধ যুক্ত করা হয়েছে। তার চিকিৎসক টিম  বেগম জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালোভাবে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন।
টিমের সদস্য অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, আমরা গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ম্যাডামের সিটি স্ক্যানের ফাইনাল রিপোর্ট হাতে পেয়েছি।  রাতেই লন্ডনে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিনী ডা. জোবাইদা রহমান যিনি ম্যাডামের সব কিছু তদারকি করছেন, তিনিসহ দেশ-বিদেশে উনার মেডিকেলে টিমের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সাথে আমরা পুরো রিপোর্টটি পর্যালোচনা করেছি। সকলের পরামর্শ নিয়ে আরেক ঔষধ যুক্ত করা হয়েছে। চিকিৎসায় যেসব ঔষধপত্র আগে দেয়া হয়েছে তা ঠিক আছে।
 বেগম জিয়ার অবস্থা স্থিতিশীল আছে উল্লেখ করে তিনি জানান, সিটি স্ক্যানের ফাইনাল রিপোর্টে ‘মিনিমাম ইনভোলমেন্ট’ এর কথা বলা হয়েছে। যেটা সাময়িক রিপোর্টে বলা হয়েছিলো। আলহামদুলিল্লাহ। আমরা সবাইকে জানাতে চাই যে, সিটি স্ক্যানের ফাইন্ডিংস, সেটাকে ক্লিনিক্যালি আমরা মনে করতে পারি যে এটি অত্যন্ত মিনিমাম, নেগলিজিবল। দেশবাসীর কাছে খালেদা জিয়া দোয়া চেয়েছেন বলে জানান অধ্যাপক জাহিদ।
বৃহস্পতিবার রাতে বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সিটি স্ক্যান করা হয়। গুলশানের বাসা থেকে তাকে স্বাস্থ্য বিধি মেনে বিশেষ নিরাপত্তায় এভার কেয়ারে নিয়ে পরীক্ষা করিয়ে আবার গুলশানের বাসায় ফিরিয়ে আনা হয়।  
গত ১১ এপ্রিল খালেদা জিয়ার করোনা পজেটিভ শনাক্ত হওয়ার পর প্রখ্যাত ‘বক্ষব্যাথি ও মেডিসিন’ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এফএম সিদ্দিকীরে নেতৃত্বে ব্যক্তিগত চিকিৎসক টিম গুলশানের বাসায় তার চিকিৎসা শুরু হয়। ফিরোজার বাসায় বিএনপি চেয়ারপার্সন ছাড়াও আরো ৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের চিকিৎসাও এখানে চলছে। ৭৫ বছল বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া কথিত দুর্নীতির দুই মামলায় দন্ডিত। দন্ড নিয়ে তিন বছর আগে তাকে কারাগারে যেতে হয়।
দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু পর পরিবারের আবেদনে সরকার গত বছরের ২৫ মার্চ ‘মানবিক বিবেচনায়’ শর্তসাপেক্ষে তাকে সাময়িক মুক্তি দেয়। তখন থেকে তিনি গুলশানে নিজের ভাড়া বাসা ফিরোজায় থেকে ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধায়নে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সঙ্গে বাইরের কারও যোগাযোগ সীমিত। শুধুমাত্র ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও পরিবারের লোকজন বেগম জিয়ার সাথে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দেখা করার সুযোগ পাচ্ছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ