বৃহস্পতিবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২
Online Edition

রমযান মাসে আলেমদের হয়রানি মেনে নেয়া যায় না : হেফাজত

 

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী ও মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাজীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানিয়েছেন হেফাজত মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী। একইসাথে তিনি বলেছেন, পবিত্র মাহে রমযান মাসে দেশের শীর্ষ আলেম-ওলামাকে হয়রানি মেনে নেয়া যায় না। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

আল্লামা নুরুল ইসলাম জিহাদী বলেন, মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় একের পর এক হেফাজতের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করছে সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার ইফতারের আগ মুহূর্তে হেফাজতের সহকারী মহাসচিব ও লালবাগ মাদরাসার মুহাদ্দিস মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাজীকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিচয়ে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়। অন্য দিকে রাত আনুমানিক ১০টার দিকে হেফাজতের আরেক সহকারী মহাসচিব, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও ইসলামবাগ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মঞ্জুরল ইসলাম আফেন্দীকে তার ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী ও মুফতি সাখাওয়াত হুসাইন রাজী দু’জনেই দেশের শীর্ষ আলেম। তারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল ব্যক্তিত্ব হিসেবে দেশবাসীর কাছে সমাদৃত। এমন দু’জন আলেমকে মাহে রমযানের শুরুতে এভাবে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া দেশের ইসলামপ্রিয় তৌহিদী জনতার আবেগ অনুভূতিকে আঘাত করার শামিল।

হেফাজত মহাসচিব বলেন, পবিত্র রমযান মাস শুরু হয়েছে। এ মাসে মানুষ ইবাদত বন্দেগী করে কাটায়। এ মাসে আলেমদেরকে এভাবে হয়রানি কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। আমরা সরকারকে বলব, অবিলম্বে এসব গ্রেফতার কার্যক্রম বন্ধ করুন। মানুষকে ইবাদত বন্দেগীর সুযোগ দিন।

হেফাজত মহাসচিব আল্লামা নুরুল ইসলাম এর আগে গ্রেফতার হওয়া হেফাজতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, নারায়ণগঞ্জ জেলা সেক্রেটারি মুফতি বশিরউল্লাহ, কেন্দ্রীয় সহকারী অর্থ সম্পাদক মুফতি ইলিয়াস হামিদী ও সহকারী প্রচার সম্পাদক মুফতি শরীফউল্লাহসহ গ্রেফতার হেফাজতের সকল নেতাকর্মীর নিঃশর্ত মুক্তি দাবি জানান। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ