শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

চালু হয় ১৮৯৬ সালে ঢাকায় প্রথম ডেকোরেটর ও ক্যাটারিং সার্ভিস আবেদ অ্যান্ড কোম্পানি

মুহাম্মদ নূরে আলম : ঢাকা তথা বাংলাদেশের প্রথম ডেকোরেটর ও ক্যাটারিং সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান আবেদ অ্যান্ড কোম্পানি চালু করেন তৎকালীন সময়ে বর্তমান ভারতের বিহারের পাটনা থেকে ভাগ্যান্বেষণে ঢাকায় আসা আবেদ হোসেন। আবেদ হোসেন পিঞ্চু মিস্ত্রি হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। ৪০ নম্বর নবদ্বীপ বসাক লেন লক্ষ্মীবাজারের বাসিন্দা সমীরণ নেসা বিবিকে বিয়ে করে ঢাকাতেই স্থায়ী হয়ে যান তিনি। প্রথম দিকে পিঞ্চু মিস্ত্রি ছোটখাটো ব্যবসা করলেও পরে ঢাকার নওয়াবদের পরামর্শে ১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দে ইসলামপুরের আমপট্টিতে খোলেন আবেদ অ্যান্ড কোম্পানি। এই কাজে আবেদ হোসেন পিঞ্চু মিস্ত্রিকে সার্বিক সহযোগিতা করেন নওয়াব আহসানউল্লাহ (১৮৪৬-১৯০১)। কোম্পানির শো-রুম করা হয় ওয়াইজঘাটের মুন সিনেমা হলের পাশে। ঢাকা বিষয়ক গবেষক হাশেম সূফীর মতে, আবেদ অ্যান্ড কোম্পানিই ঢাকার প্রথম ডেকোরেটর ও ক্যাটারিং সার্ভিস।
১৯০১ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকায় প্রথম বিদ্যুৎ সরবরাহ উদ্বোধন, ১৯০৪ খ্রিষ্টাব্দে লর্ড কার্জনের ঢাকা সফর অনুষ্ঠান, ১৯০৫ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ববঙ্গ ও আসামের রাজধানী হিসেবে ঢাকায় রাষ্ট্রীয় কার্যক্রমের সূচনা এবং ১৯০৬ খ্রিষ্টাব্দে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ সম্মেলনসহ আরও অনেক রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে খাবার ও ডেকোরেটর সরবরাহ করে আবেদ অ্যান্ড কোম্পানি। তাছাড়াও সাহেব কিংবা নওয়াবদের জাঁকজমকপূর্ণ নাচ-গান ও জলসা অনুষ্ঠানেও ডেকোরেটর ও খাদ্যসামাগ্রী সরবরাহ করার ক্ষেত্রে আবেদ অ্যান্ড কোম্পানির একক আধিপত্য ছিল। পিঞ্চু মিস্ত্রি রাজকীয় অতিথিদের জন্য স্বর্ণের ও অভিজাত অতিথিদের জন্য রুপার তৈজসপত্র সরবরাহ করতেন। ১৮৯৬ থেকে ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ব্রিটিশ এবং ১৯৪৭ থেকে ১৯৬০ এর দশক পর্যন্ত পাক সরকারের একমাত্র সরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ছিল আবেদ অ্যান্ড কোম্পানি ।
১৯৪৭ সালে পিঞ্চু মিস্ত্রি মারা গেলে প্রতিষ্ঠাটির কার্যক্রমে কিছুটা ভাটা পড়ে। ১৯৪৮ থেকে ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এর দায়িত্বে ছিলেন পিঞ্চু মিস্ত্রির বড় ছেলে আলীম উল্লাহ আলীম (চাঁন মিয়া)। তাকে সহযোগিতা করতেন আবদুস সাত্তার, আশরাফ উদ্দিন ও হানিফ নামে অপর তিন ভাই। বর্তমানে এদের কেউ-ই-বেঁচে নেই। মো. হানিফের ছেলে মাসুদ হোসেন ১৯৭৮ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে গ্র্যান্ডসন নাম যোগ করে ‘আবেদ গ্র্যান্ডসন ডেকোরেটর’ নামে প্রতিষ্ঠাটির হাল ধরেন। প্রথমে ৩৮ পাঁচভাইঘাট লেনে প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় চালু করা হয়। পরে ১৯৯৬ সালে ৪০ টিপু সুলতান রোডে তা স্থান্তর করা হয়। বর্তমানে ‘আবেদ ডেকোরেটর’ নামে এর অপর একটি শাখা লালকুঠি জুবলি স্কুল মার্কেটে চালাচ্ছেন মাসুদ হোসেনের ছোট ভাই শাহজাহান বাবু। তিন পুরুষের আবেদ অ্যান্ড কোম্পানিটি এখনো টিকে থাকলেও শুধু ডেকোরেটর সামগ্রী এবং বাবুর্চি সরবরাহের মধ্যেই তাদের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রয়েছে।
ক্যাটারিংয়ের আরও খোঁজ-খবর: স্বল্প পুঁজিতে শুরু করা যায় ক্যাটারিং বা খাদ্য সরবরাহের ব্যবসা। এমনকি নিজ বাড়িতে রান্না করে তা সরবরাহ করা সম্ভব। আবার বড় আয়োজনের মাধ্যমে কয়েক হাজার লোকের খাবার সরবরাহও করা যায়। এছাড়া মানুষের জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন এবং ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন সুবিধা থাকায় এ খাতের প্রসার দিনদিন বাড়ছে। আগামীতে ক্যাটারিং সার্ভিসকে একটি সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
ক্যাটারিং ব্যবসা বলতে মূলত খাবার প্রস্তুত ও সরবরাহের ব্যবস্থাকে বুঝায়। বিভিন্ন অফিস, আদালতে চুক্তির ভিত্তিতে প্রতিদিনের খাবার সরবরাহ করেন খাদ্য সরবরাহকারীরা। আবার বিয়েসহ বিভিন্ন বড় আয়োজনেও ক্যাটারিং সার্ভিস সেন্টারগুলো খাবার সরবরাহ করে। এ ব্যবসার মাধ্যমে পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরও কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেশি। কারণ, বাড়িতে বসে এই ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব। তবে শহরাঞ্চলে বিশেষ করে উপজেলা, জেলা বা বিভাগীয় শহরে এই ব্যবসার সম্ভাবনা বেশি।উপলক্ষটা যখন বিয়ে, তখন ভোজের বিষয়টিই আসবে আগে। খাবারের আইটেম যা-ই হোক, রান্না চাই টেন অন টেন। তাই তো সবার আগে খোঁজ পড়ে বাবুর্চির। সময়ের সঙ্গে বদলেছে বিয়ের প্রস্তুতি। বাড়ির পাশে প্যান্ডেল টানিয়ে রান্না-খাওয়ার ছবি আর মেলে না। কমিউনিটি সেন্টার আর কনভেনশন সেন্টারেই সারা হয় সব আয়োজন। এদের নির্দিষ্ট বাবুর্চি থাকলেও পছন্দের বাবুর্চির রান্না চান অনেকেই। কেউ আবার রান্না আর পরিবেশনের পুরো বিষয়টি ক্যাটারিংকে দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে চান।
প্যাকেজ খাবার ঠিক করা হয় জনপ্রতি প্লেট হিসেবে। প্যাকেজের সাধারণ মেন্যু হবে সাদা পোলাও, চিকেন রোস্ট, খাসির রেজালা বা মোরগ রেজালা, হোয়াইট ভেজিটেবল বা চায়নিজ ভেজিটেবল, আলু বোখারা চাটনি, কাবাব (জালি,শামি,টিক্কা) জর্দা বা ফিরনি, বোরহানি, পিস স্যালাড। জনপ্রতি এই প্যাকেজের মূল্য হবে ক্যাটারিং-ভেদে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা। অতিথি সংখ্যা এবং বাজার দরের ওপর মূল্য কিছুটা কম-বেশি হতে পারে। কেউ কাচ্চির মেন্যু চাইলে প্যাকেজ হবে কাচ্চি বিরিয়ানি, চিকেন রোস্ট বা গ্রিল, আলু বোখারা চাটনি, কাবাব (জালি, শামি, টিক্কা) শাহি টুকরা, জর্দা বা ফিরনি, বোরহানি। প্রতি প্লেট মূল্য ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা। কাচ্চির জন্য কালিজিরা চাল বা বাসমতি চাল, দেশি বা ব্রয়লার মুরগির ওপর দাম কম-বেশি হতে পারে। খাবারের প্যাকেজে ১০০ জনের অর্ডার করলে ক্যাটারিং পাঁচজন অতিরিক্ত ধরে খাবার তৈরি করে। তাই খাবারে কম পড়ার ঝুঁকি কম থাকে। তবু শতভাগ নিশ্চিত হতে নির্ধারিত অতিথির চেয়ে কিছু বেশি অর্ডার করাই শ্রেয়। সবার কথা মাথায় রেখেই রইল প্রসিদ্ধ বাবুর্চি আর ক্যাটারিংয়ের খোঁজখবর।
মুনসুন ক্যাটারিং: একসঙ্গে ২৫ হাজার লোকের খাবারের আয়োজন করতে সক্ষম মুনসুন ক্যাটারিং। এরাবিয়ান, কন্টিনেন্টাল, থাই, চায়নিজ, ইন্ডিয়ান ও ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবারের জন্য আলাদা শেফ রয়েছে তাদের। বিয়েবাড়ির খাবারের জন্য মেন্যুভেদে ৩৮০ থেকে ১২৫০ টাকা জনপ্রতি হিসেবে প্রায় ৭০ রকম প্যাকেজ পাবেন। এ ছাড়া গ্রাহক চাইলে ইচ্ছামতো মেন্যু দিয়ে প্যাকেজ তৈরি করে নিতে পারেন। বিয়ের ঘরোয়া অনুষ্ঠানে খাবার সরবরাহের ক্ষেত্রে ফ্রি ক্রোকারিজ, কাটলারি ও পরিবেশন সেবা পাবেন।  যোগাযোগ: ০১৭২০ ২০৯৫৬৫
মাস্টারশেফ সুব্রত আলী: বিয়ের জন্য শাহি খাবারের রকমারি মেন্যু সাজিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ন্যূনতম ২০ জন থেকে শুরু করে যেকোনোসংখ্যক অর্ডার নিচ্ছে তারা। খাবারে গ্রাহকের চাহিদাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়। রান্নার তেল থেকে শুরু করে মসলা সবই বাছাই করা হয় গ্রাহকের পছন্দমতো। ঢাকা ও ঢাকার বাইরেও হোম ডেলিভারির ব্যবস্থা রয়েছে। নির্দিষ্ট প্যাকেজ মূল্য ৩৫০ টাকা থেকে ৬৫০ টাকা পর্যন্ত। ফোন : ০১৭১১ ৪৩৯৩৯৯, ০১৭১১ ৫৩৬৯৯৮
ইকবাল হোসেন ক্যাটারিং: একসঙ্গে পাঁচ হাজার লোকের খাবারের ব্যবস্থা করতে পারে। অনুষ্ঠানের জন্য তাদের নিজেদের কিছু নির্দিষ্ট প্যাকেজ রয়েছে। আবার প্যাকেজ ছাড়া ইচ্ছামতো খাবারের মেন্যু অর্ডার করতে পারেন। বাজার-রান্না সব তারাই করবে। খাবারের সঙ্গে পানি আর টিস্যুও তারাই সরবরাহ করবে। খাবারের প্যাকেজের উপর জনপ্রতি খরচ ধরা হবে। বিয়ে ছাড়াও গায়েহলুদ, আকদের অনুষ্ঠানেও খাবারের অর্ডার নেয় এই প্রতিষ্ঠান। প্যাকেজের মূল্য শুরু ৪৫০ থেকে সর্বোচ্চ ১৫০০ টাকা পর্যন্ত। আর গ্রাহক মেন্যু ঠিক করলে আলোচনা সাপেক্ষে সে অনুযায়ী দাম নির্ধারণ করা হয়। যোগাযোগ : ০১৭১১ ৫৯৮৭৪২, ০১৭১৩ ৩৩৪০৪৪
ইব্রাহিম ক্যাটারিং: ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবারের জন্য বিখ্যাত বাবুর্চিদের হাতেগোনা কয়জন এখনো বেঁচে আছেন। ইব্রাহিম বাবুর্চি তাঁদের একজন। বিয়েতে ঐতিহ্যবাহী খাবারের আসল স্বাদ চাইলে তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। যোগাযোগ : ০১৯৪৪ ৫৫০৮২২
স্পাইস ক্যাটারিং: স্বাদ আর খাবারের মান দুটো বিষয়কে সমান গুরুত্ব দেয় স্পাইস ক্যাটারিং। সব চেয়ে বড় কথা রান্নার কাঁচামাল থেকে তৈরি মেন্যু সব কিছুতেই মূল্যায়ন করা হয় গ্রাহকের সন্তুষ্টি। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে খাবার সরবরাহ করা হয়। আর বিয়ের মতো বড় আয়োজনে ভেন্যুতে গিয়েই রান্না করেন তাঁরা।  যোগাযোগ : ০১৯৩৮ ৫৫৫৬৬৬
বরকতি ক্যাটারিং সার্ভিস: ক্যাটারিং সার্ভিসে যদি ৫ স্টার বেঞ্চমার্ক সার্ভিসের কথা বলেন তবে ভরসা করে পারেন বরকতি ক্যাটারিং এর ওপর। কেননা বরকতি ক্যাটারিং সার্ভিসে এক দল দক্ষ প্রশিক্ষিত বাবুর্চি রয়েছে যারা খাবারের মান, পরিষ্কার পরিচ্ছতা এবং হালালের ব্যপারে কোন ছাড় দেন না।  বিয়ে জন্মদিন, কর্পোরেট অনুষ্ঠান, সভা-সম্মেলন, পিকনিক, ইফতার পার্টি, ফ্যামিলি প্রোগ্রাম সহ যেকোনো অনুষ্ঠানের জন্য খাবার সরবরাহ করতে প্রস্তুত বরকতি ক্যাটারিং। ক্যাটারিং ছাড়াও আপনার যেকোনো অনুষ্ঠানের জন্য এখান থেকে হোমডেলিভারি খাবার অর্ডার করতে পারেন। পুলিশ হেড কোয়াটার, রাজারবাগ পুলিশ লাইন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, র‍্যাব হেড কোয়াটার, ওয়ান ব্যাংক, ঢাকা ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ডেন্টাল কলেজ, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন সহ অসংখ্য নিয়মত গ্রাহকদের সাথে অত্যান্ত দক্ষতার সাথে কাজ করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। যোগাযোগঃ বরকতি ক্যাটারিং, বি-১, জাবিন টাওয়ার (২য় তলা, সামনের দিক) ২৩৪,২৩৫,২৩৫সি, নবাবপুর রোড ঢাকা-১১০০ মোবাইলঃ ০১৯৭৯-৮০২০৪৫, ০১৯৭৯-৮০২০৬২, ০১৯৭৯-৮০২০৪০  
প্রিমিয়ার ক্যাটারিং: দেশের সেরা যতগুলো ক্যাটারিং সার্ভিস আছে তার মধ্যে প্রিমিয়ার ক্যাটারিং অন্যতম সেরা। মাত্র ১২ ঘণ্টা আগে অর্ডার করলেই এই সময়ের মধ্যে আপনার চাহিদা মত কর্পোরেট অনুষ্ঠান, সভা-সম্মেলন, বিয়ে, পিকনিক, জন্মদিন সহ যেকোনো অনুষ্ঠানের জন্য খাবার সরবরাহ করতে এরা প্রস্তুত। আর খাবারের মানের কথা বলছেন? বাজারের সেরা মানের উপকরণ ব্যবহার করেই রান্না হয় প্রিমিয়ার ক্যাটারিং এ। আর এ কারনেই ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করে এত দ্রুত মানুষের আস্থা অর্জন করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড, বাংলাদেশ আনসার, মেঘনা গ্রুপ, ইমপ্রেস গ্রুপ, বেক্সিমকো গ্রুপ, বিএসটিআই, স্ট্যান্ডার্ড চ্যার্টার্ড ব্যাংক, ইবিএল,ইনসেপ্টা ফার্মা, স্ক্যান সিমেন্ট, হোলসিম সিমেন্ট, ব্রিটিশ আমেরিকা টোব্যাকো এর মত প্রতিষ্ঠানের সাথে সুনামের সাথে কাজ করার গৌরব অর্জন করেছেন। এক সাথে প্রিমিয়ার ক্যাটারিং ২৫ হাজার লোকের খাবার আয়োজন করতে পারে। সম্প্রতি এরা বাংলাদেশ আনসার এর ন্যাশনাল ডে উপলক্ষে ১৫ হাজার লোকের খাবারের কাজ করছে। এদের খাবারের তালিকাও বেশ বড়।  শুধু তাই নয়, চাইলে কমপক্ষে মাত্র ২৫ জনের জন্য অর্ডার করলেই যেকোনো দিন যেকোনো সময় একদম বিয়ে বাড়ির স্বাদের খাবার পাবেন তাও আবার হোম ডেলিভারি। শুধু ঢাকা শহরই নয়, ঢাকার আশেপাশে গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ছাড়াও বগুড়া, চট্রগ্রাম সহ দেশের যেকোনো জায়গায় প্রিমিয়ার ক্যাটারিং তাঁদের সেবা দিতে প্রস্তুত। যোগাযোগঃ আঁখি (৪র্থ তলা) বাসা#১০৪২, এভিনিউ#০৮ (পুরাতন রোড#৪৪) ডিওইএসএস আবাসিক এলাকা ঢাকা, বাংলাদেশ ১২১৬ মোবাইল:  ০১৯৩৩৩৩৮৮৭৭, ০১৭১১৩২৭৮৯৪
ফখরুদ্দিন ক্যাটারিং: ১৯৬৬ সালে শুরু হয় ফখরুদ্দিন বিরিয়ানির যাত্রা। ফখরুদ্দিন বাবুর্চি তার রান্নার মাধ্যমে জয় করে নিয়েছে ঢাকাসহ সারা দেশের মানুষের মন।  শুধু দেশেই নয় তার রান্নার খ্যাতি দেশের বাইরেও সমান ভাবে সমাদৃত।  খাবারের স্বাদ আর মানের দিক দিয়ে ফখরুদ্দিনের সুনাম সবখানেই। তিনি আমারিকা, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া সহ বেশ কিছু দেশে তাঁর রান্নার জন্য সুনাম কুড়িয়েছেন। ঐতিহ্যবাহী বাংলা খাবার সহ দেশি বিদেশি অনেক রকম খাবার সরবরাহ করতেই প্রস্তুত ফখরুদ্দিন ক্যাটারিং সার্ভিস। যোগাযোগঃ ১/এ নিউ বেইলি রোড, ভিকারুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজ ঢাকা-১২১৭, ০১৭১৫-৫৫৩৩৩০, ০-২৯৩৪৩৪৫৬
জেনে নিন আরো কিছু ক্যাটারিংয়ের নাম ও ফোন নাম্বার: নান্না মিয়া : ০১৯৪৩ ৩৯৫১৮৯, ০১৭২৬ ৬৭১৭২৭, হাজি বিরিয়ানি : ০১৭১১ ৫২৩৫০৫, নবাবী অ্যান্ড স্মোকি : ০১৭১১ ৩২১৫৪৪, ০১৫৩৪ ২৭৮৪৬২, ফখরুদ্দিন বাবুর্চি : ০১৭১১ ৫২৭৩৭৯, সালসা ক্যাটারিং সার্ভিস : ০১৭১১৬১৯৭৪৭, সালাম ক্যাটারিং : ০১৭১১ ৫৭৩০১১, নিউ বরকতি ডেকোরেটর : ০১৭১১ ৩৪৯৪০২, শাহজাহান ক্যাটারিং সার্ভিস : ০১৭৩০ ৭১২৬০২, রাভেনাস ওয়ার্ল্ড : ০১৯১৩ ৩০৭৭২২, ৯৩৫৩৪৮১, ফ্রেন্ডস ক্যাটারিং : ০১৭১১ ৯০৯২৬০।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ