সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

অলিম্পিকের ওয়াইল্ডকার্ড পাওয়ার অপেক্ষায় মাবিয়া

স্পোর্টস রিপোর্টার: জুলাই-আগস্টে জাপানের টোকিওতে অনুষ্ঠিতব্য অলিম্পিক গেমসে দেশসেরা নারী ভারোত্তলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত অংশ নিতে পারবেন কিনা তা জানা যাবে এ মাসেই। বাংলাদেশ গেমসে নতুন জাতীয় রেকর্ড গড়া তিন স্বর্ণ জয়ী নারী ভারোত্তলক মাবিয়া এখন ওয়াইল্ডকার্ড পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। অলিম্পিক গেমসে দেশসেরা এই নারী ভারোত্তলক অংশ নিতে পারবেন কিনা তা জানা যাবে এ মাসেই। এদিকে ১৬ থেকে ২৫ এপ্রিল উজবেকিস্তানের তাসখন্দে অনুষ্ঠিত হবে এশিয়ান ভারোত্তলন চ্যাম্পিয়নশিপ। এখানে অংশ নেয়ার পরই জানা যাবে অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণের জন্য মাবিয়া ওয়াইল্ডকার্র্ড পাবেন কি না।বিশ্বের ১০ দেশের ১০ জন ভারোত্তলককে ওয়াইল্ডকার্ড দেয়া হবে অলিম্পিকে অংশগ্রহণের জন্য। মাবিয়া আক্তার সীমান্ত ১০ জনের একজন হওয়ার সুযোগের দ্বারপ্রান্তে। সেই স্বপ্ন নিয়ে ১৯ এপ্রিল ভোর রাতে উজবেকিস্তানের উদ্দেশ্যে উড়াল দেবেন গত দুটি এসএ গেমসে এবং এবারের বাংলাদেশ গেমসে রেকর্ড গড়ে স্বর্র্ণ জেতা এই ভারোত্তলক।ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ ও এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে মিলিয়ে ৭ আসরে অংশ নিয়ে ভালো পারফরম্যান্স করলেই কেবল মিলবে অলিম্পিক গেমসের ওয়াইল্ডকার্ড। মাবিয়া ৬ টিতে অংশ নিয়েছেন। এটা সপ্তম এবং শেষ। অলিম্পিকের আগে সিনিয়রদের আর কোনো চ্যাম্পিয়নশিপ নেই। যে কারণে, এই আসরই হবে মাবিয়ার ওয়াইল্ডকার্ড পাওয়ার শেষ সুযোগ।তিন ভারোত্তলক, দুই কোচ ও এক কর্মকর্তা- ৬ সদস্যের দল যাচ্ছে উজবেকিস্তান। অন্য দুই ভারোত্তলক হলেন সর্বশেষ এসএ গেমস ও বাংলাদেশ গেমসে স্বর্ণজয়ী জিয়ারুল ইসলাম এবং নবম বাংলাদেশ গেমসে স্বর্ণজয়ী মনিরা কাজী। দুই কোচ ফারুক আহমেদ সরকার ও শাহরিয়া সুলতানা সুচি।১৬ এপ্রিল প্রতিযোগিতা শুরু হলেও বাংলাদেশের ভারোত্তলকরা প্রতিযোগিতার প্লাটফর্মে নামবেন ২১ এপ্রিল থেকে।অলিম্পিকে খেলার ওয়াইল্ডকার্ড পেতে কতটা আশবাদী মাবিয়া? ‘আমি অনেক আশাবাদী। কারণ, আগের ৬টি প্রতিযোগিতায় আমি ভালো করেছি। দুটি এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ও একটি ইসলামী সলিডারিটি চ্যাম্পিয়নশিপে রৌপ্য পেয়েছি। আশা করি পয়েন্টে আটকাবো না। যদি দুর্ভাগ্য না হয় তাহলে আমি সুযোগ পাবো’-বলছিলেন দেশসেরা নারী ভারোত্তলক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ