বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১
Online Edition

আনসারের শ্রেষ্ঠত্বের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমস

স্পোর্টস রিপোর্টার: বঙ্গবন্ধু ৯ম বাংলাদেশ গেমসে আধিপত্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপির অ্যাথলেটরা। ১৩২ টি সোনা ও ৮০টি রূপা ও ৫৭টি ব্রোঞ্জসহ ২৬৯ পদক নিয়ে  শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেছে সার্ভিসেস দলটিবাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়শনের (বিওএ) দেওয়া পদক তালিকা অনুযায়ী ১১৫ টি সোনা, ৯৯ টি রূপা ও ৮৩ টি ব্রোঞ্জসহ ২৯৭টি পদক নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ৬৩টি সোনা, ৩৯ টি রূপা ও ২৫টি ব্রোঞ্জসহ ১২৭ টি পদক নিয়ে পদক তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। চতুর্থ স্থানে থাকা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সংগ্রহ ১৪ স্বর্ণ,১৬ রৌপ্য ও ২৬ ব্রোঞ্জ পদক। এদিকে গতকাল শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়ে গেল ‘বাংলাদেশ অলিম্পিক’ খ্যাত দেশের সর্ববৃহৎ এই ক্রীড়াযজ্ঞ। করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়ায় সমাপনী অনুষ্ঠান করা হয়েছে সংক্ষিপ্ত। ২ ঘণ্টার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা নামে বঙ্গবন্ধু ৯ম বাংলাদেশ গেমসের।এই অনুষ্ঠান দর্শকদের দেখার জন্য বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের গেট উন্মুক্ত ছিল। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলওয়াতের পর বেজে উঠে জাতীয় সঙ্গীত। পৌনে সাতটায় বক্তব্য রাখেন আয়োজক বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের(বিওএ) কর্মকর্তা সহ অতিথিরা।এর মধ্যে সমাপনী অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এমপি। বিশেষ অতিথি যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন। আর অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের(বিওএ) সভাপতি ও সেনাপ্রধান আজিজআহমেদ, এসপিবি, বিএসপি, বিজিবিএম, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, পিএসসি, জি। এছাড়া সমাপনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মতোই সমাপনীতেও ছিল  লেজার শো। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসের মাসকট শান্তির প্রতীক পায়রাকে দেখা যায় মাঠে। আর সর্বশেষে নিভে যায় গেমসের মশাল।এবার প্রতীক্ষা আরও একটি গেমসের জন্য। উল্লেখ্য করোনাভাইরাসের প্রভাবের কারণে গত বছর বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমস হতে পারেনি। এবার সবধরনের স্বাস্থ্য-সুরক্ষা মেনেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমস সুচারুভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। শুরুতে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান টুঙ্গীপাড়া থেকে মশাল যাত্রা শুরু হয়েছিল। দেশের তারকা ক্রীড়াবিদ-সংগঠকদের হাত ধরে তা প্রজ্জ্ব¡লিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। জাকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গেমসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেছেন। যদিও ১ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই গেমসের ফুটবল, ক্রিকেট ও হকি মাঠে গড়িয়েছিল। আর এই কয়েক দিনে তো নানান খেলাধুলা নিয়ে মাতোয়ারা ছিলো পুরো দেশ। দেশের ২৯টি ভেন্যুতে ৩১টি ডিসিপ্লিনের ৩৭৮টি ইভেন্টে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিয়েছে ৫৩০০ ক্রীড়াবিদ। প্রতিটি ভেন্যুতেই ছিল উৎসবের আমেজ।খেলায় প্রতিদ্বন্দ্বিতার সাথে ক্রীড়াবিদদের মাঝে গেমস নিয়ে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। কেননা এই গেমসকে সামনে রেখে যে অনেকেই প্রস্ততি নিয়ে রেখেছিল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ