সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১
Online Edition

রাজশাহীর আলোচিত ‘প্রজাপতি সড়কবাতি’ খুলে নিয়েছে ঠিকাদার

রাজশাহী: আলোচিত ‘প্রজাপতি সড়কবাতি’গুলো খুলে নেয়া হচ্ছে -সংগ্রাম

রাজশাহী অফিস: ধুলিঝড়ে উপড়ে পড়া রাজশাহীর আলোচিত ‘প্রজাপতি সড়কবাতি’গুলো খুলে নিয়ে গেছেন ঠিকাদারের লোকজন। ফলে শহরের বিলশিমলা থেকে কাশিয়াডাঙ্গা পর্যন্ত ৪ দশমিক ২ কিলোমিটার সড়কটির বিভাজন আবারো ফাঁকা হয়ে গেছে। বুধবার থেকে সড়কবাতির খুঁটিগুলো খোলার কাজ শুরু হয়।
গত ১১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের (রাসিক) মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন সড়কবাতিগুলোর উদ্বোধন করেছিলেন। এর দেড় মাসের মাথায় ৪ এপ্রিল মৌসুমের প্রথম ঝড়ে ৮৬টি সড়কবাতির খুঁটি হেলে পড়ে। এর মধ্যে অন্তত ৪০টি সড়ক বিভাজনের ভেতরে পড়ে যায়। কোন কোনটি আছড়ে পড়ে সড়কে। সড়কটিতে মোট ১৭৪টি খুঁটি বসানো হয়েছিল। প্রতিটিতে ছিল দুটি করে এলইডি বাতি। রাসিকের এই সড়কবাতি বসানোর কাজটি পেয়েছিল ‘হ্যারো ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন’ নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। অভিযোগ উঠে, কংক্রিটের যে স্তম্ভের ওপর খুঁটিগুলো বসানো হয়েছিল সেটি সিডিউল অনুযায়ী হয়নি। আকারে ছোট সেই স্তম্ভটি সামান্য একটুই মাটিতে পুঁতেছিল ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। বেলে মাটির ওপর স্তম্ভটি কম করে পোঁতার কারণে ঝড়ে সেটি গোড়া থেকেই উপড়ে যায়। এর পরদিন সোমবার সিটি মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন সরেজমিনে খুঁটিগুলো পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি খুঁটিগুলোর সবই তুলে নেয়ার নির্দেশ দেন। এরপর কংক্রিটের স্তম্ভটি বেশি করে পোঁতার পর তার ওপরে আবারো খুঁটিগুলো স্থাপনের নির্দেশনা দেন। সে অনুযায়ী বুধবার থেকে খুঁটিগুলো কংক্রিটের কাঠামো থেকে খুলে ফেলা হয়। তারা জানান, সড়কবাতির খুঁটিগুলো খুলে নগরীর সিটিহাট এলাকার এক গুদামে রাখা হচ্ছে। সব খুঁটি সরিয়ে নেয়ার পর কংক্রিটের কাঠামোটি তোলা হবে। তারপর সেটি আরও একটু বেশি করে মাটির নিচে পোতা হবে। পরে সড়কবাতির খুঁটিগুলো এনে কংক্রিটের কাঠামোর ওপর আবারো স্থাপন করা হবে।
চারঘাটে মদপানে যুবকের মৃত্যু
রাজশাহীর চারঘাটে চোলাই মদ পান করে মাহাবুর রহমান (৪৫) নামের এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার শ্রীখন্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসীর বরাত দিয়ে চারঘাট মডেল থানার পুলিশ জানায়, শ্রীখন্ড গ্রামের মৃত মুনছুর রহমানের ছেলে ভ্যানচালক মাহাবুব রহমান পরিবার পরিজন নিয়ে হলিদাগাছি আবাসন প্রকল্প-২ এ বসবাস করতেন। বুধবার রাতে বাইরে থেকে চোলাই মদ পান করে বাড়িতে গিয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এসময় পরিবারের সদস্যরা তাকে রাত এগারোটার দিকে উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এতে ধারণা করা হচ্ছে অতিরিক্ত মদপনেই তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তার শ্বাসকষ্ট ছিল বলেও জানা যায়। এ বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ