শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

কেশবপুরে কালিয়ারই বাউশলা সড়কের ইট চুরির হিড়িক

 কেশবপুর (যশোর) : চুরি যাওয়া ইট উদ্ধার করে কালিয়ারই বাউশলা রাস্তার পাশে স্তূপ করে রাখা হয়েছে

কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতা : যশোরের কেশবপুরে রাস্তা পুনঃ সংস্কার কাজের এক ম্যানেজারের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জোগসাজশে কালিয়ারই বাউশলা রাস্তা পুনঃসংস্কার কাজের লক্ষাধিক টাকার ইট চুরির অভিযোগ উঠেছে। এলাকায় ইট চুরির হিড়িক পড়ে গেলে ওই কাজের ঠিকাদার অভিযান চালিয়ে এলাকার বিভিন্ন মানুষের বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া কিছু ইট উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ঠিকাদার সমস্ত ইট বুঝে দিতে দুর্নীতিবাজ ম্যানেজারকে সময় বেঁধে দিয়েছে।  জানা গেছে, কেশবপুরের সাবেক সংসদ প্রয়াত শিক্ষামন্ত্রী এএসএইচকে সাদেকের সদিচ্ছায় ১৯৯৮ সালে বিদ্যানন্দকাটি ইউনিয়নের কালিয়ারই বাউশলা রাস্তা পাকাকরণ করা হয়। এরপর দীর্ঘ ২২ বছরেও রাস্তাটি আর সংস্কার না হওয়ায় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়ে ব্যবহার অনুপযোগি হয়ে পড়ে। ফলে পথচারীদের চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হয়। অবশেষে রাস্তাটি পুনঃসংস্কারে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে ৫৮ লাখ ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। কাজটির ঠিকাদারীর দায়িত্ব পান সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ঠিকাদার মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত। তিনি সঠিক সময়ে কাজটি শেষে করার জন্যে ম্যানেজারের দায়িত্ব দেন কালিয়ারই গ্রামের আব্দুল্লাহকে। তিনি গত ৫ ডিসেম্বর থেকে রাস্তার কাজ শুরু করেন। এদিকে, কাজটির মাঝপথে ম্যানেজার আব্দুল্লাহ স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জোগসাজশে ওই রাস্তার লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ইট চুরি করে বিক্রি করে দেয়। খবর পেয়ে গত ২৭ ফেব্রুয়ারী ঠিকাদার মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত সরেজমিনে গিয়ে কালিয়ারই গ্রামের রজব আলীর বাড়ি থেকে চুরি যাওয়া ইট উদ্ধার করে রাস্তার পাশে স্তুপ করে রাখেন। এ সময় তিনি চুরি যাওয়া অন্যসব ইট উদ্ধারসহ তাকে বুঝে দিতে ম্যানেজারকে ২৪ ঘন্টা সময় দিয়ে চলে আসেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ