রবিবার ২০ জুন ২০২১
Online Edition

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণায় গুরুত্ব দিতে হবে - তথ্যমন্ত্রী 

চট্টগ্রাম ব্যুরো: তথ্য মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, পুরকৌশলীদের ছাড়া দেশে দ্রুত এসব উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্ভবপর হতো না। ইনোভেশন ও গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি বিশ্ববিদ্যালয় দেশকে এগিয়ে নিতে অবদান রাখতে পারে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সম্মৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার রূপরেখা নিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)-এর পুরকৌশল অনুষদের আয়োজনে তিনদিনব্যাপী টেকসই উন্নয়নে পুরকৌশল খাতের অগ্রগতি বিষয়ক ৫ম আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের (Ò5th International Conference On Advances in Civil Engineering; ICACE-2020)” উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। উল্লেখ্য, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে এবার প্রথমবারের মত কনফারেন্সটি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

 কনফারেন্সে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, “দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নকে টেকসই করতে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। দেশের প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টেকসই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই উন্নয়ন ও টেকসই প্রযুক্তি সুফল বয়ে আনবে। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একাডেমিশিয়ান, গবেষক ও ইন্ডাস্ট্রির মাধ্যমে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। ২০৪১ সালে আমরা বৈষম্যহীন একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।”

 চুয়েটের ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশে বর্তমানে চলমান মেগা প্রজেক্ট ও অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পুরকৌশলীদের প্রত্যক্ষ অবদান রয়েছে। দেশে এসব উন্নয়নকে টেকসই করতে হলে বিদেশি প্রকৌশলীদের নির্ভরতা কমাতে হবে। চুয়েটের পুরকৌশল বিভাগ ইতোমধ্যে দেশ-বিদেশে তাদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছে। 

 কনফারেন্স চেয়ার এবং পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. সুদীপ কুমার পালের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. রবিউল আলম। এতে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কনফারেন্স সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. বিপুল চন্দ্র মণ্ডল। পুরকৌশল বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যামল আচার্যের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন রয়্যাল সিমেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল মনসুর এবং বিএসআরএম’র সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট ম্যানেজার মো. তাজুল ইসলাম। তিনদিনব্যাপী এই ভার্চুয়াল কনফারেন্সে ৮টি প্লেনারী লেকচারসহ সর্বমোট ২৪টি টেকনিক্যাল সেশন রয়েছে। যেখানে Structural Environmental, Water Resources, Geotechnical, Transportation  Sustainable Engineering Management সংশ্লিষ্ট গবেষণাসমূহ উপস্থাপন করা হচ্ছে। এবারের কনফারেন্সে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ৪৯১টি অ্যাবস্ট্র্যাক্ট জমা পড়ে। এরমধ্যে ৪৪৮টি অ্যাবস্ট্র্যাক্ট গৃহীত হয়। পরবর্তীতে সর্বমোট ২৬৫টি পূর্ণাঙ্গ প্রকাশনা প্রস্তাব থেকে রিভিউপূর্বক ১৯০টি প্রকাশনা কনফারেন্সে উপস্থাপনের জন্য নির্বাচিত করা হয়। এছাড়াও কনফারেন্সে উপস্থাপিত প্রকাশনাসমূহের মধ্য থেকে আনুমানিক ৫০-৬০টি প্রকাশনা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান Springer Publisher থেকে Proceedings of ICACE-2020 প্রকাশিত হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ