শনিবার ১৯ জুন ২০২১
Online Edition

মাস্ক পরার বিধান তুলে নেওয়া বড় ভুল ----বাইডেন

৪ মার্চ, এএফপি, বিবিসি: করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) সংক্রমণ ছড়িয়ে পরা রোধে গৃহীত মাস্ক ব্যবহারের নিয়মকানুন প্রত্যাহার করে নেওয়ায় টেক্সাস ও মিসিসিপি অঙ্গরাজ্য কর্তৃপক্ষের সমালোচনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ পদক্ষেপকে ‘প্রস্তর যুগের ভাবনা’ আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, এটি একটি বড় ভুল।’

 

 

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, করোনা মহামারি নিয়ন্ত্রণে যদিও টিকা ভূমিকা রাখছে, তবু মাস্কের ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও অন্যান্য পদক্ষেপ এখনো গুরুত্বপূর্ণ। সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সময় এখনো হয়নি। করোনা মহামারি কোন দিকে যাচ্ছে, তা বুঝতে আগামী এক বা দুই মাস প্রকৃত অর্থেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। রোচেল ওয়ালেনস্কি, যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) পরিচালক  সব ব্যবসায়িক ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান পুরোদমে চালুও করতে যাচ্ছে টেক্সাস ও মিসিসিপি অঙ্গরাজ্য। অন্যান্য রাজ্য কর্তৃপক্ষও করোনা সংক্রমণ রোধে নেওয়া বিধিনিষেধের কিছু কিছু শিথিল করার ঘোষণা দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে করোনা মহামারি শুরুর পর এখন পর্যন্ত এতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ কোটি ৮৭ লাখ মানুষ। তাদের মধ্যে মারা গেছেন ৫ লাখ ১৯ হাজার জন। মহামারি প্রতিরোধে ইতিমধ্যে দেশটিতে প্রায় ৭ কোটি ৮০ লাখ মানুষকে করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে বাইডেন বলেন, ‘এই টিকাদান করোনা প্রতিরোধে নেওয়া জনস্বাস্থ্য–সংক্রান্ত পদক্ষেপগুলো তুলে নেওয়ার কারণ হতে পারে না। তাই “সব ঠিক আছে, মাস্ক খুলে ফেলো, ভুলে যাও”Íপ্রস্তর যুগের এসব ধারণা গ্রহণ করার ক্ষেত্রে আমাদের ভাবা দরকার। মাস্ক ব্যবহার ও অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এখনো গুরুত্বপূর্ণ।’ এদিকে বাইডেন প্রশাসনের জ্যেষ্ঠ স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়া অব্যাহত থাকা ও এটির অত্যন্ত সংক্রামক ধরনগুলোর ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছেন। তারা বলেছেন, এসব বিষয় দেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচিকে বাধাগ্রস্ত করছে। যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) পরিচালক রোচেল ওয়ালেনস্কি বলেছেন, ‘সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সময় এখনো হয়নি। ইতিমধ্যে, প্রেসিডেন্ট বাইডেনের মন্তব্যে টুইট করে চাঁছাছোলা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন মিসিসিপির গভর্নর টেট রিভস। তিনি লিখেছেন, ‘মিসিসিপিবাসীর অন্যের সিদ্ধান্তের প্রয়োজন নেই। সংক্রমণ কমে আসায় তারা নিজেরা তাদের পছন্দ নির্ধারণ করতে ও বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন। আমি মনে করি, মার্কিনদের অপমান করা নয়; বরং তাদের ওপর আমাদের আস্থা রাখা দরকার।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ