বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

খাসজমিতে পুকুর খনন

শাহজাহান তাড়াশ সিরাজগঞ্জ: তাড়াশে সরকার ৪১ জন ভূমিহীনকে চাষাবাদ করার জন্য ৪০ বিঘা সরকারি খাস সম্পত্তি কবলিয়াত দেন। আর ভূমিহীনরা কবলিয়াত পাওয়া সে ফসলি জমিতে আইন অমান্য করে লিজ দিচ্ছে। লিজ দেয়া সেই জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে পুকুর খনন করা হচ্ছে। ফলে একদিকে আইন অমান্য করা হচ্ছে; পাশাপাশি ফসলি মাঠে পুকুর খনন করায় সেখানে জলাবদ্ধতার কবলে পড়ছে শত শত বিঘা জমির ফসল। এতে ফসলহানির আশঙ্কা করছেন এলাকার কৃষক আমির হোসেন, আব্দুল আজিজ, মহব্বত উল্লাসহ অনেকে। উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের কালিদাসনীলি গ্রামের ৪১ জন ভূমিহীনকে ১৯৯০ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে ৪০ বিঘা ফসলি জমি কবলিয়াত করে দেয়া হয়। আর সেই জমিতে ওই ভূমিহীনরা নানা ফসলের চাষাবাদ করে আসছিলেন। সম্প্রতি অধিক লাভের আশায় ভূমিহীনদের কয়েকজন প্রতিবিঘা জমি বার্ষিক ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় লিজমানি নিয়ে ওইসব জমিতে পুকুর খনন শুরু করেছেন। তাদের দাবি, বিলের ওই জমিগুলোতে ভালো ফসল না হওয়ায় তারা পুকুর খনন করছেন। কালিদাসনীলি গ্রামের পূর্ব মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, এরই মধ্যেই ১০ বিঘা জলায়তনের পুকুর খনন শেষ হওয়ার পথে। আর খাস সম্পত্তিতে আরও পুকুর খননের জন্য দুটি খননযন্ত্র আনা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, সরকারি ফসলি জমির শ্রেণি পরিবর্তন করে পুকুর খনন করলেও সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা তা বন্ধ করতে ব্যবস্থা নেননি। তবে নওগাঁ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শাহ্ কামাল বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে খাস সম্পত্তিতে পুকুর খনন করতে নিষেধ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তাড়াশ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ওবায়দুল্লাহ জানান, কবলিয়াত পাওয়া সরকারি খাস সম্পত্তিতে শ্রেণি পরিবর্তন করে পুকুর খনন করা বে-আইনি। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ