শনিবার ১৯ জুন ২০২১
Online Edition

খাশোগী হত্যায় ন্যায়বিচার নিশ্চিতে মার্কিন প্রতিবেদনটি জরুরি

২৫ ফেব্রুয়ারি, আল জাজিরা : সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগী হত্যার ঘটনায় মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হলে তা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞ অ্যাগনেস ক্যালামার্ড। বিচারবহির্ভূত হত্যাকা-বিষয়ক এ বিশেষ দূত মনে করেন, এ প্রতিবেদনের মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালে খাশোগী হত্যার ঘটনায় কারা দায়ী তা জানা সম্ভব হবে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে হত্যার দায় নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে যুবরাজ  ‘যেহেতু আমার শাসনামলে এ ঘটনা ঘটেছে, তাই হত্যাকাণ্ডের দায় আমার।’ তবে এ হত্যাকাণ্ড তার অজান্তেই যে ঘটেছে সে কথাও উল্লেখ করেন যুবরাজ সালমান। খাশোগী হত্যার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা পরিচালক (ডিএনআই) এর কার্যালয় থেকে একটি তদন্ত করা হয়। সাবেক মার্কিব প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সময়ে করা এ তদন্ত প্রতিবেদনটি কখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন শিগগিরই এ প্রতিবেদন প্রকাশের আশ্বাস দিয়েছে।

গত বুধবার কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নাইট ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট ইন্সটিটিউট আয়োজিত এক প্যানেল আলোচনায় এ প্রতিবেদন প্রকাশ নিয়ে কথা বলেন জাতিসংঘের দূত ক্যালামার্ড। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে যদি আরও প্রমাণ আসে, তবে যেসব তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে তা উপেক্ষা করাটা বাকি বিশ্বের জন্য অসম্ভব হবে। জবাবদিহিতার স্বার্থে এবং আমেরিকান গণতন্ত্রের স্বার্থে অবশ্যই ডিএনআই প্রতিবেদন প্রকাশ করতে হবে।’ এর আগে ২০১৯ সালের জুনে ক্যালামার্ডের করা এক তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ‘খাশোগি হত্যার ঘটনায় যুবরাজের সংশ্লিষ্টতার যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ রয়েছে। এ ব্যাপারে আরও তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’

রিয়াদের সঙ্গে সম্পর্ক পুনরায় স্থাপন করার অংশ হিসেবে বাইডেনের নীতি অনুসারে এই তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করা হচ্ছে।  ট্রাম্পের অধীনে চার বছরের সুসম্পর্কের পরে রিয়াদের সাথে সম্পর্কটিকে সনাতন ধারায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন বাইডেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ