রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে হত্যাকাণ্ডের হোতাদের বিচারের আওতায় আনা হবে

চট্টগ্রাম ব্যুরো : চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, বিডিআর বিদ্রোহ বাংলাদেশের জন্য একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়। আওয়ামী লীগের কতিপয় নেতাদের মদদে সেদিন দেশপ্রেমিক সেনা সদস্যদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। জীবন বাঁচানোর জন্য তারা আপ্রাণ চেষ্টা করলেও সরকারের তরফ থেকে তাদের কোনো ধরনের সহযোগিতা করা হয়নি। বরং তাদের সময় ক্ষেপণ করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে নগরীর কাজীর দেউড়িস্থ নাসিমন ভবন দলীয় কার্যালয়ে পিলখানা ট্রাজেডির আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনা নিয়েও রাজনীতি করেছে। এ ঘটনাকে রাজনৈতিক রং লাগিয়ে মূল নায়কদের আড়াল করে বিরোধী দলকে দমনের হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছিল। এ মামলায় কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা না থাকার পরও শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় বিএনপি নেতা নাসির উদ্দীন পিন্টুসহ দেশপ্রেমিক নাগরিকদের মিথ্যা সাজানো মামলায় হত্যা করা হয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহে শহীদ হওয়া সেনা সদস্যদের পরিবার একযুগ পার হলেও ন্যায় বিচার পায়নি। বিচারের নামে শুধু তামাশা করেছে সরকার। বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসলে বিডিআর বিদ্রোহসহ সকল হত্যাকা-ের মূল হোতাদের বের করে বিচারের আওতায় আনা হবে।

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবুল হাশেম বক্কর বলেন, বাংলাদেশে আইনের শাসন নেই, বিচার ব্যবস্থা সরকারের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে। গণভবনের পাঠানো চিরকুট ছাড়া কোন রায় হয় না।  যার কারণে দেশপ্রেমিক সেনা সদস্যদের হত্যার সুষ্ঠু বিচার হয়নি। সরকারী দলের নেতা ও প্রশাসনের সহযোগিতায় বিডিআর বিদ্রোহ ঘটনা ঘটলেও বিচারে তাদের আওতায় আনা হয়নি। নিরীহ সেনা সদস্যদের বিচারের নামে তামাশা করেছে। পিলখানা ট্র্যাজেডির স্মরণে ২৫ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা উচিত ছিল, কিন্তু সরকার তা এখনো ঘোষণা করেনি। বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনার পেছনে নেপথ্য শক্তি হিসেবে কারা কাজ করেছে, তা একযুগ অতিবাহিত হলেও উদঘাটন করতে ব্যর্থ হয়েছে। মূল পরিকল্পনাকারীরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকলেও এক সময় তাদের বের করা হবে। তাঁদের বিচারের আওতায় এনে মূল রহস্য উন্মোচন  করা হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এম এ আজিজ, মো: মিয়া ভোলা, এড. আব্দুস সাত্তার, এস এম সাইফুল আলম, নাজিমুর রহমান, শফিকুর রহমান স্বপন, কাজী বেলাল উদ্দীন প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ