বৃহস্পতিবার ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১
Online Edition

সিলেটের রাজপথে ব্যাংকাররা

সিলেট : ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমদের নিহতের ঘটনায় রাস্তায় নেমেছেন তাঁর সহকর্মী ব্যাংকারেরা -সংগ্রাম

সিলেট ব্যুরো : সিলেট নগরীর বন্দরবাজারে সিএনজি অটোরিকশা চালকদের মারধরে ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমদের নিহতের ঘটনায় রাস্তায় নেমেছেন তাঁর সহকর্মী ব্যাংকাররা। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে গতকাল ২৩ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার বিকেলে নগরীতে বিশাল মানবন্ধন কর্মসূচি পালন করেন সিলেটের ব্যাংকগুলোতে চাকরিরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এর আগে দুপুরে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান করেন ব্যাংক কর্মকর্তারা।
গতকাল বিকেল সাড়ে ৪টায় সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে সিলেটে কর্মরত ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ডাকে মওদুদ আহমদের ‘খুনিদের’ দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবিতে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ছাড়াও সিলেটের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মানববন্ধনে বক্তারা মওদুদ আহমদকে মারধরে করে নির্মমভাবে মেরে ফেলা সিএনজি অটোরিকশা চালকদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। এ দাবি পূরণ না হলে পর্যায়ক্রমে কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন বক্তারা। মানববন্ধন শেষে স্বাধীনতা ব্যাংকার্স পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নিশি মোহন নাথ বলেন, আপাতত আমরা মওদুদ আহমদের ‘খুনিদের’ দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবিতে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছি। আজ বুধবার সিলেটের সকল ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রতীকি প্রতিবাদ জানাবো। তারপরও দোষীরা গ্রেফতার না হলে আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করবো।
উল্লেখ্য, গত শনিবার সন্ধ্যায় বন্দরবাজার এলাকায় ভাড়া নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ব্যাংক কর্মকর্তা মওদুদ আহমদকে মারপিট করে সিএনজি অটোরিকশা চালকরা গুরুতর আহত করে। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে ঘণ্টাখানেক পরেই তিনি মারা যান। নিহত মওদুদের বড়ভাই আব্দুল ওয়াদুদ বাদী হয়ে সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউনিয়নের টুকেরগাঁও পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে সিএনজি অটোরিকশাচালক নোমান হাছনুর নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামী করে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। যদিও পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- অভিযুক্তদের শনাক্ত করা গেছে। দ্রুত গ্রেফতার করা হবে। ঘটনার তিনদিনেও দোষীরা গ্রেফতার ও শাস্তির আওতায় না আসায় প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন সিলেটের ব্যাংকাররা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ