ঢাকা, সোমবার 1 March 2021, ১৬ ফাল্গুন ১৪২৭, ১৬ রজব ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

টিকা প্রয়োগে ১৫ দিন অপেক্ষার আহ্বান ড. বিজনের

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এই টিকা ভারতে ব্যাপকহারে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারতে এর ফল কী আসে তা দেখার জন্য ১৫ দিন অপেক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অণুজীববিজ্ঞানী, সার্সভাইরাসের কিট উদ্ভাবক ও করোনাভাইরাস শনাক্তের ‘জি র্যাপিড ডট ব্লট’ কিট উদ্ভাবক ড. বিজন কুমার শীল।

ড. বিজন কুমার শীল জাগো নিউজকে বলেন, ‘এই টিকা ভারতে ব্যাপকহারে ব্যবহার করা হচ্ছে। আমাদের দেশের মানুষ ভারতের ফলটা দেখতে পারে। ভারতে টিকার প্রভাব ভালো হলে সবার দুশ্চিন্তা চলে যাবে। কারণ ভারত ও বাংলাদেশের মানুষ তো একই রকম। সুতরাং সেখানে যে ফল আসবে সেটা বাংলাদেশেও আশা করা যায়।’

তিনি বলেন, ‘অন্ততপক্ষে আরও ১৫ দিন দেখা উচিত। ভারতে ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে, এর যদি প্রতিক্রিয়া হয়, তাহলে এর মধ্যেই হয়ে যাবে। তখন মানুষের প্রশ্ন কম থাকবে। তাছাড়া বাংলাদেশে ভ্যাকসিন আসা মানেই তো দেয়া না। টিকা আসার পর সেটআপ করতেও তো সময় লাগবে। কাকে টিকা দেবে তাদের নির্বাচন করা, যারা টিকা দেবে তাদের প্রশিক্ষণ দেয়া- এসব করতে সপ্তাহ দুই সময় লেগে যাবে। দুই সপ্তাহের মধ্যে ভারতের পরিস্থিতি বোঝা যাবে।’

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যবিভাগ ও সংশ্লিষ্ট যারা আছেন, তারা যদি ভারতের টিকা দেয়ার ফলাফলটা ভালো করে লক্ষ করেন বা তথ্য আদানপ্রদান করেন, তাহলে তারা ভালো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবেন বলেও মনে করেন এই বিশেষজ্ঞ।

সরকারের অগ্রাধিকার দেয়া ১০ ধরনের জনগোষ্ঠী হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধা, করোনা মোকাবিলায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী, সম্মুখসারির কর্মী, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাহীন জনগোষ্ঠী, বয়োজ্যেষ্ঠ জনগোষ্ঠী, দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক জনগোষ্ঠী, শিক্ষাকর্মী ও গণপরিবহনকর্মীরা।

ড. বিজন বলেন, ‘এটা ঠিকই আছে। ফার্মসিউটিক্যালসে যারা আছেন এবং গার্মেন্টেসে আছে তাদেরও দেয়ার বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে, যদি সরকারের যথেষ্ট ভ্যাকসিন থাকে।’

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ