ঢাকা, বৃহস্পতিবার 25 February 2021, ১২ ফাল্গুন ১৪২৭, ১২ রজব ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

মামলা না তুললে পরিবারসহ বাদীকে হত্যার হুমকি এসআইয়ের

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা (ডিবি) বিভাগের উপ-পরিদর্শক মহিউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশি হেফাজতে মারা যাওয়া শিক্ষানবিশ আইনজীবী রেজাউল করিম রেজার বাবা ইউনুস মুন্সি বাদী হয়ে গতকাল সোমবার বরিশাল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় এসআই মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে রেজা হত্যা মামলা তুলে নিতে নিহতের বাবা ও মামলার বাদীকে মারধরসহ হুমকি প্রদানের অভিযোগ করা হয়েছে।

আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে অভিযুক্ত আসামি এসআই মহিউদ্দিনকে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি স্বশরীরে হাজির হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বরিশাল নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের পেশকার মো. আদম আলী মামলা দায়েরের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৫ জানুয়ারি মঙ্গলবার মাদক দিয়ে ধরে নিয়ে শিক্ষনবিশ আইনজীবী রেজাউল করিম রেজাকে ডিবি কার্যালয়ে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগে এসআই মহিউদ্দিনসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নিহতের বাবা ইউনুস মুন্সি। মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

দায়েরকৃত দ্বিতীয় মামলাটিতে বাদী ইউনুস মুন্সি অভিযোগ করেন, তার ছেলে রেজাউলকে জোর করে ধরে নিয়ে পুলিশ হেফাজতে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। পরে রেজাউল পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুবরণ করেন।

এই ঘটনায় ইউনুস মুন্সি ছেলেকে হত্যার বিচার চেয়ে এসআই মহিউদ্দিনসহ তিন জনের বিরুদ্ধে গত ৫ জানুয়ারি বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়ের করায় অভিযুক্ত এসআই মহিউদ্দিনসহ তার লোকজন বাদী ও তার পরিবার-পরিজনকে পথে-ঘাটে বিভিন্নভাবে হয়রানী করছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

গত শুক্রবার সকালে মামলার বাদী ইউনুস মুন্সি সাগরদী আলিয়া মাদ্রাসার সামনে প্রধান সড়কের ওপর পৌঁছামাত্রই এসআই মহিউদ্দিনসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুইজন তাকে ঘিরে ফেলে চড়-থাপ্পড়সহ মারধর শুরু করেন। তার ডাক-চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে আসলে আসামিরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, এসআই মহিউদ্দিনসহ হামলাকারীরা চলে যাবার সময় বাদী ইউনুস মুন্সিকে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মামলা তুলে নিতে বলেন। না হলে বাদী এবং তার পরিবারকে সুযোগ বুঝে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দেন বলে ওই দ্বিতীয় মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।

-শীর্ষনিউজ 

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ