ঢাকা,শনিবার 5 December 2020, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

হার্টে রিং পরানো হলো রিজভীর

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক:  বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হার্টে সফলভাবে ১টি রিং পরানো হয়েছে।

আজ শনিবার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. সোহরাবুজ্জামানের নেতৃত্বে রিজভীর হার্টে রিং পরানো হয়। অপারেশনে অধ্যাপক ডা. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ডা. মাহবুবুর রহমান, ডা. আবদুর জাহেদ ছিলেন।

রিজভীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, ‘বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হার্টের ভায়াবিলিটি (কার্যক্ষমতা) দেখার পর পরবর্তী চিকিৎসা করতে আজ আবারও এনজিওগ্রাম করলে হার্টের ব্লক থাকায় একটি রিং পরানো হয়।’

এর আগে গত ১১ নভেম্বর হৃদরোগে আক্রান্ত রিজভীর হার্টের মায়োকার্ডিয়াল পারফিউশন ইমেজিং (এমপিআই) টেস্ট করা হয়। সে পরীক্ষায় কিছু সমস্যা ধরা পড়ায় আবারও তার এনজিওগ্রাম করা হয়। এরপর  চিকিৎসকরা রিজভীর হার্টে রিং পরানোর সিদ্ধান্ত নেন।

রিজভীর একান্ত সহকারী আরিফুর রহমান তুষার বলেন, সফলভাবে স্যারের অপারেশন শেষ হয়েছে। তিনি এখন সিসিইউতে আছেন। 

দলের সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, উনার হৃদযন্ত্রের একটা ব্লক ছিল। সেজন্য আজকে এনজিওপ্লাস্টি করে একটা রিং পরানো হয়েছে। উনি সিসিইউতে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন।

১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের মানববন্ধন শেষে নিজের গাড়িতে উঠার পর বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে দ্রুত তাকে প্রথমে কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে এবং পরে ল্যাব এইডে ভর্তি করা হয়। ১৫ অক্টোবর এই হাসপাতালে রিজভীর এনজিও গ্রাম করা হয়। ওই সময়ে একটি ব্লক ধরা পড়লে ইনজেকশন দিয়ে সেটির ৪০ শতাংশ অপসারণ করা হয়।

১৩ দিন ল্যাবএইড হাসপাতালে থাকার পর গত ২৮ অক্টোবর রিজভী ছাড়পত্র পেয়ে শ্যামলীর আদাবরের বাসায় ব্যক্তিগত চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে ছিলেন।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ