বৃহস্পতিবার ২৮ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

ফিটনেস ঘাটতি কাটিয়ে শক্তিশালী দল তৈরিই বড় চ্যালেঞ্জ জেমি ডের

 

স্পোর্টস রিপোর্টার: নেপালের বিপক্ষে দুটি ফিফা ফ্রেন্ডলি ম্যাচের জন্যই প্রস্তুতি ক্যাম্প চলছে জাতীয় ফুটবল দলের।করোনা ভাইরাসের কারনে দীর্ঘদিন খেলার বাইরে থাকায় ফুটবলারদের মাঝে ফিটনেসের ঘাটতি রয়েছে।এটা কাটিয়ে দলকে সল্প সময়ের মধ্যে প্রস্তুত করাই এখন বড় চ্যলেঞ্জ জেমি ডের সমনে।নভেম্বরের  ১৩ ও ১৭ তারিখে নেপালের বিপক্ষে দুটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ফুটবল ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। এজন্য গত ২৪ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্প।গতকাল রোববার  বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে করোনার দীর্ঘ ১০ মাস বিরতির পর জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দেন হেড কোচ জেমি ডে। তার সঙ্গে যোগ দেন সহকারী স্টুয়ার্ট ওয়াটকিসি।আর প্রথমবারের মতো জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দেন নতুন নিয়োগ পাওয়া গোলরক্ষক কোচ লেস ক্লিভলি। প্রথম দিন অনুশীলনে যোগ দিয়েই শিষ্যদের ফিটনেদের ওপর জোর দিয়েছেন জেমি ডে।

কিছু কিছু ফুটবলাররে ফিটনেসে সন্তষ্ট হলেও অনেক ফুটবলারেরই রয়েছে ফিটনেসের ঘাটতি। তবে হাতে সময় রয়েছে তাই সেটা নিয়ে তেমন চিন্তা করছেন না ইংলিশ কোচ।জানালেন, দলের সার্বিক পরিস্থিতি ভালো রয়েছে।জেমি ডে বলেন, ‘গত কয়েক দিন খেলোয়াড়েরা কঠোর পরিশ্রম করেছে। অনুশীলনে খেলোয়াড়দের উন্নতি চোখে পড়েছে। কিছু খেলোয়াড়ের ফিটনেস ভালো অবস্থানে আছে। আবার অনেকের ফিটনেসে ঘাটতি রয়েছে। হাতে আরও কয়েক দিন সময় আছে। পুরো দলকে ভালো একটি অবস্থানে নিয়ে যেতে হবে। ’প্রথম দিন গোলরক্ষকদের নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করেছেন গোলরক্ষক কোচ ক্লিভলি প্রাথমিক দলে ঠাঁই পাওয়া চার গোলরক্ষক নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। শুরুতে রানা-জিকো-সোহেল-পাপ্পুদের আত্মবিশ্বাস ও মনোযোগ বাড়ানোকে গুরুত্ব দিচ্ছেন এই গোলকিপিং কোচ।প্রধান কোচ জেমি ডের সঙ্গে গত বৃহস্পতিবার ঢাকায় আসেন ক্লিভেলি। নতুন শিষ্যদের সঙ্গে দুদিন কাজ করে রোববার জুম মিটিংয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের জানালেন, আপাতত মৌলিক দিকগুলোর নিয়ে কাজ করছেন তিনি।“টেকনিক্যাল বিষয় নিয়ে কাজ করছি। গোলকিপারদের সাহস বাড়ানোর চেষ্টা করছি, যাতে ভড়কে গিয়ে তারা ভুল না করে। যদি গোলকিপারদের আত্মবিশ্বাসী করা যায়, স্নায়ুর চাপ ধরে রাখা শেখানো যায় এবং টেকনিক্যাল সামর্থ্য বাড়ানো যায়, তাহলে তারা আরও কম ভুল করবে। ছেলেদের মনোযোগ বাড়ানোর জন্যও আমাদের কাজ করা দরকার। এটা করতে পারলে তারা আরও সাচ্ছ্বন্দ্যবোধ করবে।”

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ