ঢাকা, বৃহস্পতিবার 3 December 2020, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

৭ মাস বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ‘এয়ার বাবল ফ্লাইট’ চালু

বক্তব্য রাখেন বেবিচক চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: করোনাভাইরাসজনিত কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সাত মাস বন্ধ থাকার পর আজ (বুধবার) থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী বিমান চলাচল আবারো শুরু হয়েছে।

আজ (বুধবার) হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনাল ভবনে ঢাকা-চেন্নাই ও ঢাকা-কলকাতা রুটে ফ্লাইট দু’টির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। এয়ার বাবল চুক্তির অধীনে এই সিডিউল ফ্লাইট চালু করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম মফিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ক্যাপ্টেন শিকদার মেজবাহউদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের রাষ্ট্রদূত বিক্রম কুমার দোরাইস্বামী

ভারত-বাংলাদেশ এয়ার বাবল ফ্লাইট উদ্বোধনকালে গণমাধ্যম কর্মীদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস এম মার্শাল মফিদুর রহমান জানিয়েছেন, “ভারতই প্রথমে আমাদের এয়ার বাবল চুক্তির অধীনে ফ্লাইট চালুর আমন্ত্রণ জানায়। তারপরই আমরা কাজ শুরু করি। ভারতের আকাশ বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত করায় আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাই।”

তিনি বলেন, “এয়ার বাবল চুক্তি অন্য দেশের সঙ্গে ভাবা হচ্ছে না। করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হলে অন্য দেশের সঙ্গে প্লেন চলাচল স্বাভাবিক হবে।”

এয়ার বাবল চুক্তির অধীনে ফ্লাইট চালু করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স

এর আগে বেবিচক জানায়, বাংলাদেশ থেকে ভারতের তিনটি গন্তব্য-কলকাতা, দিল্লি ও চেন্নাইয়ে ফ্লাইট চলবে। প্রতি সপ্তাহে বাংলাদেশ থেকে যাবে ২৮টি ফ্লাইট। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস কলকাতা ও দিল্লিতে; ইউএস-বাংলা চেন্নাই ও কলকাতায় এবং নভোএয়ার কলকাতায় ফ্লাইট পরিচালনা করবে। অন্যদিকে, ভারত থেকে ঢাকায় আসবে সপ্তাহে ২৮টি ফ্লাইট। ভারতের এয়ার ইন্ডিয়া, ইনডিগো, স্পাইসজেট, ভিস্তারা ও গোএয়ার—এসব ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

বিশ্ব মহামারি করোনাভাইরাসের বিস্তারের কারণে গত মার্চ মাসে দুদেশের মধ্যে ফ্লাইট চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দীর্ঘ সাত মাসের বেশি সময়ের পর সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে এ ফ্লাইট চালু হলো।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ