রবিবার ০২ অক্টোবর ২০২২
Online Edition

সাজাপ্রাপ্ত আসামী মনিরুল মুন্সীকে ৬ বছরেও চাকরিচ্যুত করা হয়নি

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার সোনামসজিদ স্থলবন্দরের সিএন্ডএফের কোষাধ্যক্ষ ও যুবলীগ নেতা মনিরুল ইসলামের হত্যাকাণ্ডের ৬ বছর আজ। ২০১৪ সালের ২৪ অক্টোবর শিবগঞ্জ স্টেডিয়ামের কাছে পরিকল্পিতভাবে তাকে গুলী করে হত্যা করা হয়। এই হত্যা মালমার বিচারকার্যও শেষ হয়েছে। বিচারকার্য শেষে ২০১৯ সালের ২০ জুন ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড ২ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক। তবে উচ্চ আদালতে আসামীরা আপিল করার জন্য রায় কার্যকর আদেশ অপেক্ষামান। কিন্তু মৃত্যুদণ্ড সাজাপ্রাপ্ত অন্যতম আসামী মো. সিরাজুল ইসলাম মুন্সিকে এখনো তার চাকরি থেকে বহিষ্কার ও এমপিও বাতিল করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন নিহত মনিরুল ইসলামের স্ত্রী ও মামলার বাদী রহিমা বেগম। জানা গেছে, মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত অন্যতম আসামী সিরাজুল ইসলাম মুন্সি বালিয়াদিঘী দারুস সুন্নাহ গোলিস্থায়া দাখিল মাদ্রাসায় সহ-সুপার পদে চাকরি করতেন। আর বালিয়াদিঘী দারুস সুন্নাহ গোলিস্থীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল মালেকের দাবি আদালতের রায় ঘোষণার কিছুদিন পরেই সিরাজুল ইসলাম মুন্সিকে চাকরি থেকে বহিষ্কার আদেশ চেয়ে নীতিমালা অনুযায়ী মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ডিজি বরাবর আবেদন পাঠানো হয়েছে।
এব্যাপারে নিহত মনিরুল ইসলামের স্ত্রী ও মামলার বাদী রহিমা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমার স্বামীকে আসামীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আদালতও এর রায় ঘোষণা করেছেন। আমি এ রায়ের প্রতি সন্তুষ্ট। তবে, আসামীদের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে আপিল করায় রায় কার্যকরের অপেক্ষায় রয়েছি।
কিন্তু দুঃখজনক বালিয়াদিঘী দারুস সুন্নাহ গোলিস্থীয়া দাখিল মাদ্রাসার সুপার আব্দুল মালেক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী সিরাজুল ইসলাম মুন্সিকে এখন পর্যন্ত চাকরিতে বহাল রেখেছেন। যা সম্পূর্ণ অবৈধ। আমি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোরদাবি জানাচ্ছি, যেনো সিরাজুল ইসলাম মুন্সিকে দ্রুত তার চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ