রবিবার ০২ অক্টোবর ২০২২
Online Edition

কেশবপুরে মাছের ঘেরের জেরে জলাবদ্ধতা

কেশবপুর (যশোর) : সুজাপুর গ্রামে খাস জমিতে ইউপি সদস্যের মাছের ঘের

কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতা : যশোরের কেশবপুরে এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে পানি নিষ্কাশন বন্ধ করে সরকারী খাস জমিতে মাছের ঘের করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ফলে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে ইউপি কার্যালয়সহ সুজাপুর বিদ্যালয়ের মাঠ ৫/৬ মাস যাবৎ জলাবদ্ধ থাকে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত ২৫ সেপ্টেম্বর সুজাপুর গ্রামের রেজাউল ইসলামসহ ১০ জন ভুক্তভোগীর স্বাক্ষরিত একটি অভিযোগপত্র কেশবপুরের সংসদ সদস্যের কাছে দাখিল করা হয়েছে। তিনি জনস্বার্থে জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যে উপজেলা সহকারি কমিশনারকে (ভূমি) নির্দেশ দিয়েছেন।
কেশবপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক কামরুজ্জামান কামাল সুজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছনের ৩ বিঘা জমিতে মাছের ঘের করেন। এরমধ্যে সরকারের খাস খতিয়ানভূক্ত ৬২ শতক জমি রয়েছে। তিনি ৮/৯ বছর ধরে খাস জমিতে মাছের ঘের করেছেন। ওই জমির পাশ দিয়ে সরকারি রাস্তা থাকলেও জনগণ তা ব্যবহার করতে পারছে না। যার কারণে সুজাপুর ঋষিপাড়া থেকে স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়েরা স্কুলে আসতে পারে না। এছাড়া ঘেরটি পানি নিষ্কাশন পথ বন্ধ করেই করা হয়েছে। যে কারণে কেশবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদসহ সুজাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ বছরে ৫/৬ মাস জলাবদ্ধ থাকে। এতে ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনা ও শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া আসায় দুর্ভোগ পোহাতে হয়। কেশবপুর সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম ওই সরকারি জমি দখলমুক্ত করে পূর্বের ন্যায় রাস্তা করার দাবি জানান। তিনি বলেন, তাতে শিক্ষার্থীসহ কৃষকেরা মাঠের ফসল সহজেই বাড়ি আনতে পারবেন।
পানি নিষ্কাশন বন্ধ পথ বন্ধের কথা অস্বীকার করে কামরুজ্জামান কামাল বলেন, শুধু তিনি নন। আরও অনেকে খাসজমি দখল করেছেন। তবে তিনি স্বীকার করেন, তার ঘেরের মধ্যে সামান্য খাস জমি রয়েছে। সরকার দাবি করলে তিনি ছেড়ে দেবেন। উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ইরুফা সুলতানা বলেন, গত ৬ অক্টোরবর সরেজমিনে ঘেরটি পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ