রবিবার ০২ অক্টোবর ২০২২
Online Edition

তাড়াশ রায়গঞ্জে ব্রীজ কালভার্টের অভাবে ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগ চরমে

শাহজাহান, তাড়াশ সিরাজগঞ্জ থেকে: তাড়াশ রায়গঞ্জে ব্রীজ কালভার্টেব অভাবে ভুক্তভোগীদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারন করেছে। জানা যায়,বর্ষার পানি কমতে শুরু করেছে। পানি ডুবে যাওয়া রাস্তাঘাট জেগে উঠেছে। এতে যাতায়াতের জন্য আরোও বেশী কষ্ট হচ্ছে। না হচ্ছে নাও না হচ্ছে পাও কাদা পানিতে রাস্তা পারাপারে ব্রীজ কালবার্টের দু পাশ্বের মাটি সরে যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ থেকে মহেষরৌহালী ওয়াবদাবাধ পর্যন্ত হামকুড়িয়া সাবমারসিপুল রাস্তা হামকুড়িয়া কেজি স্কুল থেকে পশ্চিমপাড়া রাস্তা আবাড়িয়া থেকে দক্ষিন শ্যামপুর রাস্তা,দোবিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে কোণাবাড়ি চাকরৌহালী রাস্তা ললুয়াকান্দি থেকে দোবিলা বোড পযর্ন্ত রাস্তা যাতায়াতের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। হামকুড়িয়া খা পাড়া মানুষের যাতায়াতের কোন রাস্তা নেই। খা পাড়া থেকে মহাসড়কে যেতে বাঁশের সাকো দিয়ে উঠতে হয়। এখানে একটি মাত্র সেতুর অভাবে ভুক্তভোগীরা মানবিক জীবন যাপন করছেন। হান্ডিয়াল প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া উজ্জল বলেন,হামকুড়িয়া খান মানুষের যাতায়াতের জন্য একটি মাত্র ব্রীজের অভাবে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তিনি বলেন এই রাস্তায় একটি ব্রীজ আশু প্রয়োজন তাই অতি দ্রুত খান হতে মহাসড়ক পযর্ন্ত ব্রীজ নির্মানের জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন কামনা করছি। গতকাল সরেজমিনে খান পাড়া বাশের ব্রীজ পরিদর্শনে গেলে এলাকার শত শত ভুক্তভোগী মহল একটি ব্রীজের জন্য সরকারের নিকট আবেদন জানান। হামকুড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরিফুল ইসলাম, পশ্চিমপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম,হামকুড়িয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষক আয়নুল হক আব্দুল জব্বার বলেন এই বাশের সাকো দিয়েই প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষেরা যাতায়াত করেন। ছেলে মেয়েসহ স্কুল কলেজের শত শত ছাত্র/ছাত্রীরা এই সাকো পার হয়েই যেতে হয়। তাই একটি ব্রীজ নির্মাণ আশু প্রয়োজন। অপরদিকে রায়গঞ্জের তিননান্দিনা কাঠালিয়া খেয়াখাটের একই দশা দেখতে পাওয়া যায়। 

নৌকা আছে মাঝি নেই, এমনকি বইঠাও নেই। নদীর এপার থেকে ওপারে টানানো রশি টেনেই ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার হতে হয় এলাকাবাসীর। এদিক-ওদিক হলেই নৌকাডুবে পড়তে হবে পানিতে এভাবে সলঙ্গার নলকা ইউনিয়নের নদী বেষ্টিত গ্রাম তিননান্দিনা খেয়াঘাটে টানা নৌকায় নিত্যদিন নদী পার হতে হয় তিননান্দিনা, কাঁঠালবাড়িয়া, বোয়ালিয়ার চর সহ বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষকে। এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি এখানে একটা ব্রীজ নির্মানের।

ভুক্তভোগীরা জানান, তিননান্দিনাসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র পথ তিননান্দিনা খেয়াঘাট। তিন নান্দিনা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সারমিন, তানিয়া সুমিয়া,বিথী,রাকিব,তালহা,ইকবাল ফেরদৌস সহ অনেক শিক্ষার্থী জানায়, সারাবছর ঝুঁকি নিয়ে আমরা নৌকায় পারাপার করে থাকি,নৌকায় বেশী মানুষ ওঠার ফলে একাধিকবার নৌকা ডুবির ঘটনাও এখানে ঘটেছে। তাই এখানে একটি সেতুর খুবই দরকার। তিননান্দিনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনামুল হক সরকার জানান, তিননান্দিনা গ্রামে একটি হাইস্কুল, একটি প্রাইমারি স্কুল, মাদ্রাসা হাসপাতাল সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।নদীর পশ্চিমে নলছিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকলেও নদীর উভয় পাড়ের ছাত্র ছাত্রী ও যাতায়াতকারীদের একমাত্র পথ তিননান্দিনা খেয়া ঘাট। এলাকা বাসী সহ আমরা দীর্ঘদিন ধরে একটি সেতুর দাবি জানিয়ে আসলেও আজ পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি। তিননান্দিনা গ্রামের সাবেক প্রধান শিক্ষক জহুরুল ইসলাম খোকা জানান, নির্বাচনের পুর্বে অনেক এমপি উক্ত স্থানে সেতু নির্মানের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পরে আর তাদেরকে দেখা যায় নি।চারদিকে নদী বেষ্টিত গ্রামের নাম তিননান্দিনা উক্ত গ্রাম সহ পাশের গ্রাম গুলোর উপজেলা বা জেলা সদরে যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। তাই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্তা ব্যাক্তিদের কাছে এখানে সেতু নির্মানের দাবী করছি। নলকা ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জাব্বার সরকার জানান,তিননান্দিনা ঘাটে সেতু নির্মান এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবী।বিষয়টি আমি উপজেলা সমন্বয় মিটিংয়ে তুলে ধরেছি এবং এলজিইডি রায়গঞ্জ সহ সংশ্লিষ্ট উর্ধতন অফিসে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। রায়গঞ্জ, তাড়াশ-সলঙ্গার মাননীয় জাতীয় সংসাদ সদস্যের মাধ্যমে উক্ত স্থানে সেতু নির্মানের দাবী করেন ভুক্ত ভোগী এলাকাবাসী। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ