ঢাকা, মঙ্গলবার 1 December 2020, ১৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৫ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

বরিশালে প্রভাবশালীর নেতৃত্বে প্রতিদিন শত শত মন মা ইলিশ শিকারের অভিযোগ

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: বরিশালের হিজলা উপজেলার হরিনাথপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সদস্য মাহবুব সিকদারের ছত্রছায়ায় ইলিশের ষষ্ঠ অভয়াশ্রম মেঘনা নদীর অন্তত ১০টি পয়েন্টে মা ইলিশ শিকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগ রয়েছে ইলিশ ধরা থেকে বিক্রি সবই হচ্ছে মাহবুব সিকদারের নেতৃত্বে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে।

অবৈধভাবে ধরা সোয়া কেজি ওজনের এক হালি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৫০০ থেকে ১৬০০ টাকায়। সে হিসেবে প্রতি কেজি ইলিশের দাম পড়ে ৩০০ টাকা। ইলিশ অভিযান শুরু হওয়ার আগে সোয়া কেজির একটি ইলিশই বিক্রি হয়েছে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকায়।

জানা গেছে, হরিনাথপুর ইউনিয়ন সংলগ্ন মেঘনা নদীর প্রায় ৩ বর্গ কিলোমিটার নিয়ন্ত্রণ করছেন মাহবুব সিকদার। ওই ৩ বর্গ কিলোমিটারের অন্তত ১০টি পয়েন্টে কারেন্টজালসহ নিষিদ্ধ জাল দিয়ে প্রতিদিন শত শত মণ ইলিশ শিকার করা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার মধ্যে ইলিশ শিকার, বিক্রি ও থানা-পুলিশসহ মৎস্য কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করতে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। নেপথ্যে থেকে ওই সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন যুবলীগ সদস্য মাহবুব সিকদার।

এর আগেও মাহবুব সিকদারের নেতৃত্বে এক যুবককে মল-মুত্র খাওয়ানো হয়েছিল। তাছাড়া নানান অভিযোগে ইউনিয়নের বর্তমান কমিটিতে তাকে রাখা হয়নি।

হরিনাথপুর ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন মাছ ব্যবসায়ী ও জেলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, মাহবুব সিকদারের নেতৃত্বে এলাকায় শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। সিন্ডিকেটের বেশিরভাগ সদস্য তার আত্মীয়-স্বজন। ওই সিন্ডিকেটের সদস্যদের প্ররোচনায় শতাধিক অসাধু ও মৌসুমি জেলে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও উপজেলার বদরপুর,গঙ্গাপুর, টুমচর, চরআবুপুর, আসলী আবুপুর, চরছঁওগাও, আলীগঞ্জ, নাচোকাঠি সংলগ্ন মেঘনা নদীতে নির্বিচারে মা ইলিশ শিকার করছেন। অবৈধভাবে ধরা এসব ইলিশ কোথাও প্রকাশ্যে আবার কোথাও গোপনে বিক্রি হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, বাবুল সিকদার, বাদল সিকদার, অপু সিকদার, জিয়াবুল সিকদার, দেলোয়ার সরদার, কালু সরদার, রিপন সরদার, আলম সরদার, রাজ্জাক সরদারসহ কয়েকজন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি ওই সিন্ডিকেটের সদস্য। সূত্র: জাগো নিউজ

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ