শনিবার ২৪ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

স্টাফ রিপোর্টার: বিশ্ব ক্ষুধা সূচকে ভারত এবং পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ। ১০৭ টি দেশের ওপর ভিত্তি করে একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স ২০২০। ওই তালিকা অনুযায়ী, ক্ষুধা সূচকে ভারত এবং পাকিস্তান বাংলাদেশের চেয়ে অনেক পিছিয়ে।  প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ৭৫। অপরদিকে মিয়ানমার ৭৮ এবং পাকিস্তান ৮৮ নম্বরে। অন্যান্য প্রতিবেশী দেশের মধ্যে নেপাল ৭৩ এবং শ্রীলঙ্কা ৬৪ নম্বরে। এ তালিকায় ভারতের অবস্থান ৯৪। গত বছর ১১৭টি দেশের মধ্যে ভারতের অবস্থান ছিল ১০২। গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সের একেবারে উপরের দিকে রয়েছে চীন, বেলারুশ, ইউক্রেন, তুরস্ক, কিউবা এবং কুয়েতের মতো দেশগুলো। তাদের অবস্থান এক থেকে পাঁচের মধ্যে। গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সের ওয়েব সাইটটি বিশ্বজুড়ে ক্ষুধা ও অপুষ্টি নিয়ে তথ্য প্রকাশ করে। গত শুক্রবার তারা ২০২০ সালের ক্ষুধা সূচকের ওপর ভিত্তি করে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ভারতের জনসংখ্যার ১৪ শতাংশ অপুষ্টিতে ভোগে। পাঁচ বছরের নিচে মারা যায় ৩ দশমিক ৭ শতাংশ শিশু। ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের প্রবীণ গবেষক পূর্ণিমা মেনন বলেন, উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং মধ্যপ্রদেশের মতো কয়েকটি বড় রাজ্যে অপুষ্টির হার কমানো দরকার। তাহলেই গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে ভারত উন্নতি করতে পারবে। তার মতে, ভারতে প্রতি পাঁচ শিশুর একজন জন্মগ্রহণ করে উত্তরপ্রদেশে। যে রাজ্যে জনঘনত্ব বেশি, সেখানে যদি বেশি মানুষ অভুক্ত থাকে তাহলে সামগ্রিকভাবে গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্সে ভারতের অবস্থান নেমে যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেই চলতি অর্থবছর মাথাপিছু জিডিপিতেও (মোট দেশজ উৎপাদন) ভারতকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকে এ তথ্য প্রকাশের পর থেকেই প্রশংসায় ভাসছে বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুকের সবশেষ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি বেড়ে দাঁড়াবে ১ হাজার ৮৮৭ দশমিক ৯৭ মার্কিন ডলার, যা গত বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৯৬ শতাংশ বেশি। এর বিপরীতে চলতি অর্থবছর ভারতের মাথাপিছু জিডিপি হবে ১ হাজার ৮৭৭ ডলার, যা গত অর্থবছরের তুলনায় অন্তত ১০ দশমিক ৩ শতাংশ কম। মাথাপিছু জিডিপির হিসেবে কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে ছিল ভারত। কিন্তু ধারাবাহিক উন্নতির মাধ্যমে বাংলাদেশ সেই ব্যবধান দ্রুত কমিয়ে এনেছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ