ঢাকা, বৃহস্পতিবার 3 December 2020, ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭, ১৭ রবিউস সানি ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

হার্ড ইমিউনিটির চিন্তা অনৈতিক: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: করোনা মোকাবিলায় হার্ড ইমিউনিটি ব্যবহারের চিন্তাকে ‘বৈজ্ঞানিক ও নৈতিকভাবে সমস্যাযুক্ত’ বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস। 

সোমবার একটি ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন তিনি।

ডব্লিউএইচও প্রধান সতর্ক করে বলেন, তথাকথিত হার্ড ইমিউনিটি অর্জনের আশায় যারা কোভিড-১৯ ছড়ানোর অনুমোদন করছেন এটি ‘অনৈতিক’।

কিছু বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে ভ্যাকসিন না আসা পর্যন্ত হার্ড ইমিউনিটির জন্য করোনাকে স্বাভাবিকভাবে ছড়াতে দেওয়া উচিৎ।

এ নিয়ে গেব্রেয়াসুস বলেন, এই দৃষ্টিভঙ্গি "বৈজ্ঞানিকভাবে ও নৈতিকভাবে সমস্যাযুক্ত"। বৈশ্বিক মহামারিতো দূরের কথা জনস্বাস্থ্যের ইতিহাসে কোনো রোগের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতেই হার্ড ইমিউনিটি ব্যবহার করা হয়নি।

তিনি বলেন, হার্ড ইমিউনিটি টিকাদানের জন্য ব্যবহৃত একটি ধারণা। যেখানে টিকাদানের লক্ষ্য অর্জিত হলে জনগণকে একটি নির্দিষ্ট ভাইরাস থেকে রক্ষা করা যায়।

উদাহরণ হিসেবে জানান, হামের ক্ষেত্রে ৯৫ শতাংশ জনসংখ্যাকে টিকা দেওয়া হলে তবে বাকি পাঁচ শতাংশও ভাইরাসের বিস্তার থেকে রক্ষা পায়। পোলিও’র ক্ষেত্রে এর হার ৮০ শতাংশ।

তিনি বলেন, হার্ড ইমিউনিটি জনগণকে ভাইরাস থেকে রক্ষা করে অর্জিত হয়, তাদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে নয়। যে বিপজ্জনক ভাইরাসকে আমরা পুরোপুরি জানতে পারেনি তাকে মুক্তভাবে ছেড়ে দেওয়া অনৈতিক। এটি কোনো বিকল্প হতে পারে না।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে করোনার সংক্রমণ শুরু হয়। বিশ্বে এখন পর্যন্ত ৩ কোটি ৭০ লাখের চেয়ে বেশি করোনা রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া এ পর্যন্ত বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১০ লাখের বেশি মানুষ মারা গেছেন।

ডিএস/এএইচ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ