ঢাকা, মঙ্গলবার 20 October 2020, ৪ কার্তিক ১৪২৭, ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

আজ থেকে সরকারের নির্ধারিত দামে চাল বিক্রি

সংগ্রাম ডেস্ক : দেশে চালের অব্যাহত দাম বৃদ্ধির মুখে সরকার মিলগুলোর জন্য সরু মিনিকেট চাল এবং মাঝারি বিআর আটাশ এর দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। নতুন এই দাম আজ বুধবার থেকে কার্যকর হচ্ছে।

মিনিকেট চালের ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি হবে ২৫৭৫ টাকা করে। আর মাঝারি ধরনের বিআর আটাশ চালের বস্তা বিক্রি করতে হবে ২২৫০ টাকা দরে। এই দুই ধরনের চাল সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় বলে দুটি চালের মূল্য নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে।

আজ থেকে ১০ টাকা কেজিতে চাল বিক্রি

গত মঙ্গলবার খাদ্য এবং বাণিজ্যমন্ত্রী চাল মিল মালিক আড়তদারদের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে দাম নির্ধারণ করে দেন। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

নতুন দর অনুযায়ী, মিল গেটে মিনিকেট চালের প্রতি কেজির দাম পড়বে ৫১ টাকা ৫০ পয়সা। আর মাঝারি চালের দর মিল গেটে পড়বে প্রতি কেজি ৪৫ টাকা দরে।

১০ টাকার চাল বিক্রি করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ নেতা ধরা

চালের পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলেছেন, গত ১০ দিন ধরে চালকল মালিকরা মিনিকেট এবং মাঝারি চালের দাম কেজি প্রতি প্রায় আট শতাংশ বাড়িয়েছেন।

তারা অভিযোগ করেছেন, এখন মৌসুমের শেষ এবং এ বছরের বন্যার সুযোগ নিয়ে চালকল মালিকরা দাম বাড়ানোর ফলে খুচরা বাজারেও ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।

চাল আমদানি করবে সরকার, কমবে শুল্ক

এ ব্যাপারে অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, তারা একটি গবেষণায় দেখেছেন, দেশে শত শত চালের মিলের মধ্যে ৫০টির মতো মিল বাজার প্রভাবিত করে থাকে। এই বছরেও মৌসুমের শেষে এবং বন্যার কারণে তাদের বাজার প্রভাবিত করার বিষয়টি দৃশ্যমান হয়েছে।

চালকল মালিকদের সমিতির সাধারণ সম্পাদক কে এম লায়েক আলী বলেছেন, আমরা যদি নির্ধারিত দামে চাল বিক্রি করি, এরপরে সেটা যখন পাইকারি ও খুচরা বাজারে যাবে তখন দাম আরো বেড়ে যাবে, সেটাও যেন মনিটর করা হয়, সেটা বৈঠকে জানিয়েছি।

-বাংলাদেশ জার্না

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ