ঢাকা, মঙ্গলবার 20 October 2020, ৪ কার্তিক ১৪২৭, ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

সবার আগে হাজির মিন্নি

সংগ্রাম ডেস্ক : বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হচ্ছে আজ বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর)। রায় উপলক্ষে বরগুনার আদালত প্রাঙ্গণে নেয়া হয়েছে পুলিশের কড়া নিরাপত্তা। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রতিটি ফটক ও বাউন্ডারি ঘিরে ঢেলে সাজানো হয়েছে পুলিশের বেষ্টনী। ইতোমধ্যে আদালতে আসতে শুরু করেছেন আইনজীবী ও তাদের সহকারীরা।

|আরো খবর

সাভারে চাঁদাবাজি মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

রক্ত পরীক্ষার কথা বলে ক্লিনিকে নিয়ে ধর্ষণ

২৮ বছর পর বুধবার বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায়

রিফাত হত্যা: আজও অধরা মুছা বন্ড

তবে যাদের ঘিরে মামলার রায় সেই আসামিদের মধ্যে সবার আগে আদালতে হাজির হয়েছেন নিহত রিফাতের স্ত্রী ও এ মামলার অন্যতম আসামি আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। জামিনে থাকা মিন্নি বুধবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে তার বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে হাজির হন। একই সঙ্গে আদালত প্রাঙ্গণে হাজির হয়েছেন মিন্নির কয়েকজন স্বজনও।

আদালতে ঢোকার আগে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, কিছুক্ষণ পরই রিফাত হত্যা মামলার রায় ঘোষণা হবে। এ মামলায় মিন্নি নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে বেকসুর খালাস পাবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

জবানবন্দিতে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন মিন্নি

১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আদালত। মোট ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে এ মামলায়। মামলার ৬ নম্বর আসামি মুসা এখনও পলাতক।

১৬ সেপ্টেম্বর মামলার দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আসাদুজ্জামান রায়ের জন্য বুধবার দিন ধার্য করেন।

পিকনিকের আড়ালে নয়নের সঙ্গে হোটেলে রাত কাটিয়েছিলো মিন্নি

রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক আসামিরা হলেন- রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়, মো. হাসান, মো. মুসা, আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি, রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর এবং কামরুল ইসলাম সাইমুন।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শত শত লোকের উপস্থিতিতে স্ত্রীর সামনে রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ভাইরাল হয়।

মিন্নি-নয়নের ‘নগ্ন ভিডিও’ ফাঁস

ঘটনার পরদিন ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দু’ভাগে বিভক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এর মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে আসামি করা হয়।

নয়নের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য মিন্নির ছিল গোপন ফোন নম্বর

গত ৩০ জুলাই বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান মিন্নির জামিন নামঞ্জুর করেন। তার আগে ২১ জুলাই বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালত মিন্নির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর মিন্নির জামিনের বিষয়টি হাইকোর্টে আসে। এ অবস্থায় মিন্নির জামিন কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে গত ২০ আগস্ট রুল জারি করেন হাইকোর্ট। অবশেষে ২৯ আগস্ট দুই শর্তে মিন্নির জামিন মঞ্জুর করেন হাইকোর্ট। বর্তমানে জামিনে মিন্নি।

-বাংলাদেশ জার্নাল/ওয়াইএ

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ