বুধবার ২৫ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

ফ্লাইট সংখ্যা বাড়াতে সৌদি আরবকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অনুরোধ

স্টাফ রিপোর্টার: করোনা মহামারির কারণে আটকেপড়া সৌদী প্রবাসী বাংলাদেশীদের তাদের কর্মস্থলে ফেরার সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ফ্লাইট সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সৌদি আরবকে অনুরোধ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। গতকাল রোববার সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে ফোনালাপকালে এ অনুরোধ করেন মন্ত্রী।
এ সময় ড. মোমেন আকামার মেয়াদ বৃদ্ধি ও ভিসা প্রদানে সৌদি আরবের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। বিমান বাংলাদেশ ফ্লাইট চলাচলে অনুমতি দেয়ায় সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে তিনি ধন্যবাদ জানান। এর পাশাপাশি দাম্মাম রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি প্রদানের জন্য সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন। বর্তমানে রিয়াদ, মদিনা ও জেদ্দায় বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট চলাচলের অনুমতি দিয়েছে সৌদি আরব।
সৌদী সরকার প্রবাসী শ্রমিকদের তাদের কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা সমাধানে গত বুধবার ইতিবাচকভাবে সাড়া দেয়। গত শনিবার ভোরে সৌদি এয়ারলাইন্সের প্রথম ফ্লাইট এসভি-৮০২ করে তিন শতাধিক যাত্রীর প্রথম দল দেশটির উদ্দেশে ঢাকা ছেড়ে যায়।
এদিকে, প্রবাসী বাংলাদেশিদের সৌদি আরবে তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে ফিরে যেতে সহায়তা করার জন্য গতকাল রোববার টানা চতুর্থদিনের মতো টিকিট বিক্রি অব্যাহত রেখেছে সৌদি এয়ারলাইন্স। ইতোমধ্যে যারা টোকেন পেয়েছেন সকাল থেকেই তারা টিকিট সংগ্রহ করছেন। সৌদি আরবে ফেরার টিকিটের জন্য অভিবাসী শ্রমিকরা ঢাকায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করার একদিন পর গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বাংলাদেশি প্রবাসীদের জন্য টিকিট প্রদান শুরু করে সৌদি এয়ারলাইন্স।
তারা রিটার্ন টিকিট নিয়ে দেশে ফিরলেও করোনা ভাইরাস মহামারির মধ্যে বিমানের ফ্লাইটের অভাবে সৌদি আরবে ফিরতে পারেননি। এর প্রেক্ষিতে ভিসা ও আকামার মেয়াদ বৃদ্ধি এবং সৌদি আরবে ফেরতের টিকিটের ব্যবস্থা করার দাবিতে ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন অভিবাসী শ্রমিকরা। গত বুধবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন জানান, বিমান ও সৌদি উভয় এয়ারলাইন্সই ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি পাওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিরা তাদের কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারবেন। তিনি আরও বলেন,  বাংলাদেশের শ্রমিকদের আকামা আরও ২৪ দিন বৈধ থাকবে এবং প্রয়োজনে আরও বাড়ানো হবে। দূতাবাস আকামা দেয় না। নিয়োগকর্তা দেয়, বলেন ড. মোমেন। এর আগে দেশে আটকা পড়াদের জন্য মোট তিন দফায় বাংলাদেশিদের আকামার মেয়াদ বাড়িয়েছে সৌদি সরকার। আকামার সর্বশেষ বর্ধিত মেয়াদ শেষ হচ্ছে ৩০ সেপ্টেম্বর। এমন পরিস্থিতিতে ৩০ সেপ্টেম্বরের পর আকামার মেয়াদ আরও তিন মাস বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়ে সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে একটি চিঠি পাঠায় দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ দূতাবাস।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ