রবিবার ২৯ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

দেশে যত অপকর্ম হয়েছে তার সাথে আ’লীগ যুবলীগ ও ছাত্রলীগ জড়িত

গতকাল রোববার বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : দেশে ভয়াবহ নৈরাজ্য চলছে বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সিলেটের এমসি কলেজের হোস্টেলে ধর্ষণের ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে গতকাল রোববার দুপুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, সিলেটের এমসি কলেজের ঘটনা অত্যন্ত ভয়ংকর ও ভয়াবহ। এটাই দেশের প্রকৃত চিত্র। এখানে কারো কোনো নিরাপত্তা নেই। এখানে একটা ল‘লেসনেস চলছে, নৈরাজ্য চলছে এবং সেটা আওয়ামী লীগের সৃষ্ট। আমরা এই ঘটনার (ধর্ষণ) তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। আমি অবিলম্বে ছাত্র লীগের দুষ্কৃতকারীদের গ্রেপ্তার করে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানাচ্ছি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আজকে প্রায় ৫০ বছর হতে যাচ্ছে স্বাধীনতার। এখন পর্যন্ত দেশে আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসছে তখনই এই ধরনের নৈরাজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবণতি হয়েছে। এই আওয়ামী লীগ একটা ব্যাপারে সফল হয়েছে যে তারা সারাদেশের সকল মানুষের মধ্যে একটা ত্রাস সৃষ্টি করতে পেরেছে, একটা ভয়-ভীতি সৃষ্টি করতে পেরেছে।
সিলেটে এমসি কলেজে ছাত্রলীগ কর্তৃক গৃহবধূ ধর্ষণের ঘটনাটি বিএনপি কিভাবে দেখছে- সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে যত রকম অপকর্ম হয়েছে তার সাথে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতারা জড়িত ছিলো।  এমসি কলেজের ঘটনাও নতুন নয়। গত কয়েক বছর যাবৎ আমরা সেটা দেখতে পাচ্ছি। ধর্ষণের সংখ্যা এমনভাবে বেড়েছে যা অতীতে আমরা কখনো দেখিনি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মতো একটি পুরাতন দল যাদের ছাত্র সংগঠনের একটি ঐতিহ্য আছে তাদের নেতারাই এরকম প্রতিটি ঘটনার সাথে জড়িত। এর আগেও তারা ধর্ষণের সেঞ্চুরি পার করেছে এরকম ঘটনা আমরা জানতে পেরেছি। আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের এটা একটা চরিত্রগত ব্যাপার। এসময় তিনি আরো বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে যত রকম অপকর্ম আছে, ত্রাণের সামগ্রী চুরি করা থেকে শুরু করে সব অপরাধের সাথে আওয়ামী লীগের নেতা যুবলীগের নেতা অথবা ছাত্রলীগের নেতারা জড়িত। অবিলম্বে আমরা এসকল দুষ্কৃতিকারীকে গ্রেফতারের মাধ্যমে আইনের আওতায় নিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছি।
স্বামীর সামনে গাড়ি থেকে তু্লে নেয়া হয়েছে এই যে একটি চিত্র এটাকে আপনি কিভাবে দেখছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটা একটি ভয়াবহ চিত্র এবং এটাই বর্তমান সমাজের বাস্তব চিত্র। দেশের কোথাও কোনো নিরাপত্তা নেই। আজ দেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর হয়ে যাচ্ছে এখনো পর্যন্ত আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে তখনই এরকম নৈরাজ্য বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে।
দেশের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরতে গিয়ে তিনি বলেন, এটা হচ্ছে যে, ডিপ স্টেট হলে যেটা হয়, সার্ভিলেন্স। নর্থ কোরিয়ার ‘১৯৮৪’ বলে একটি ছবি আছে। যদি পারেন এটা দেখবেন। কীভাবে সাইকোলজিক্যালি, মেন্টালি এই যে ফিয়ার, এটাকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। যার ফলে সব কিছু প্রতিবাদ থেকে সে বিরত থাকে। আপনারা দেখবেন যে, মিশরে এই ঘটনাগুলো ঘটা শুরু করেছে। তারও আগে নর্থ কোরিয়াতে এগুলো চলছে। তিনি বলেন, আমি তো বাংলাদেশের সঙ্গে মিল খুঁজে পাই। অত্যন্ত একই রকম ঘটনা প্রায়। এখন পৃথিবীটা কেমন যেন হয়ে গেছে। কোন দিকে যাবেন আপনি, কোথায় যাবেন? মির্জা ফখরুল আর বলেন, আমি যে ফোনে কথা বলি, এই ফোন ২৪ ঘণ্টা রেকর্ড হয়, ২৪টা ঘণ্টা এবং এটা প্রিন্ট হয়। সেই প্রিন্টের কপি আমি দেখেছি। হ্যাঁ, এটা থেকে কেউ বাদ যাচ্ছে না। এটা কিন্তু সমাজে সমস্ত জায়গায় হয়ে গেছে। তিনি বলেন, নির্মলেন্দু গুণের একটি কবিতা ছিল- কোন দিকে পালাবে তুমি, কোনোদিকে পথ নেই। উত্তরের উত্তুঙ্গ পবর্তমালা, দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর- কোন দিকে পালাবে তুমি, কোনো দিকে পথ নেই।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সম্পর্কে হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সুপরিকল্পিত মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। কয়েকটি ইলেক্ট্রনিক চ্যানেল সরকারের নির্দেশে সম্পূর্ণ বিকৃত, বিকারগ্রস্থ মানসিকতায় তথা কথিত নাটক নামে পরিবেশন তারই একটি অংশ। আওয়ামী লীগ বল পূর্বক ক্ষমতা দখলের পর থেকেই অত্যন্ত সুপরিকল্পিত ভাবে ইতিহাস বিকৃত করে ভবিষ্যত প্রজন্ম তথা জনগণের সামনে স্বাধীনতা সংগ্রাম, মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম নিয়ে মিথ্যা ও ভুল তথ্য পরিবেশন করছে। ১৫ আগষ্টের হত্যাকান্ডের স্বীকৃত খুনী আওয়ামী লীগের নেতা খন্দকার মুশতাক এবং তৎকালীন বাকশাল সরকারের মন্ত্রী যারা খন্দকার মোশতাকের মন্ত্রী সভায় যোগ দিয়েছিলেন ২৬শে আগষ্ট ১৯৭৫ সালে তারা ইনডেমনিটি বিল অনুমোদন করে। আইনমন্ত্রী মনোরঞ্জন ধর । এই আইনের খসড়া তৈরী করে যিনি বাকশালের মন্ত্রীসভার সদস্য ও শেখ মুজিবর রহমানে প্রিয় পাত্র ছিলেন। আওয়ামী লীগের নেতার ৪ বৎসর কেউ টুঙ্গীপাড়ায় জিয়ারত করতে যায়নি। তৎকালীন স্পীকার ও পরবর্তী কালে আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল মালেক উকিল হিথরো বিমান বন্দরে বলেছিলেন দেশ ফেরাউনের হাত থেকে রক্ষা পেলো। খোন্দকার মোস্তাক মন্ত্রী সভার সদস্য খোন্দকার আসাদুজ্জামান ১৯৭৯ সালে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংসদে বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন। আওয়ামী লীগের হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ করেননি। উপান্ত তারা বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দলে যোগ দিয়েছিলেন। এটাই প্রকৃত ইতিহাস। আজ আওয়ামী লীগ যতই চেষ্টা করুক অবৈধ ক্ষমতার জোরে মিথ্যা ইতিহাস প্রতিষ্ঠা করে শহীদ জিয়াকে হেয় প্রতিপন্ন করার, ৪৫ বৎসর পরে সম্পূর্ন হীন উদ্দেশ্যে জনগণকে বিভ্রান্ত করার, তারা এই ৪৫ বৎসরে যখন পারেনি। এখন পারবে না। রাষ্ট্র যন্ত্র ব্যবহার করে সংবিধান সংশোধন করে, মিথ্যা প্রচার করে জিয়াউর রহমানের অবদানকে খাটো করা যাবে না। তিনি বলেন, এই সরকার বিএনপির ৩৫ লক্ষ নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি ও নির্যাতন করছে, ৫০০ ওপর নেতা-কর্মীকে গুম করেছে, সহস্রাধিক খুন করছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে দেখুন, সমাজের প্রত্যেকটা স্তরে একটা নিরাপত্তার অভাব বোধ করা, ভয়-ভীতি কাজ করা এবং এক সময় যারা উচ্চ কন্ঠ ছিলেন মানুষের দাবি-দাওয়া, সমস্যা নিয়ে কথা বলতেন তারাও এখন কথা বলছেন না। আপনারা নিজেদের কথাই চিন্তা করে দেখেন-সাংবাদিকরা কথা বলেননি এরকম আমরা কখনো দেখিনি। এখন সাংবাদিকরা বাধ্য হয়ে কী করছে? বিএনপিকে খুঁজে বেড়াচ্ছে, বিএনপির কোথায় কি ত্রুটি আছে সেগুলো দেখে বেড়াচ্ছেন এবং সেগুলো বের করে করে সামনে আনছেন। উপায় তো নেই। কারণ আপনাদেরকে ওই কাজ দেয়া হচ্ছে, আপনাদের বলা হচ্ছে, আদেম মতো কাজ না হলে আপনাদের চাকুরি থাকবে না- এই সমস্ত সমস্যা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, যে সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব জোর করে নিয়েছে এবং যারা পুলিশকে ব্যবহার করেছে তাদের অপকর্মগুলোতে। পুলিশ তো সোজা বলে, আওয়ামী লীগের নেতাদেরকেই বলে যে, তোমরা কারা? ক্ষমতায় তো আমরা আনছি। পরিস্কার করে বলে এবং কোনো রকম বাদ-বিচার নেই। আপনি জেলা শহরগুলোতে যান। গিয়ে যদি আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মিটিংগুলোতে ঢুকেন। দেখবেন যে, এসপি সাহেব ওখানে যে বক্তব্য রাখে সেই বক্তব্য আওয়ামী লীগের নেতার চাইতে ১০ গুন বেশি। সে নিজেই আপনার স্বাধীনতার বড় সৈনিক, সে নিজে আপনার এই গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় সৈনিক, সে গণতন্ত্রকে রক্ষা করেছে ২০১৪, তারপরে ২০১৮ সালে। ওরাই তো প্রধান। হু আর ইউ, তোমরা কী করেছো। দ্যা (সরকার) হ্যাব লস কন্ট্রোল। কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করবে। এটা তো পলিটিক্যাল গভমেন্ট নয়, ব্যাঙ্কক্রাফট ওরা।
প্রবাসীদেরে ফেরা নিয়ে সরকারের ব্যর্থতা প্রসঙ্গে সাবেক বিমান প্রতিমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, প্রবাসীদের ফেরার বিষয়টি নিয়ে সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। একটা হচ্ছে যে, তাদেরকে (প্রবাসীদের) আসার সময়ে যে সুরক্ষা দেয়ার কথা ছিলো সেটা দেয়া হয়নি। পরে অর্থনৈতিক যে প্রণোদনা দেয়ার কথা ছিলো সেটা দেয়া হয়নি। ফলে অনেকেই ঋণগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। আজকের পত্রিকায়ও খবর বেরিয়েছে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রবাসীদের ফিরে যাওয়ার ব্যাপারেও যেটা আগে থেকে বুঝা উচিত ছিলো সরকারের, সেটা তারা করেনি। বিমানের যে ফ্লাইটগুলো চলতো সেগুলো তারা বন্ধ করে দিলো এই কারণে যে, সৌদি আরব সেখানে বিমানের ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিচ্ছে না। সেজন্য সাউদিয়ার ফ্লাইট বন্ধ করে দিলো। ঠিক আছে এটা সিভিল এভিয়েশনের নিয়মই আছে- আমরা ফ্লাইট তুমি না নাও, আমি তোমার ফ্লাইট নেবো না। কিন্তু এমন একটা সময় যেখানে আমার প্রবাসীদের জীবিকা বিপন্ন হবে এবং দেশের রেমিটেন্স আসে সেটা বিপন্ন হয়ে যাবে। এগুলোতে আাগে থেকেই সরকারকে বুঝতে হবে- এই সমস্যাগুলো হতে পারে। দ্যা বিজি উইথ ম্যাকিং মানি দ্যাটস অল।
অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যাকান্ড প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, এখানে দুর্ভাগ্য যেটা, আজকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেটা রয়েছে সেগু্লাে সরকারি দলের সঙ্গে এক হয়ে তারা এই অপরাধগুলো করছে। আপনারা দেখেছেন কিছুদিন আগে কক্সবাজারের মেরিনডাইভে অন দ্যা স্পট একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে(মেজর সিনহা) হত্যা করা হয়েছে। কক্সবাজার থেকে প্রায় সকল পুলিশ সদস্যকে বদলি করে দিয়ে আজকে প্রমাণিত হয়েছে যে, কক্সবাজারে  এতোদিন ধরে যে ক্রসফায়ারগুলো হয়েছে, বিচার বর্হিভুত হ্ত্যাকান্ড গুলো হয়েছে প্রায় ২‘শ উপরে-এগুলোর পরিকল্পিতভাবেই হয়েছে এবং তাদের পেছনে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মদদ ছিলো বলে আমরা মনে করি।
বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেয়ার আহবান জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, শনিবার দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় আলোচনা হয়েছে। কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন এখনো চূড়ান্তভাবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্তৃক অনুমোদন পায়নি। বিএনপি মনে করে, ভ্যাকসিন সংগ্রহ ও বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো রকম রাজনৈতিক, কুটনৈতিক ও বানিজ্যিক স্বার্থও যেন সাধারন মানুষের ভ্যাকসিন প্রাপ্তিতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটায় সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালনের আহবান জানিয়েছে স্থায়ী কমিটি। জনগন যেন কোনো ব্যয় ব্যতিরেখে এই ভ্যাকসিন পেতে পারে তার ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সরকারের প্রতি সভা থেকে আহবান জানানো হয়।
স্থায়ী কমিটির সভায় পাবনা-৪ আসনের উপ-নির্বাচন বাতিল করে পূণঃনির্বাচনের দাবি ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চরিত্র ও ভাবমূর্তি হননে কথিত ‘ইনডেমনিটি’ নাটক তৈরি করে সরকারের ইতিহাস বিকৃতি করার ঘটনার নিন্দা জানানো হয়। গতকাল স্থায়ী কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে বিএনপি মহাসচিব ছাড়াও খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মওদুদ আহমদ, জমিরউদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সেলিমা রহমান ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন। গুলশানে চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে এই সাংবাদিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ