বুধবার ০২ ডিসেম্বর ২০২০
Online Edition

নিখোঁজ শিশুর লাশ পাওয়া গেলো পাশের বাসার গোসলখানায়

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীর বনানীর জামাইবাজার এলাকায় কড়াইল বস্তির একটি গোসলখানা থেকে নুসরাত জাহান মিম (৪) নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে খবর পেয়ে বনানী থানার উপ-পরিদর্শক এসআই জাহিদুল ইসলাম লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ মর্গে নিয়ে আসেন।
তিনি জানান, কড়াইল বস্তির একটি ভাড়া বাসার গোসলখানা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। শিশুটির গলায় লালচে দাগ দেখা গেছে। তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে কিনা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে তা বলা যাবে।
শিশুটির মা রোকসানা আক্তার জানান, সকালে ঘুম থেকে উঠে বাসাবাড়িতে কাজের উদ্দেশে তিনি বের হন। মিমের বাবা লিটন মিয়া পেয়ারা বিক্রি করেন। তিনি মেয়েসহ বাসায় ঘুমিয়ে ছিলেন। ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করতে করতে ঘরের বাইরে আসেন। ঘরে ফিরে মিমকে দেখতে না পেয়ে তার মাকে মোবাইলে ফোন দেন। পরে রোকসানা বাসায় ফিরে তারা খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। এলাকায় মাইকিংও করা হয়। পরে পাশের ভাড়া বাসার গোসলখানায় মিমকে অচেতন অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তখন পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
শিশুটির মায়ের অভিযোগ , ‘আমার মেয়েকে কেউ শ্বাসরোধে হত্যা করে গোসলখানায় ফেলে রেখেছে। আমার মেয়েকে যারা হত্যা করেছে তাদের খুঁজে বের করে যেন আইনের মাধ্যমে তার বিচার হয়।’
মৃত নুসরাত জাহান মিম নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার রাতলী সিংরাপুর গ্রামের লিটন নিয়ার মেয়ে। কড়াইল বস্তিতে হিমেলা বেগমের বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে ভাড়াবাসায় থাকতো সে। এক ভাই এক বোনের মধ্যে মিম ছিল ছোট।
বাংলাদেশে গরু পাচার রুখতে পশ্চিমবঙ্গে অভিযান বিএসএফ কর্নেলের বাড়ি সিল
স্টাফ রিপোর্টার : গরু পাচার রুখতে রাজ্যজুড়ে অভিযানে নামল সিবি আই। কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চলছে তল্লাশি। গরু পাচারে নাম জড়ানো এক বিএসএফ কর্নেলের বাড়ি সিল করা হয়েছে। রাজ্যের সীমান্তবর্তী জেলাগুলি দিয়ে বাংলাদেশে গরু পাচার করার অভিযোগ বহুদিনের। উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক সীমান্তবর্তী জেলায় বসবাসকারী মানুষজন গরু পাচারকারীদের অত্যাচারে নাজেহাল। বুধবার সকাল থেকেই কলকাতার রাজারহাট, সল্টলেক, তপসিয়া, মুর্শিদাবাদ, বহরমপুর, লালগোলা, শিলিগুড়ি-সহ রাজ্যের ১৫ জায়গায় অভিযান চালায় সিবি আই।
সল্টলেকের সিটি সেন্টার টু’র পাশেই বিএসএফের কমান্ড্যান্ট সতীশ কুমারের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়। বর্তমানে ওই বিএসএফ কমান্ড্যান্ট কর্মসূত্রে কর্ণাটকে থাকেন। তবে সূত্রের খবর, এর আগে সীমান্ত এলাকায় কাজ করতেন তিনি। সেই সময় গরু পাচারের ক্ষেত্রে নানাভাবে সাহায্য করেছিলেন সতীশ কুমার। তাঁর বাড়ি থেকে ইতিমধ্যেই বেশ কিছু নথিপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। যা তদন্তে নতুন করে দিশা দেখাতে পারবে বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা। তল্লাশির পর এদিন তাঁর বাড়ি সিল করা হয়েছে ।
কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার নজরে ইমামুল হক নামে আরও এক পাচারকারী রয়েছে। গরু পাচার মামলায় এর আগে মুর্শিদাবাদ থেকে তাকে গ্রেফতার করেছিল সিবি আই। পরে অবশ্য সে ছাড়া পায়। ইমানুল হককেই আবারও খুঁজছে সিবি আই। অফিসারেরা মনে করছেন, তার কাছ থেকেই মিলতে পারে আরও তথ্য। এর পেছনে বড় কোনও প্রভাবশালী মাথা যুক্ত আছে কিনা, তাও দেখা হচ্ছে। এদিন ইমামুলের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই এই গরু পাচারকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছে সিবি আই। জেরাও করা হয়েছে বেশ কয়েক জনকে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ